সাড়ে পাঁচ মাস পরও ফেরেননি ৯ জেলে, অপেক্ষায় লক্ষ্মীপুরের পরিবারগুলো
মার্চে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে আটক হন ১৬ জেলে; লক্ষ্মীপুরের ৯ জন এখনও বন্দি।
মার্চে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে আটক হন ১৬ জেলে; লক্ষ্মীপুরের ৯ জন এখনও বন্দি।
প্রায় দুই কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের মাছটি মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়তে তোলা হলেও অপরিচিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিক্রি হয়নি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে একসঙ্গে প্রায় ৮০ মণ ইলিশ ধরা পড়েছে। দীর্ঘদিন পর বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এসব ইলিশ আলীপুরের সিফাত ফিসে নিলামের মাধ্যমে প্রায় ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়।
চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটে ইলিশের বাজারে দেশি ও ভারতীয় ইলিশের দামে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। ভারত থেকে আসা ইলিশ তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও সাগর ও নদী থেকে আসা দেশি ইলিশের দাম বেশি। তবে কয়েক দিনের মধ্যে সাগর থেকে পর্যাপ্ত ইলিশ আসলে দেশি ইলিশের দামও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
মৎস্যইঞ্জিন বিকল নৌকায় টানা ৩৬ দিন বঙ্গোপসাগরে ভেসে থাকা দুই শ্রীলঙ্কান জেলেকে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে উদ্ধার করে উপকূলে আনেন কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের জিয়াউর রহমান ও তার ট্রলারের জেলেরা।
মৎস্য২০২৬ সালের ৭ জুলাই বৈরী আবহাওয়ায় বরগুনার তালতলী উপকূলের বঙ্গোপসাগরে এফবি মহিমা নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১৮ জেলের মধ্যে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়, নিখোঁজ ছিলেন দুজন।
দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশ সংরক্ষণ, জাটকা নিধন প্রতিরোধ এবং টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও নদী অববাহিকায় অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় 'জাটকা নিধন প্রতিরোধ কার্যক্রম-২০২৬' কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চল
মৎস্যবঙ্গোপসাগরে ধরা লাল চিংড়ি নৌকাতেই বরফে রাখা হয়, মাথা ছাঁটা ও বাছাইয়ের পর কারখানা হয়ে বিদেশে যায়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের চিংড়ি রপ্তানি আয় ছিল ২৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
বঙ্গোপসাগরে দুটি ট্রলারে এক টানে ধরা পড়েছে ২০০ মণ ইলিশ। পরে বরগুনার পাথরঘাটায় বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিলামে এসব ইলিশ ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে এফবি সাফাওয়ান-৩ নামের একটি ট্রলারে ধরা পড়েছে প্রায় ১৭০ মণ ইলিশ। যার বাজারমূল্য আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা। এসময় ট্রলারে জায়গায় সংকুলান না হওয়ায় সাগরে বসেই আরেকটি ট্রলারে প্রায় ৩০ মণ ইলিশ তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ইলিশবোঝাই ট্রলারটি পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবত
জাতীয় মাছ ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণে দেশের সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বঙ্গোপোসাগরে এক জেলের জালে প্রায় সাড়ে তিন কেজি ওজনের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে মাছটি লক্ষ্মীপুরের রামগতি মাছঘাটে নিলামে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে আড়াই কেজি ওজনের এক ইলিশ। পরে মাছটি আট হাজার ৭৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়।