জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা ২ ডিসেম্বর
প্রজাপতি সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বসছে প্রজাপতি মেলা। আগামী ২ ডিসেম্বর দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রজাপতি সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বসছে প্রজাপতি মেলা। আগামী ২ ডিসেম্বর দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
খাঁচায় আটকে রাখা ১০টি পাখি আকাশে অবমুক্ত করে দিয়েছেন প্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক সংগঠন 'ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের' কর্মীরা।
করোনা সংক্রমণ এড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এবার পাখি মেলা অনুষ্ঠিত হবে না।
পাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৭ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে 'পাখি মেলা ২০২২'। পাখিপ্রেমীদের স্বীকৃতিস্বরূপ মেলায় পাখি সংরক্ষণ ও গবেষণায় অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড দেবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এজন্য পাখি সম্পর্কিত তথ্য-চিত্র, সংবাদ ও প্রবন্ধ আহ্বান
প্রতি বছরের মতো এবারও শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এসেছে পরিযায়ী পাখির দল।
দর্শনার্থীর উৎপাত কম থাকায় এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বেড়েছে। শীতের এ মৌসুমে ক্যাম্পাসে ১২ প্রজাতির সাত হাজারের বেশি পরিযায়ী পাখি এসেছে। যা বিগত দুই দশকে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবছর শীতের শুরুতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড় করে পরিযায়ী পাখিরা। এ বছরও ক্যাম্পাসের ৪টি লেকে আশ্রয় নিয়েছে এরা। তবে এবার ক্যাম্পাসের ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেকে দেখা মিলেছে বিরল প্রজাতির আফ্রিকান কম্বডাকের। ক্যাম্পাসে ১১ বছর পর দেখা মিলল এই পাখির।
ভোরে শিশির সিক্ত ঘাস। দৃষ্টির খুব কাছেই কুয়াশার রেখা। সূর্যের আলোতে ক্রমেই ম্লান হচ্ছে কুয়াশার আভা। হঠাৎ উত্তরের শিরশিরে হাওয়ার ঝাঁকুনি। প্রকৃতি এভাবেই শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। বছরের এই সময়টাতে নৈসর্গের আরেক নাম হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসে লাল শাপলায় রক্তিম শোভিত জলাশয়ে আগ
পরিবেশপাখি সংরক্ষণে গণসচেতনতা বাড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি শুক্রবার জহির রায়হান মিলনায়তনের সামনে বার্ষিক পাখি মেলার আয়োজন করে; দিনভর পাখি দেখা, প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর পরিকল্পনা ছিল।
সবুজের নগরীতে নজরকাড়া এক লেকের শান্ত পানিতে জলকেলিতে মেতে আছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। তাদের মধ্য থেকে কিচিরমিচির শব্দে একটি ঝাঁক উড়ে দিগন্তের দিকে ছুটি চলেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরেকটি ঝাঁক এসে পানিতে দুরন্তপনা শুরু করছে।
শীত এলেই আমাদের দেশের জলাশয়, বিল, হাওর, পুকুরে দেখা যায় নাম জানা অনেক পাখি। আমরা সেগুলোকে বলি অতিথি পাখি। অতিথি হলেও এরা আমাদের দেশে আসে নিজেদের জীবন বাঁচাতে।