বাংলাদেশকে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন সার দিলো রাশিয়া
রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন পটাশ সার উপহার দিয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এ উপহার হস্তান্তর করেছে।
রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন পটাশ সার উপহার দিয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাশিয়া ফেডারেশন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এ উপহার হস্তান্তর করেছে।
উপমহাদেশের কৃষিতে শীত মৌসুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় বোরো ধান, গম, আলু, সরিষা, ডাল, শাক-সবজি ও বিভিন্ন ফলের চাষ ব্যাপকভাবে হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শীত মৌসুমে অতিরিক্ত ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশা একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। কুয়াশা শুধু দৃষ্টিসীমা কমায় না বরং এটি
মুন্সিগঞ্জের বিস্তীর্ণ মাঠে চোখে পড়ছে হলুদের সমারোহ। আগাম জাতের সরিষার হলুদ ফুলে ঢেকে গেছে মাঠের পর মাঠ। হিমেল হাওয়ায় দোল খাওয়া সরিষা ফুল যেন প্রকৃতিতে যোগ করেছে অনন্য সৌন্দর্য। এমন দৃশ্য প্রাণ জুড়িয়ে দিচ্ছে কৃষকের। আনন্দে আছেন সরিষা থেকে মধু আহরণকারীরাও।
চাঁপাইনবাবগঞ্জকে বলা হয় আমের রাজধানী। আমের পাশাপাশি এবার জেলায় নতুন সম্ভাবনার নাম হয়ে উঠছে বিদেশি ফল চায়না কমলা। আমদানি নির্ভর এ ফল স্থানীয়ভাবে চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আয় বাড়ছে; অন্যদিকে কমছে বিদেশি কমলা আমদানির ওপর নির্ভরতা।
ফলপটুয়াখালী সদরের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের এক নারী নদীর পাড়ের ২০ শতাংশ পতিত জমিতে প্রায় ২০০টি বরইয়ের কলম লাগিয়েছেন; ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি জাগো নিউজকে জানান, দ্বিতীয় বছর থেকেই বাগানে লাভ হচ্ছে।
প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আশির দশকে জয়পুরহাটের ৩২টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছিল 'কৃষি সম্প্রসারণ ও পরামর্শ প্রদান কেন্দ্র'। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক যুগের অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে এই কেন্দ্রগুলো এখন একেকটি 'ভুতুড়ে বাড়িতে' পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ ভবনগুলো আগাছায় ঢেকে গিয়ে
আমের রাজধানী হিসেবে দেশ-বিদেশে সুপরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। কয়েক যুগ ধরে জেলার কৃষি ও অর্থনীতি আবর্তিত হয়েছে আমকে কেন্দ্র করেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, অনিয়মিত বৃষ্টি, রোগবালাই, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে আম চাষে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন
এগ্রোটেক২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত একটি পলিনেট হাউজ থেকে কোকোপিটে উৎপাদিত সবজি ও ফুলের চারা বিক্রি হচ্ছিল; সেখানকার চারা লাগিয়ে ভালো ফলন পাওয়ার কথা জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন কৃষকেরা।
ছোটবেলা থেকেই পাখির প্রতি শখ ও গভীর ভালোবাসা মেহেদী হাসান শুভর। সেই ভালোবাসাকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন পাখির ব্যবসা। প্রতি মাসে ২-৩ লাখ টাকার পাখি বিক্রি করেন এই তরুণ উদ্যোক্তা।‎‎রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকার নবাবগঞ্জ বাজারে মেহেদী হাসান শুভর আছে একটি পাখির দোকান। বড় ভাইয়ের উৎসাহ ও সহযোগি
সরিষা ফুল থেকে মধু চাষ করে বাজিমাত করেছেন আল আমিন ও তার বাবা সাবু মোল্লা। মাগুরা সদরের ডেফুলিয়া গ্রামে সরিষা ক্ষেতে মৌ-বক্স পেতে মধু সংগ্রহ করছেন তারা। প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়েছেন খাদিজা মৌ খামার। মাঠে মাঠে বাতাসে দোল খায় সরিষা ফুল। সেই ফুল থেকে তৈরি হয় মধু।
মো. আনসারুজ্জামান সিয়াম
শাকসবজি২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সতর্ক করে, শীতে আলুর লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগ মহামারি আকার নিতে পারে। রোগের লক্ষণ, আগাম ব্যবস্থা ও বারির সুপারিশকৃত ছত্রাকনাশক স্প্রের নিয়ম।
শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা বাড়ে। তাই তো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের গাছি মো. শহিদ মোল্লা (৪৬) রসের চাহিদা মেটাচ্ছেন। তার বাগানের খেজুরের রসের টানে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন মানুষ ভিড় জমান।