‘বাতাস দিয়ে খাদ্য’ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা যা গড়তে পারে কৃত্রিম খাবারের ভবিষ্যৎ
'বাতাস দিয়ে প্রোটিন জাতিয় খাদ্য' তৈরি করেছেন ফিনল্যান্ডের কিছু বিজ্ঞানী। তারা বলছেন, এই খাবার পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে সয়া'র প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারবে।
'বাতাস দিয়ে প্রোটিন জাতিয় খাদ্য' তৈরি করেছেন ফিনল্যান্ডের কিছু বিজ্ঞানী। তারা বলছেন, এই খাবার পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে সয়া'র প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারবে।
এগ্রোটেক২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এক রুশ নভোচারী থ্রিডি বায়োপ্রিন্টার দিয়ে গরু ও খরগোশের মাংস এবং মাছের টিস্যু তৈরি করেন; কোষ সরবরাহ করে ইসরায়েলের আলেফ ফার্মস।
এগ্রোটেকআমন ধান সংগ্রহে অনিয়ম ঠেকাতে ২০১৯ সালের নভেম্বরে খাদ্য অধিদপ্তর ১৬টি জেলায় ‘কৃষকের অ্যাপ’ চালুর উদ্যোগ নেয়; নিবন্ধিত কৃষকদের মধ্যে লটারি করে ঠিক হওয়ার কথা ছিল কার কাছ থেকে ধান কেনা হবে।
ডিএনএ বারকোডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশার প্রজাতি চিহ্নিতকরণ গবেষণায় সফল হয়েছে চট্টগ্রামের ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)।
২০২২ সালের মধ্যে কৃষিকে ২০ ভাগ স্মার্ট প্রযুক্তির আওতায় আনতে চায় সাউথ কোরিয়া। সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সেদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। চুংবুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চলছে মাটির বিভিন্ন উপাদান উন্নয়ন বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা।
দেশে ঘরোয়া মাছ চাষের সর্বাধুনিক পদ্ধতি রাস এর পর এবার ‘বায়োফ্লক’ নিয়ে নানামুখি পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঢাকার উত্তরার দুই তরুণ প্রকৌশলী লেখাপড়া শেষে উদ্যোগ নিয়েছেন ওই প্রযুক্তিতে মাছ চাষের এবং এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় অনেক বেশি আশাবাদী তারা।
এগ্রোটেক২০১৯ সালের মে মাসে বিবিসি বাংলা জানায়, উদ্ভিদ থেকে তৈরি যে বার্গার দেখতে, গন্ধে ও স্বাদে মাংসের মতো এবং যা থেকে 'রক্ত'ও ঝরে, আর গবেষণাগারে প্রাণীর কোষ থেকে তৈরি মাংস, দুটোই দোকানে পৌঁছানোর পথে।
এগ্রোটেক২০১৯ সালের মে মাসে বোরো ধান মণপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছিল কৃষকদের। কৃষিমন্ত্রী তখন চাল রপ্তানি ও যন্ত্র ব্যবহারের কথা বলেন; বিআইডিএসের গবেষক নাজনীন আহমেদ দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তিতে উৎপাদন খরচ কমানোর ওপর জোর দেন।
মোবাইল অ্যাপভিত্তিক কৃষিসেবায় নতুন সম্ভাবনা জানান দিচ্ছে ‘ফসলি’। ওই অ্যাপের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে শুরু করে ফসলের রোগ ও পরিচর্যার নানা সুবিধা নিতে শুরু করেছে কৃষক।
দেশে প্রথমবারের মতো গড়ে উঠেছে ডিজিটাল সুবিধা সম্বলিত দুগ্ধ খামার। স্মার্ট প্রযুুক্তি সংযুক্ত গাভীর সার্বক্ষণিক তথ্য সরবরাহ হচ্ছে কম্পিউটারে। খামারি ও প্রযুুক্তি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্মার্ট খামার সাধারণ খামারের চেয়ে হবে অনেক বেশি লাভজনক।
স্মার্ট ফার্ম ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষক লাভজনক গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। অফিস কক্ষে বসেই তারা প্রযুক্তির মাধ্যমে খামারটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার তার কাজকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি উৎপাদনও বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণে। পাচ্ছেন বাড়তি লাভ।
মৎস্যমাছ চাষের জন্য স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতে নিয়েছে বাংলাদেশি তরুণ সফটওয়্যার প্রকৌশলী শফিউল আলম। দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার বৃহৎ উদ্ভাবন প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রকল্প। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন উদ্ভাবিত ওই প্রকল্প মাছ উৎপাদন খাতে রাখবে অনন্য অবদান।
ফলড্রাগন ফলের ফলন পাওয়া যাবে ছয় মাস নয়, দশ মাস। শুধু একটি প্রযুক্তির ব্যবহারই নিশ্চিত করতে পারে এই ফলন। চীনের গোয়াংডং প্রদেশে চলছে এ প্রযুক্তির ব্যবহার।