ইলিশের জালে উঠে এলো বিশাল এক পাঙ্গাস, ১৮ হাজারে বিক্রি
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৫ কেজি ওজনের এক পাঙ্গাস মাছ। মাছটি বন্দরে নিয়ে এলে দেখার জন্য ভিড় করেন অনেকেই।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৫ কেজি ওজনের এক পাঙ্গাস মাছ। মাছটি বন্দরে নিয়ে এলে দেখার জন্য ভিড় করেন অনেকেই।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ১ কেজি ৯৬০ গ্রাম ওজনের এক ইলিশ। মাসুম বিল্লাহ নামে এক জেলে মাছটি ৬ হাজার টাকায় কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে বিক্রি করেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আরও এক জেলের জালে ধরা পড়লো এককেজি ৮৮০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। মাছটি পাঁচ হাজার ৮৭৫ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক কেজি ৮২০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ছয় হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। রোববার (১৭ আগস্ট) সকালে পায়রা নদীতে স্থানীয় জেলে নীরব হাওলাদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে তিনি এটি উপজেলার সুবিদখালী বাজারের মৎস্য আড়তে নিয়ে যান।
দুদিনের মাথায় ফের কুয়াকাটায় মিললো বড় ইলিশ। পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গঙ্গামতি এলাকায় নাসির মাঝি নামের এক জেলের জালে ধরা পড়ে এটি। যার ওজন ১ কেজি ৭০০ গ্রাম। এটি বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার টাকায়।
'আমরা যদি সকালে ৫০ কেজি মাছ কিনি তাহলে ৪০ কেজি কিনি কাটা মাছ আর ১০ কেজি কিনি ভালো মাছ। এখন ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ১৫০০ টাকার ওপর, ৫০০ গ্রামের ইলিশ ১২০০ টাকার ওপর। এগুলো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই সমুদ্র থেকে জেলেদের নিয়ে আসা অর্ধ-কাটা মাছগুলোতেই মধ্যবিত্তদের চাহিদা বেশি।'
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সুনু গাজী নামের এক জেলের জালে ধরা পড়েছে এককেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। পরে মাছটি পাঁচ হাজার ৬২৫ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।
বঙ্গোপসাগরে নিষিদ্ধ ট্রলিং বোটের মাধ্যমে নির্বিচারে নিধন হচ্ছে ইলিশসহ সামুদ্রিক ৩৭৫ প্রজাতির মাছ। মাছের ভবিষ্যৎ রক্ষায় পটুয়াখালীতে স্বেচ্ছায় অবৈধ ট্রলিংবোটের সরঞ্জামাদি অপসারণে জেলেদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পটুয়াখালীতে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমুদ্রে ৫৮ দিনের ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ১১ জুন। এরপর থেকে সাগরে ইলিশ ধরছেন জেলেরা। ইলিশও ধরা পড়ছে বেশ। তবে বৈরী আবহাওয়ায় টিকতে না পেরে জেলেরা কূলে ফিরে আসতে শুরু করেছেন।
মৎস্য২০২৫ সালের ২৭ জুলাই পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় প্রায় এক হাজার জেলে অবৈধ ট্রলিং ট্রলার ও ছোট ফাঁসের বেহুন্দি জাল বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেন। তাঁদের অভিযোগ, এসব জালে মাছের রেণু ও ডিমওয়ালা মা মাছ ধরা পড়ায় সাগরে ইলিশসহ মাছ কমছে; প্রশাসনের কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
একমাস যাবৎ ট্রলারে রান্না করে খাই। সাগরে নামবো নামবো করে বাড়িতেও যেতে পারি না। আবার আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় সাগরেও নামতে পারি না। ২০ জন জেলে প্রতিদিন বাজার করে খাওয়া, বরফ নিয়ে অপেক্ষা করতে করতে নষ্ট করে ফেলা, এভাবেই কাটছে আমাদের জীবন।
দীর্ঘদিন পর বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই সাগরে নেমেছেন জেলেরা। তবে হতাশ হতে হয়নি তাদের। এক ট্রলারে ৬৫ মণ ইলিশ মাছ নিয়ে ফিরেছেন ঘাটে। বিক্রি হয়েছে ৩৮ লাখ টাকায়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বাজারে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৯০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম ইলিশের কেজি দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা।