ক্ষতি পুষিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষক
নওগাঁ জেলায় এ বছর শিম, লাউ, পটল, বেগুন, বরবটিসহ বেশ কয়েক প্রজাতির আগামজাতের সবজি চাষ হয়েছে। ভালো আবহাওয়া থাকায় ফলনও হয়েছে বেশি।কৃষকরা বলছেন, গত বছরের করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিত
নওগাঁ জেলায় এ বছর শিম, লাউ, পটল, বেগুন, বরবটিসহ বেশ কয়েক প্রজাতির আগামজাতের সবজি চাষ হয়েছে। ভালো আবহাওয়া থাকায় ফলনও হয়েছে বেশি।কৃষকরা বলছেন, গত বছরের করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিত
নোয়াখালীর উপকূলীয় সুবর্ণচরের চরনঙ্গলিয়ার কৃষক আব্দুল আজিজ এবার বাড়ির আঙিনায় এক একর জমিতে শিম, করলা, শসাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছেন। শীতের আগাম সবজি শিম এর মধ্যেই বাজারে চলে এসে
নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের জমি অতিরিক্ত লবণাক্ত হওয়ায় ফসল উৎপাদনে আশানূরূপ ফলন পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই উৎপাদনে ভালো ফলের আশায় পেতে ইন্দেনেশিয়ার এক চাষাবাদ পদ্ধতি চালু করা হয় এ
রহিদুল খান: [২] যশোরের চৌগাছায় বাজারে বেশি দাম পেয়ে কৃষকেরা ঝুঁকেছেন মেটে আলু চাষে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। লম্বা লতা আর পানের মত পাতা গ
রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলার দিগন্ত জুড়ে এখন ফসলের মাঠে সবুজের সমারোহ। চোখের দৃষ্টি যতদুর যায় শুধু সবুজ আর সবুজ ফসলের মাঠ। মাঠের পর মাঠ জুড়ে সবুজ ধানের গাছ বাতাশে দোল খাচ্ছে। ধানের
ময়মনসিংহ অঞ্চলে চলতি আমন মৌসুমে চাষ করা স্থানীয় জাতের ধানের এখনো থোর বের হয়নি অথচ বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউ (বিনা) উদ্ভাবিত আগাম জাতের বিনাধান-১৭ এর কর্তন শুরু হয়েছ
প্রতি হেক্টরে এ জাতের ধান ৬ টন ফলেছে। প্রচলিত আমনের তুলনায় এ ধান দেড় মাস আগে পাকে
ভিডিওদেশে এখন বছরব্যাপি রকমারি ফল ফসলের উৎপাদন বাড়ছে। গত এক দশকে আম ও পেয়ারার উৎপাদন দ্বিগুণ, পেঁপেতে আড়াই গুণ এবং লিচু উৎপাদনে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর গত চার পাঁচ বছরের মধ্যে নতুন যেসব ফলের উৎপাদন ব্যাপকহারে বাড়ছে তার অন্যতম হলো ড্রাগন। চাষের জমির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি জমিতে কলা চাষ বাড়লেও সবচেয়ে দ্রু
ভিডিও২০০৫ সালের কথা। ভিয়েতনামে প্রতিবেদন ধারণের সময় প্রথম দেখেছিলাম ড্রাগন। আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের কাছে তখনও ড্রাগন ছিল একেবারেই অপরিচিত এক ফল। এখন ড্রাগন কমবেশি সবার কাছেই এক পরিচিত ফল হয়ে উঠেছে।
বগুড়ার ধুনট উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামের হায়দার আলী এবং তার আরও দুজন অংশীদার মিলে ৯৬ হাজার টাকা দিয়ে একটি কোরবানির গরু কিনেছেন। কসাইসহ অভিজ্ঞরা বলছেন, গরুটির নিট মাংস হবে ৬ মণ। তা
কোরবানি উপলক্ষে একটু বেশি লাভের আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীর হাটগুলোতে পশু নিয়ে আসেন খামারি, ব্যাপারী ও গৃহস্থরা। গত কয়েকদিন তেমন বেচাবিক্রি না হলেও এখন শেষ মুহূর্তে
পবিত্র রমজান মাসে দুগ্ধ খামারিরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। কারণ রমজান মাস উপলক্ষে অনেক গ্রাহকই দুধ কিনছেন। ফলে কয়েকদিন আগেও যে দুধ ১০-১৫ লিটার বিক্রি করেছেন, সেই দুধ এখন ৪০ থে
ভাল ফলন ও দাম পেলে ধান চাষের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছেন কৃষকেরা