ইলিশের জালি কাবাব খেয়েছেন কখনো, রইল রেসিপি
জালি কাবাব তো অনেক খেয়েছেন। মাংসের জালি কাবাব খেয়ে থাকলেও ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি জালি কাবাবের স্বাদ নিয়েছেন কখনো? বাঙালির প্রিয় ইলিশকে একটু ভিন্নভাবে পরিবেশন করতে চাইলে এই পদটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন।
জালি কাবাব তো অনেক খেয়েছেন। মাংসের জালি কাবাব খেয়ে থাকলেও ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি জালি কাবাবের স্বাদ নিয়েছেন কখনো? বাঙালির প্রিয় ইলিশকে একটু ভিন্নভাবে পরিবেশন করতে চাইলে এই পদটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন।
গরম ভাতে পেঁপে দিয়ে দেশি বাচ্চা মুরগির পাতলা ঝোল মানেই তৃপ্তিদায়ক খাবার। জ্বর-জারি, পেটের গোলযোগ কিংবা দীর্ঘ অসুস্থতার পর মুখে যখন অরুচি আসে, তখন এই হালকা অথচ পুষ্টিকর ঝোলের কোনো বিকল্প হয় না। ঘরোয়া এই খাবারটি শুধু স্বাদে ও তৃপ্তিতে অনন্য নয়, বরং পুষ্টিগুণের দিক থেকেও বেশ উপকারী।
রুই মাছ বাঙালির রান্নাঘরের চেনা ও প্রিয় একটি মাছ। মাছ ভুনা কিংবা সবজি দিয়ে রুই রান্না করাই বেশি প্রচলিত। তবে একই স্বাদের রান্নায় একটু ভিন্নতা আনতে চাইলে লেবুপাতা ও সরিষা দিয়ে তৈরি করতে পারেন।
বর্ষা শেষে বাজারে উঠতে শুরু করে পাকা তাল। তাল দিয়ে তালের বড়া থেকে শুরু করে নানা রকম মিষ্টি তৈরি হলেও তালের পাটিসাপটা হতে পারে একটু অন্যরকম আয়োজন। নরম পাটিসাপটার সঙ্গে তালের হালকা মিষ্টি স্বাদ আর নারিকেলের পুর সব মিলিয়ে তৈরি হয় দারুণ সুস্বাদু একটি পিঠা। বাড়িতে সহজেই কীভাবে তালের পাটিসাপটা বানাবেন, রই
ঘরের গাছের যত্নে রান্নাঘরের ফেলে দেওয়া কিছু উপকরণও কাজে লাগানো যায়। তার মধ্যে চাল ধোয়া পানি বা ভাতের মাড় বেশ পরিচিত একটি ঘরোয়া উপায়। চাল ধোয়ার পানিতে সামান্য পরিমাণে স্টার্চ ও কিছু খনিজ উপাদান থাকতে পারে, যা মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করতে সহায়তা করতে পারে।
প্রাচীনকাল থেকে বিকেলের নাস্তায়, বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়নে পুডিং বড় একটি জায়গা দখল করে আছে। ডিম-দুধ-চিনির মিশ্রণে তৈরি এই পুডিং পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন। বিভিন্ন দেশে প্রায় একই রেসিপিতে পুডিং তৈরি করা হয়। এমনকি এটি জনপ্রিয় একটি ডেজার্ট আইটেম।
রান্নায় আদা বাটা বা কুচি যোগ করলে খাবারের স্বাদ ও ঘ্রাণ দুটাই বেড়ে যায়। কিন্তু রান্নার প্রস্তুতির সময় আদার খোসা ছাড়ানো বেশ ঝামেলার কাজ। আদার অসমান ও খাঁজকাটা আকৃতির কারণে ছুরি বা পিলার ব্যবহার করলে অনেক সময় খোসার সঙ্গে আদার বেশ খানিকটা অংশও কেটে যায়। তবে সহজ কয়েকটি কৌশল জানা থাকলে কম পরিশ্রমে আদার খ
প্রতিদিনের রান্নায় একই ধরনের ডাল খেতে অনেকেরই একঘেয়েমি লাগে। তাই স্বাদে একটু পরিবর্তন আনতে কচুর মুখি দিয়ে তৈরি করতে পারেন মজাদার ডাল। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু কচুর মুখির ডাল তৈরিতে খুব বেশি উপকরণ লাগে না। ঝামেলা ছাড়াই রান্না করা যায়। গরম ভাতের সঙ্গে কচুর মুখির ডাল জমবে বেশ। আর খেতেও ভালো ল
বাঙালির খাবারের তালিকায় ভাত ছাড়া চলে না। দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গে ডাল, তরকারি কিংবা মাছ না থাকলে যেন খাওয়াটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
ইলিশ শুধু একটি মাছ নয়, বাঙালির আবেগের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকা এক নাম। ইলিশের ঘ্রাণে জমে ওঠে বাঙালির রান্নাঘর। ভাজা ইলিশ, সর্ষে ইলিশ কিংবা ইলিশের ঝোল পাতে ইলিশ থাকলে বাড়তি আনন্দ যেন এমনিতেই চলে আসে। তবে স্বাদের পাশাপাশি ইলিশের পুষ্টিগুণ নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা।
সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, পেশি গঠন কিংবা দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ধরে রাখতে প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের পেশি, হাড়, ত্বক ও বিভিন্ন কোষের গঠন ও মেরামতের সঙ্গে প্রোটিনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ভালো মানের প্রোটিন রাখা জরুরি।
খাসির মাংস অনেকেরই প্রিয় খাবার। এর স্বাদ ও গন্ধে আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। তবে বিভিন্ন পদে খাসির মাংসের ভিন্ন ভিন্ন অংশ ব্যবহার করা হয়। তাই বাজারে গিয়ে শুধু মাংসের পরিমাণ নয়, কোন পদ রান্না করবেন তার ওপর ভিত্তি করে সঠিক অংশ বেছে নেওয়াও জরুরি। এতে রান্নার স্বাদ যেমন ভালো হয়, তেমনি মাংসের কাঙ্ক্ষিত নরমভাবও প
আলু ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর যেন কল্পনাই করা যায় না। তরকারি থেকে বিরিয়ানি, আলুর দম থেকে চপ, অসংখ্য পদের স্বাদ ও গড়ন ঠিক রাখতে আলুর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাজারে গিয়ে আলু কিনতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন।