সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

সারাদেশে ইলিশের মূল্য নির্ধারণ করছে সরকার

ইলিশের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। সেই চিঠির আলোকে মন্ত্রিপরিষদ বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার নিকট উপস্থাপন করে। এতে সম্মতি দেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে শুধু চাঁদপুর নয় শিগগিরই সরকার সারাদেশে ইলিশের মূল্য ন

ইলিশের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। সেই চিঠির আলোকে মন্ত্রিপরিষদ বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার নিকট উপস্থাপন করে। এতে সম্মতি দেন প্রধান উপদেষ্টা। ফলে শুধু চাঁদপুর নয় শিগগিরই সরকার সারাদেশে ইলিশের মূল্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ শাখার স্মারকে গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এ সংক্রান্ত চিঠি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক চাঁদপুর ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের একান্ত সচিব বরাবর সদয় জ্ঞাতার্থে প্রেরণ করেন জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ।

চিঠিতে জানানো হয়, কমিশনারগণের নিকট থেকে প্রাপ্ত জুন ২০২৫-এর প্রথম পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ইলিশের মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছেন। সেই সঙ্গে প্রস্তাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বাস্তবায়ন অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, চাঁদপুরের ইলিশের সুস্বাদুতার সুযোগ নিয়ে চাঁদপুর ও আশপাশের জেলার কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও আড়তদার নিজের ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন, যা একেবারেই ক্রেতার নাগালের বাইরে। ইলিশের চড়া মূল্যের কারণে ইলিশ জনসাধারণের ক্রয়সীমার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। যেহেতু ইলিশ চাঁদপুরসহ অন্যান্য জেলাতেও ধরা পড়ে সেহেতু কেবল জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর কর্তৃক ইলিশের মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এর ফলপ্রসূ প্রভাব পড়বে না।

যার ফলে চাঁদপুরের পাশাপাশি বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠিসহ আরও অনেক সাগর তীরবর্তী জেলায় ইলিশ ধরা পড়ে থাকে। নদী বা সাগরে ইলিশ উৎপাদনে জেলেদের কোনো উৎপাদন খরচ না থাকলেও ধৃত ইলিশের দাম অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

যেহেতু ইলিশ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদন হয় সেহেতু ইলিশ আহরণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ইলিশের মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন। ইলিশের মূল্য নির্ধারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে সদয় নির্দেশনা প্রদান করা যেতে পারে। এই প্রস্তাবটি প্রধান উপদেষ্টা সদয় অনুমোদন করেছেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মহসীন উদ্দিন বলেন, ইলিশের মূল্য নির্ধারণে বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন হয়েছে। আমরা শুধু প্রপোজাল দিয়েছি, এখন এটা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে বসবে। দাম নির্ধারণ মন্ত্রণালয় থেকে হবে, না এখান থেকে আমরা প্রপোজাল পাঠাবো, সেটা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, চাঁদপুরসহ দেশের ১০ থেকে ১২ জেলায় ইলিশ ধরা পড়ে এবং ক্রয়-বিক্রয় হয়। আমরা মনে করেছি, চাঁদপুরে অংশীজনদের নিয়ে ইলিশের দাম নির্ধারণ করে দিলেও অন্য জেলায় গিয়ে বিক্রি হবে। এজন্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছিলাম মূল্য নির্ধারণের জন্য। ইলিশের বাজার মূল্য যাতে করে সিন্ডিকেটের খপ্পরে না পড়ে এবং উচ্চমূল্য না হয় সেজন্যই এই প্রস্তাবনা।

শরীফুল ইসলাম/এমএন/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

কেরালার উপকূলীয় নারীদের ৮৪টি মাছের ব্যবসা, পারিবারিক আয় বেড়েছে ৩০-৩৫ শতাংশ

আইসিএআর-সিএমএফআরআইয়ের এক কর্মসূচির সহায়তায় ২০২২ থেকে ২০২৬ সালে কেরালার আট জেলায় ৮৪টি মৎস্যভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে উঠেছে; সরাসরি উপকৃত ৪৬৯ জন, যাঁদের বেশির ভাগ তফসিলি জাতিভুক্ত।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

সৌরশক্তির রিসার্কুলেটিং ট্যাংকে পাহাড়ে ট্রাউট চাষ, পানি লাগবে ৮০ শতাংশ কম

ভারতের উত্তরাখণ্ডের এক খামারে সৌরশক্তিচালিত হাইব্রিড রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম চালু করেছে আইসিএআর-সিআইসিএফআর; প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এতে পানি প্রায় ৮০ শতাংশ কম লাগে এবং একজন ট্রাউটচাষি বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি উদ্বৃত্ত পেতে পারেন।

আইসিএআর১৬ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মৎস্য

আট পদের পাঁচটিই শূন্য, তিনজনে চলছে শায়েস্তাগঞ্জের সরকারি মৎস্য বীজ খামার

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে ১২টি পুকুরে পোনা উৎপাদন চললেও আট পদের পাঁচটি শূন্য, নৈশপ্রহরী নেই, বরাদ্দ না থাকায় চাষি প্রশিক্ষণও বন্ধ।

মানবজমিন১৫ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)