এক ইলিশের দাম ১৩ হাজার!
কিছুদিন ধরে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে খুব কমসংখ্যক ইলিশ ধরা পড়ছে। যার কারণে হতাশ স্থানীয় জেলেরা। তবে ইলিশ সরবরাহ কম থাকলেও জুনের শুরু থেকে জেলেরা বড় আকারের ইলিশ পাচ্ছেন।
কিছুদিন ধরে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে খুব কমসংখ্যক ইলিশ ধরা পড়ছে। যার কারণে হতাশ স্থানীয় জেলেরা। তবে ইলিশ সরবরাহ কম থাকলেও জুনের শুরু থেকে জেলেরা বড় আকারের ইলিশ পাচ্ছেন।
নদী ও সাগরে মাছ শিকারের নিষেধাজ্ঞা নেই। বাজারগুলোতেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের বেশ সরবরাহ। অথচ ভোলার বাজারে নদী, সাগর ও পুকুর-ঘেরের মাছের দামে ঊর্ধ্বগতি। মাছ কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
ভোলার মেঘনা নদী‌তে জেলে‌দের জালে ধরা পড়েছে এক‌টি রাজা ইলিশ। ২ কেজি ৭০ গ্রাম ওজনের ইলিশটি বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৬ হাজার টাকায়।
ইলিশের দাম নির্ধারণ অযৌক্তিক বলে মেনে নিবে না চাঁদপুরের ব্যবসায়ীরা। যদিও এ জন্য ১৭ জুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
সিন্ডিকেটের কারণে চড়া চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রি হয়। যে কারণে সাধারণ ক্রেতা ও স্থানীয়রা ইলিশের স্বাদ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে ইলিশের মূল্য নির্ধারণের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের চিঠি দিয়েছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক।
মৌসুমের শুরুতেই জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। মূলত গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলার ভরে ইলিশ মাছ নিয়ে জেলেরা ফিরেছেন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার, নামখানা বন্দরে। ১৫ থেকে ২০টি ট্রলার নিয়ে এরই বন্দরে এসেছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। প্রতি ট্রলারে প্রায় ৩০ থেকে ৫০ ক্রেট ভর্তি রুপালি
পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা এখনো সেভাবে শুরু হয়নি। তার আগেই বাঙালির নাকে আসতে শুরু করেছে ইলিশের গন্ধ। ভোজনরসিক বাঙালির পাতে ইলিশ তুলে দিতে দু'মাসের নিষেধাজ্ঞার শেষে ফের বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দিচ্ছে মৎস্যজীবিদের ট্রলার।
ইলিশ শিকারে সরকারের ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে বুধবার (১১ জুন) দিনগত মধ্যরাতে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার প্রথম দিনেই এক ট্রলারে ধরা পড়লো ৪৩ মণ ইলিশ।
ইলিশ ধরা শুরুর এক সপ্তাহ পর চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের। ফলে এখন জমজমাট বড়স্টেশন মাছঘাট।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলত‌দিয়ার পদ্মা নদীতে ধরা পড়েছে দুই কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের দুটি ইলিশ। উন্মুক্ত নিলামে মাছ দুটি ১০ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
দীর্ঘ দুইমাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে তিন দিনেও সরবরাহ বাড়েনি ইলিশের। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ইলিশের অবতরণ কেন্দ্র বড়স্টেশন মাছঘাটে তলানিতে নেমেছে ইলিশের সরবরাহ। মূলত পদ্মা-মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রুপালি ইলিশ। যে কারণে মাছঘাটে সরবরাহ কম, দাম বেশি। যদিও এখন মাছঘাটে ইলিশের বদলে পাঙাশ, রু
চাঁদপুরে মার্চ-এপ্রিল দুইমাস বন্ধ থাকার পর মধ্যরাত থেকে পদ্মা-মেঘনায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারে নেমেছেন অর্ধ লক্ষাধিক জেলে। ফলে ব্যস্ততা বেড়েছে জেলেদের। নদী থেকে আহরিত ইলিশ নিয়ে আসছে আড়তে। সেখানেই চলছে কেনা-বেচা। যদিও প্রথম দিনে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলেরা।
জাটকা সংরক্ষণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞার পর আবারও নদীতে নামতে প্রস্তুত জেলেরা। আজ মধ্যরাত থেকে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে মাছ ধরার দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। ইলিশ ধরার প্রস্তুতিতে নৌকা মেরামত, জাল সেলাইয়ের কাজ শেষ করে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে ইলিশ ধরার অপেক্ষায় জেলেরা।