বোরো উৎপাদন বাড়াতে ১৭০ কোটি টাকার প্রণোদনা
বোরোর আবাদ ও উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রায় ১৭০ কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাচ্ছেন সারাদেশের ২৭ লাখ কৃষক।
বোরোর আবাদ ও উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রায় ১৭০ কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাচ্ছেন সারাদেশের ২৭ লাখ কৃষক।
গত আমন মৌসুমটা ভালো কাটেনি কৃষকদের। বাড়তি দাম দিয়েও কোনো কোনো জেলায় চাহিদামতো মেলেনি সার। পরিবেশকদের কাছে রীতিমতো ধরনা দিতে হয়েছে। তারপরও যে পরিমাণ সার পেয়েছেন, তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। যার প্রভাব পড়ে উৎপাদনেও। তবে চলতি বোরো মৌসুমে সে শঙ্কা নেই। দেশে এখন পর্যাপ্ত ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে বলে জানিয়ে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আড়তগুলোতে বেড়েছে নতুন ধানের আমদানি। তবে বাজারে ক্রেতার সংকট বলে জানিয়েছেন ধান বিক্রি করতে আসা ব্যবসায়ীরা।
জয়পুরহাটের জামালপুরের চাষি আজহার মিয়া। প্রতি বছর শীতে বাড়ির পাশের প্রায় দেড় বিঘা জমিতে ফুলকপি আর মুলা চাষ করতেন। এ বছর সেখানে লাগিয়েছেন ভুট্টা। কারণ গত বছর সবজির ভালো দাম পাননি তিনি।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পাঁচগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাগানে মাল্টা, পেয়ারা, কুল, কদবেল, জাম্বুরা, লেবু, পেঁপে, দার্জিলিং কমলার পাশাপাশি চায়না কমলা চাষ হচ্ছে। চায়না কমলা চাষে বছরে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন চাষি দেলোয়ার হোসেন।
অনাবৃষ্টিতে এবার আমন ধান রোপণে বেশ দেরি হয়েছিল খুলনা জেলার কৃষকদের। যা চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল তাদের। কিন্তু দেরিতে রোপণ করা হলেও আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ৫-৭ দিনের মধ্যেই ঘরে উঠবে সোনালি ধান। বাম্পার ফলনে খুশির ঝিলিক বয়ে চলেছে খুলনার নদীভাঙন কবলিত দাকোপ উপজেলার কৃষকদের মুখে। প্রস্তুত হচ্ছেন ধান ঘরে তো
পাবনার ঈশ্বরদীতে সোনালী ধানের শীষ দোল খাচ্ছে বাতাসে। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের চোখে মুখে ফুটে উঠেছিল হাসির ঝিলিক। কিন্তু ধানের বাজারদর কম হওয়ায় সেই হাসি মুখ এখন মলিন। ধানের উৎপাদন খরচ হিসাব করে কৃষক লাভবান হতে পারছে না।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কালের বিবর্তনে চাষ কমেছে কালোজিরা ধানের। হাইব্রিড ধানের প্রভাবে আগের মতো এ ধান চাষ করেন না কৃষকরা। অথচ একসময় উপজেলার কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল কালোজিরা ধান। গ্রামীণ জীবনে ধানটি ছিল অপরিহার্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে এ ধানের জায়গা দখল করে নিয়েছে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের ধান।
মো. রেজোয়ান হোসেন
** জীবনকাল ১২৭ দিন** হেক্টরপ্রতি ফলন ৭ টন** খাদ্য সংকট মেটাতে বাড়ছে আবাদ
বন্যার ক্ষত কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সুনামগঞ্জের কৃষকরা। এবার আমনের বাম্পার ফলন দেখে খুশি হাওর পাড়ের কৃষকরা।
চলতি আমন মৌসুমে 'কৃষকের অ্যাপ'র মাধ্যমে ধান কিনবে সরকার। এজন্য মাঠপর্যায়ে খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ১৩ নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর।
কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে আমন ধান। বুক ভরা আশা নিয়ে কৃষক ধান কাটা শুরু করলেও দাম নিয়ে তারা নিরাশ হচ্ছেন। চাষিরা বলছেন, এবার সার সংকট ও বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন কম হচ্ছে। এর ওপর উৎপাদন খরচ অনুযায়ী তারা দাম পাচ্ছেন না।