সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ব্যাংকবিমুখ কৃষকরা, লাভের গুড় খাচ্ছে মহাজন

ভাটির জেলা সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের কৃষকরা বরাবরই ব্যাংকবিমুখ। হয়রানি ও অধিক নিয়মকানুনের দোহাই দিয়ে ব্যাংকের সরকারি সহায়তা না নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে অর্থের জন্য ছোটেন মহাজনের কাছে। এতে একদিকে যেমন ব্যাংক তার মুনাফা হারাচ্ছে অন্যদিকে উৎপাদিত ধানের লাভের অংশ মহানজনকে পরিশোধ করতে গিয়ে ভাগ্য আর বদলাচ্ছে না

ভাটির জেলা সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের কৃষকরা বরাবরই ব্যাংকবিমুখ। হয়রানি ও অধিক নিয়মকানুনের দোহাই দিয়ে ব্যাংকের সরকারি সহায়তা না নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে অর্থের জন্য ছোটেন মহাজনের কাছে। এতে একদিকে যেমন ব্যাংক তার মুনাফা হারাচ্ছে অন্যদিকে উৎপাদিত ধানের লাভের অংশ মহানজনকে পরিশোধ করতে গিয়ে ভাগ্য আর বদলাচ্ছে না কৃষকের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জে তিন দফা বন্যায় নাকাল অবস্থা হয় প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের। আউশ ধান থেকে শুরু করে বসতভিটার সব আসবাবপত্র ভেসে যায় পানির স্রোতে। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এখনো স্বাভাবিক হয়নি হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জীবনমান। টাকার অভাবে ব্যাংকে গিয়ে বিভিন্ন হয়রানির শিকার হলেও ঋণ পাচ্ছেন না কৃষকরা। তাই মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা এনে বোরো ধান রোপণ করছেন তারা। এতে উৎপাদিত ধানের লাভের বড় অংশ মহাজনকে দেওয়ায় জীবন মানের উন্নতি হচ্ছে না প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের।

বিশেষ করে সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, দোয়ারাবাজারসহ মোট ১২টি উপজেলার ছোট বড় ১৩৭টি হাওরে প্রায় ১০ লাখ কৃষকের বোরো ধানের চাষাবাদ পুরোদমে শুরু করার কথা থাকলেও এখনো টাকার অভাবে চাষাবাদ শুরু করতে পারেননি অনেকে৷ অথচ সরকারি পর্যায়ে ব্যাংকগুলোতে ঋণ সহায়তাসহ নানা প্রণোদনা প্যাকেজ রয়েছে কৃষকদের জন্য। কিন্তু অতিরিক্ত হয়রানি ও অধিক পরিমাণের নিয়মকানুন থাকায় ব্যাংকের সরকারি সহায়তার ঋণ না নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে অর্থের জন্য কৃষকরা ছুটছেন মহাজনের দুয়ারে।

কৃষক জাহাঙ্গীর জাগো নিউজকে বলেন, অনেক কষ্ট করে ফসল করে ফসলের লাভের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে চলে যায়। যার কারণে হাওরের কৃষকরা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভবান হতে পারছেন না। আর কৃষি ঋণের জন্য ব্যাংকে গেলে আমাদের নানা হয়রানির শিকার হতে হয়।

হাওরের কৃষক মনোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, বোরো ধান চাষাবাদ করার জন্য যে টাকার প্রয়োজন সেটা ব্যাংক থেকে নিতে গেলে কৃষকদের হয়রানি হতে হয়। তাই মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে বোরে চাষাবাদ করে পরে লাভের বড় অংশ মহাজনকে দিতে হয়।

সুনামগঞ্জ কৃষি ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছর কৃষকদের ঋণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এরইমধ্যে ৭ হাজার কৃষককে ৪২ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। বাকি টাকাও পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ কৃষি ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান শহীদ জাগো নিউজকে বলেন, কৃষি ব্যাংক সহজ শর্তে কৃষকদের ঋণ প্রদান করে। সুতরাং কৃষিঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কৃষকের হয়রানির শিকার হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এদিকে সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর ১০ লাখ কৃষক দুই লাখ ২৩ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এখান থেকে ৯ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে। যার বাজার মূল্য সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা।

তবে সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম জাগো নিউজকে বলেন, কৃষকরা যাতে হয়রানিমুক্ত হয়ে কৃষিঋণ পেতে পারেন সেজন্য আমরা মাঠ পর্যায়ে সভা, সেমিনার করে তাদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)