সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণার দাবি

বিভিন্ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা জরুরি বলে জানিয়েছেন হাওরাঞ্চলবাসী।

বিভিন্ন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা জরুরি বলে জানিয়েছেন হাওরাঞ্চলবাসী।

শনিবার (২ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাওর অঞ্চলবাসী, ঢাকার উদ্যোগে হাওরের জলবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, অকাল বন্যায় ফসলহানিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবিতে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তিন দফা বৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি হাওরের বাঁধ ভেঙে এখন পর্যন্ত হাওরাঞ্চলে অন্তত ৪৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়াও শিলাবৃষ্টিতে অন্তত ৮০০ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান বক্তারা। তারা বলেন, এখনো হাওর ও মেঘালয়ের পাহাড়ে বৃষ্টিপাত অব্যাহত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

হাওরাঞ্চলের মানুষের উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন বোরো ফসল। এখন পর্যন্ত হাওরের যে সব জমির জমির ধান কাটা হয়েছে, সে সব ধান বৃষ্টির কারণে শুকানো যাচ্ছে না। অনেক ধান পচে গেছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।

এ বছরের মতো অতীতে জলাবদ্ধতা এত ব্যাপক আকারে দেখা যায়নি জানিয়ে তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সংঘটিত অতিবৃষ্টি ও হাওরের অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধ এ জলাবদ্ধতার জন্য মূলত দায়ী। কোনো ধরনের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা ও গবেষণা ছাড়া হাওরে বাঁধ দেওয়া হচ্ছে।

• হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ • অকাল বন্যায় ফসলহানিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বছরব্যাপী খাদ্য সহায়তা প্রদান• হাওরে ব্যাপকভিত্তিতে নদী-খাল-বিল খনন করে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা• হাওরের মাঝ দিয়ে অপরিকল্পিত সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করা• হাওর সমস্যার স্থায়ী সমাধানে গবেষণা করে বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ• জলাবদ্ধতা নিরসনে কৌশলগত অবস্থান নির্ণয় করে স্লুইস গেট নির্মাণ• হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা• ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি ঋণ ও এনজিও ঋণের কিস্তি মওকুফ করা • স্থানীয় কৃষকদের অভিজ্ঞতা ও গবেষকদের কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয় করে দ্রুত হাওরের সমস্যার সমাধান করা

বন্যা হোক কিংবা জলাবদ্ধতা, উভয় ক্ষেত্রেই কৃষকের ক্ষতির ধরন একই। পানিতে তলিয়ে যায় স্বপ্নের সোনালি ফসল। কৃষকরা ঋণ করে চাষাবাদ করেন। ফসলের ওপর নির্ভর করে কৃষি পরিবারের আচার অনুষ্ঠান, বিয়ে, সাদি, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার খরচ। শুধু ফসল নয়, গবাদিপশুরও খাদ্য সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাওর অঞ্চলবাসীর প্রধান সমন্বয়ক ড. হালিম দাদ খান, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা চৌধুরী, ইমতেছার আহমেদ চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত সচিব গোলাম শফিক, অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ, প্রফেসর ডা. শাহীন রেজা চৌধুরী, প্রিন্সিপাল এম এ মোনায়েম, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্কারের সভাপতি কাশমির রেজা, খালেদ সানোয়ার, বুরহান উদ্দিন আহমেদ হাওর অঞ্চলবাসী ঢাকার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বাবু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. সৈয়দ উমর খৈয়াম। পরিচালনা করেন মেনন চৌধুরী।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)