মধু চাষে সাড়ে চার লাখ কৃষক
মধু চাষের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ কৃষক জড়িত। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু চাষের কারণেই আজ এত কৃষকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা ১০ বছর আগেও ছিল না। এসব কৃষক বছরে গড়ে ৮০০ থেকে
মধু চাষের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ কৃষক জড়িত। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু চাষের কারণেই আজ এত কৃষকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা ১০ বছর আগেও ছিল না। এসব কৃষক বছরে গড়ে ৮০০ থেকে
‘গুটি (আটি) আম এক সময় ফেলে দিতাম। তেমন দাম ছিল না। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আটি আমের সমস্ত গাছ কেটে জমিতে অন্য কিছু করব। তা আর করতে হয়নি। এই আমে যে এত মধু আছে, তা আগে জানতাম না। প্রা
শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে ইরি-বোরো চাষাবাদ। শীতে ইরি-বোরোর চারা নষ্ট হলেও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
বছরের পর বছর ধরে এমন ক্ষতির মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা
‘বোরো বীজের চারা কিনে রোপণ করলে আমার আরও অনেক টাকা খরচ হবে। অথচ বাজারে ধানের দাম অনেক কম পাই’
ব্রিটেনে এক গবেষণা বলছে, দেখতে ভালো লাগছে না এই যুক্তিতে ইউরোপের কৃষক এবং বিক্রেতারা প্রতি বছর পাঁচ কোটি টন খাদ্য বাতিল করে দেয়।
কৃষকের ধান সরকারি গুদামে গেল না! যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কথা তা সফল হয়নি। লটারির মাধ্যমে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালদের,
সাত বছর বয়সী সন্তানের মা ঢাকার নিশিতা ইসলাম। তার সন্তানের প্রিয় খাবারের একটি মুরগীর মাংস। এজন্য নিয়মিতই ব্রয়লার মুরগী রান্না বা মুরগী ফ্রাই করে সন্তানকে খেতে দেন তিনি।
আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় জয়পুরহাট জেলায় বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলার চাষ। কলা চাষীদের পরিবারে কেবল ভাত কাপড়ের ব্যবস্থাই নয়, অন্যান্য ব্যয়ের সংস্থানও হচ্ছে কলা চাষ করে। জ
ফসল২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, ২০ নভেম্বর থেকে সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে ৬ লাখ মেট্রিক টন আমন ধান কিনবে; মিলারদের কাছ থেকে কেনা হবে সিদ্ধ ও আতপ চাল।
এগ্রোবিজ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করার পর নভেম্বরে ঢাকায় কেজিপ্রতি দাম আড়াইশ টাকার কাছে পৌঁছায়। অর্থনীতিবিদ ও কৃষি সচিবের মতে, বিকল্প বাজার খোঁজা আর দেশে উৎপাদন বাড়ানোই এই নির্ভরতা কাটানোর পথ।
এগ্রোটেকআমন ধান সংগ্রহে অনিয়ম ঠেকাতে ২০১৯ সালের নভেম্বরে খাদ্য অধিদপ্তর ১৬টি জেলায় ‘কৃষকের অ্যাপ’ চালুর উদ্যোগ নেয়; নিবন্ধিত কৃষকদের মধ্যে লটারি করে ঠিক হওয়ার কথা ছিল কার কাছ থেকে ধান কেনা হবে।
এগ্রোবিজ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর ঢাকায় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার পর বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশে উৎপাদন না বাড়লে এমন সংকট আবার আসতে পারে।