সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

১১ বছর পর দেখা দিল আফ্রিকান কম্বডাক

প্রতিবছর শীতের শুরুতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড় করে পরিযায়ী পাখিরা। এ বছরও ক্যাম্পাসের ৪টি লেকে আশ্রয় নিয়েছে এরা। তবে এবার ক্যাম্পাসের ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেকে দেখা মিলেছে বিরল প্রজাতির আফ্রিকান কম্বডাকের। ক্যাম্পাসে ১১ বছর পর দেখা মিলল এই পাখির।

প্রতিবছর শীতের শুরুতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড় করে পরিযায়ী পাখিরা। এ বছরও ক্যাম্পাসের ৪টি লেকে আশ্রয় নিয়েছে এরা। তবে এবার ক্যাম্পাসের ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেকে দেখা মিলেছে বিরল প্রজাতির আফ্রিকান কম্বডাকের। ক্যাম্পাসে ১১ বছর পর দেখা মিলল এই পাখির।

২০০০ সালে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো আফ্রিকান কম্বডাকের দেখা মেলে। এরপর মাঝে মাঝেই এই পাখি দেখা যেত। তবে ২০০৯ সালের পর আর এই পাখির দেখা মেলেনি বলে জানিয়েছেন পাখি বিশেষজ্ঞরা।

গত ৮ নভেম্বর ক্যাম্পাসের ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেকে এই পাখির একটি ঝাঁক দেখা যায়। সুদূর সাইবেরিয়া অঞ্চল থেকে এই পাখি এসেছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

আফ্রিকান কম্বডাককে নাকতা হাঁস ও বুঁচা হাস নামেও ডাকা হয়। এটি অতি বিপন্ন প্রজাতির বড় হাঁস। এই হাঁসের দেহের উপরিভাগ নীলচে কালো। পিঠের পেছনভাগ ধূসর। মাথা ও ঘাড়ে সাদার ওপর কালো রঙের ফুটকি রয়েছে। ডানার গৌণ পালক ব্রোঞ্জ রঙের। বুকের অর্ধেক জুড়ে একটি কালো রঙের ফালি। স্ত্রী হাঁস অপেক্ষাকৃত মলিন ও ছোট। এরা উড়তে দক্ষ ও ডুবসাঁতারে নিপুণ।

ভারত, নেপাল, সাইবেরিয়া, চীন ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশে এদের দেখা যায়। শীতে দেশের হাওর অঞ্চলের বড় বড় জলাশয়ে এদের দেখা যায়।

৮ ও ৯ নভেম্বর ক্যাম্পাসে পাখির উপর প্রাথমিকভাবে শুমারি করা হয়। এতে ক্যাম্পাসে ৭ প্রজাতির প্রায় পাঁচ হাজার পাখি এসেছে বলে জানা গেছে। গত বছর পাখির প্রজাতির সংখ্যা ছিল ৫টি। এবার আফ্রিকান কম্বডাকের সঙ্গে গার্গেনি বা জিরিয়া হাঁস জাতের পাখিও এসেছে।

অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে আফ্রিকান কম্বডাকের দেখা পাওয়ায় খুশি পাখি বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও পাখি বিশেষজ্ঞ ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, বিরল প্রজাতির এই পাখি সাইবেরিয়া অঞ্চল থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশের বড় বড় জলাভূমিতেও এদের দেখা মেলে। পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত ও মানুষের উৎপাত কমানো গেলে পাখির সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

ফারুক হোসাইন/এফএ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)