দাম কমেছে ইলিশের
মৌসুমের শুরুতে চাঁদপুর মাছঘাটে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলেও হঠাৎ করেই আড়তে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে কয়েকগুণ। ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে দাম কমেছে ২০০-৩০০ টাকা। আগে যেখানে দিনে ৫০-৬০ মণ ইলিশ আসতো ঘাটে, এখন আসছে ৪০০- ৫০০ মণ করে।
মৌসুমের শুরুতে চাঁদপুর মাছঘাটে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলেও হঠাৎ করেই আড়তে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে কয়েকগুণ। ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কেজিতে দাম কমেছে ২০০-৩০০ টাকা। আগে যেখানে দিনে ৫০-৬০ মণ ইলিশ আসতো ঘাটে, এখন আসছে ৪০০- ৫০০ মণ করে।
দেশে মাছের উৎপাদন ৫০ লাখ টন পেরিয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে। ওই বছর উৎপাদন হয় ৫০ লাখ ১৮ হাজার টন মাছ। এটি ছিল বাংলাদেশের মোট মাছ উৎপাদনে একটি নতুন 'মাইলফলক'।
সরবরাহ কম থাকায় পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও ডিজেলের দাম বেশি হওয়ায় কারণে দেশে বর্তমানে ইলিশের দাম বেশি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
দীর্ঘদিন পর বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই সাগরে নেমেছেন জেলেরা। তবে হতাশ হতে হয়নি তাদের। এক ট্রলারে ৬৫ মণ ইলিশ মাছ নিয়ে ফিরেছেন ঘাটে। বিক্রি হয়েছে ৩৮ লাখ টাকায়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ইলিশের কেজি দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা।
ভরা মৌসুমেও উপকূলীয় ঝালকাঠি জেলার বিষখালী নদীতে দেখা মিলছে না রূপালী ইলিশের। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় উপজেলার কয়েকশো জেলে পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।
পটুয়াখালীর বাজারে বছরের সবচেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছ ইলিশ। বাজারে সরবরাহ কম। একইসঙ্গে বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা সমুদ্রে না যেতে পারায় ক্রেতাদের জন্য ইলিশ এখন 'স্বপ্নের মাছ' হয়ে উঠেছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই মাছ আর দৈনন্দিন খাবারের অংশ নয়, বরং বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সারাদেশে ইলিশের দাম নিয়ে যখন হইচই তখন জেলেরা ভুগছেন ইলিশ সংকটে আর ক্রেতারা হতাশ দাম নিয়ে। এমতাবস্থায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জামাল মাতুব্বর নামের এক জেলের জালে ধরা পড়লো ২ কেজির এক ইলিশ যা বিক্রি হলো ৭ হাজার সাতশো টাকায়।
যেসব জেলায় ইলিশ মাছ ধরা হয়, সেখানে দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। সরকার যখন এমন পরিকল্পনা করছে ঠিক সেসময় ঢাকার বাজারে ইলিশের চরম সংকট তৈরি হয়েছে। বাজারে হাতেগোনা কিছু দোকানে মিলছে ইলিশ, তবে দাম বেশ চড়া। উচ্চমূল্যের কারণে ক্রেতার নাগাল ছাড়া হয়ে গেছে জাতীয় মাছ ইলিশ।
ইলিশের মূল্য নির্ধারণ হলে বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এমনিতে আড়তে ইলিশ কম আসছে মূল্য নির্ধারণ হলে সেটি আরও কমে যাবে বলে শঙ্কা ব্যবসায়ীদের।
ইলিশের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। সেই চিঠির আলোকে মন্ত্রিপরিষদ বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার নিকট উপস্থাপন করে। এতে সম্মতি দেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে শুধু চাঁদপুর নয় শিগগিরই সরকার সারাদেশে ইলিশের মূল্য ন
অস্বাভাবিক কোনো কারণে যেন ইলিশের দাম না বাড়ে তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ইলিশের মূল্য দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মৎস্য২০২৫ সালের ২৭ জুন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে ক্রেতাদের ভিড় ছিল, তবে ব্যবসায়ীরা জানান, ঘাটে দিনে যেখানে ৪০০ থেকে ৫০০ মণ ইলিশ বেচাকেনা হতো, তা নেমে এসেছে ৫০ থেকে ১০০ মণে; এক কেজির ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়।