সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

পথের ধারের অবহেলিত গাছ কুকুরচিতা: ফুল, ফল আর পাখির খাবার

মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক চয়ন বিকাশ ভদ্র লিখেছেন Litsea glutinosa গাছের পরিচয়, লোকজ ব্যবহার আর কমে যাওয়ার কথা; বন উজাড়ে গাছটি আগের চেয়ে অনেক কমেছে।

পথের ধারের অবহেলিত গাছ কুকুরচিতা: ফুল, ফল আর পাখির খাবার
পরিবেশ

পথের ধারে, ঝোপঝাড়ে অনায়াসে বেড়ে ওঠা কুকুরচিতা গাছকে অনেকেই চেনেন না। অঞ্চলভেদে এর নাম মেন্দা, মেদা, খারাজোড়া, পিপুলটি বা কারজুকি। ময়মনসিংহের মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান চয়ন বিকাশ ভদ্র প্রথম আলোতে গাছটির পরিচয় তুলে ধরেছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্রতীরের কাছারিঘাটে তিনি এর ফুল এবং জুনে নরসিংদী সরকারি কলেজে ফল দেখেছেন।

কুকুরচিতার বৈজ্ঞানিক নাম Litsea glutinosa। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ও উপগ্রীষ্মমণ্ডলীয় এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এর প্রাকৃতিক বিস্তার, বাংলাদেশও তার মধ্যে। মাঝারি আকারের এই চিরসবুজ গাছ ৮ থেকে ১৫ মিটার লম্বা হয়; কাণ্ড সোজা, বাকল ধূসর ও খসখসে। পাতা হাতে ডললে আঠালো, সুগন্ধি রস বের হয়, আর পাতা ও ছালে প্রচুর মিউসিলেজ থাকে, যা দিয়ে গাছটি সহজে চেনা যায়।

মে থেকে জুলাইয়ে ছোট, হালকা হলুদ বা সাদাটে-সবুজ সুগন্ধি ফুল গুচ্ছ বেঁধে ফোটে, মৌমাছি ও ছোট পতঙ্গ আসে। বর্ষার শেষে ছোট গোল সবুজ ফল ধরে, শরৎ-হেমন্তে পেকে লাল বা কালচে-বেগুনি হয়। এই ফল বনের পাখি আর কাঠবিড়ালির প্রিয় খাবার, আর ফলের শক্ত বীজেই প্রাকৃতিকভাবে গাছ ছড়ায়।

লেখক জানিয়েছেন, লোকজ ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় গাছটির পাতা ও ছাল নানা কাজে ব্যবহারের প্রচলন আছে, আর গবেষণায় এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এসব ব্যবহার চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। গ্রামে এর আঠালো ছাল ও পাতা দিয়ে ধূপ বা আগরবাতির মণ্ড তৈরি হয়।

পরিবেশের দিক থেকেও গাছটি দামি: মাটির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে, ঘন পাতায় পাখিরা আশ্রয় পায়, ফল বন্য প্রাণীর খাবার জোগায়। অধ্যাপক চয়ন বিকাশ ভদ্রের মতে, আধুনিকায়ন আর বন উজাড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কুকুরচিতা আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে, তাই গাছটি সংরক্ষণ জরুরি।

ছবি: Vinayaraj / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)