লালমনিরহাটে শিলাবৃষ্টিতে আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি
লালমনিরহাটে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে টিনের ঘর ও আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন জায়গায় হালকা বাতাসসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
লালমনিরহাটে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে টিনের ঘর ও আউশ ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন জায়গায় হালকা বাতাসসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে।
মাত্রাতিরিক্ত গরমে মানুষ যেমন হিটস্ট্রোক করে, তীব্র তাপদাহে ধানগাছও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেটাকে বলা হয় হিটশক বা হিট ইনজুরি। হিটশক হলে ধানের ফুল পুড়ে দানা চিটা হয়ে যায়। মূলত ধানের ফুল ফোটার সময়ই এ ধরনের ক্ষতি হয়। বর্তমানে এ ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের প্রধান ফসল বোরো।
সুনামগঞ্জের দেখার হাওরে বোরো ধান কাটা উৎসবে যোগ দিয়েছেন তিনমন্ত্রী। এ সময় তারা একসঙ্গে ধান কাটেন।
রাজশাহীর দেওপাড়া ইউনিয়নের পাম্প অপারেটরের কাছে জিম্মি অর্ধশতাধিক আদিবাসী কৃষক। দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। তবে অতিরিক্ত অর্থ দিলে মেলে পানি। সঙ্গে রয়েছে শ্রেণি বৈষম্যের অভিযোগ। বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলছে সুস্পষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাওরের মানুষের আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ বৈশাখকে ঘিরে। এ অঞ্চলে বৈশাখ মানেই বোরো ধান ঘরে তোলার সময়। তাই তো বৈশাখের প্রথম দিনে পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন হাওরের কৃষকরা।
আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। এরমধ্যে চার লাখ টন ধান, ১২ লাখ ৫০ হাজার টন সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে যাচ্ছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে এসব ক্ষেতের ধানে এ রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে ব্রি-৬৩ ধানে এ রোগ বেশি দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু ২৮ ধানের ক্ষেতেও এ রোগ দেখা দিয়েছে।
মিনিকেট নাম দিয়ে চাল বিক্রি করা যাবে না বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, মিনিকেট নাম দিয়ে মানুষকে ঠকিয়ে চাল বিক্রি ও ছাঁটাই রোধে আইনটি এরইমধ্যে কেবিনেট মিটিংয়ে (খসড়া) চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে। এখন সংসদে যাওয়ার অপেক্ষায়।
ভাটির জেলা হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলার ১৩৭টি হাওরের বোরো ধানের শীষে এখন ফুল বেরিয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। সব মিলিয়ে কৃষকরা বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখলেও ধান ঘরে তোলা নিয়ে রয়েছে দুশ্চিন্তা।
অসহনীয় গরম, খরা, অতিবৃষ্টি এবং ঝড়ের কারণে ধানে চিটা হয়। স্বাভাবিকভাবে ধানে শতকরা ১৫-২০ শতাংশ চিটা হয়। ধানের জন্য অসহনীয় তাপমাত্রা হলো ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি। ফুল ফোটার সময় ১-২ ঘণ্টা ওই তাপমাত্রা বিরাজ করলে মাত্রাতিরিক্ত চিটা হয়ে যায়।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ব্লাস্ট রোগে নষ্ট হয়েছে আগাম জাতের ব্রি-ধান ২৮। ফলে সারাবছরের খাদ্যের জোগান নিয়ে দিশেহারা কৃষক। ব্রি-ধান ২৮ জাতের ধানে এর প্রকোপ বেশি। রোগের প্রভাবে ধান চিটা হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।
হবিগঞ্জে বোরো ধানে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাওরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে ব্রি-২৮ জাতের ধান। কাটার মৌসুমে এসে দেখা যাচ্ছে কোনো ধানেই চাল নেই। আছে শুধু খোসা। চারাসহ ধানগুলো সাদা হয়ে গেছে। সব হারিয়ে এখন পরিবার পরিজন নিয়ে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে কৃষকদের।
কৃষিতে শ্রমিক স্বল্পতায় শ্রমঘন কাজগুলোতে যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ধান চাষাবাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে বীজ ছিটানো ও চারা রোপণ অন্যতম। প্রচলিত পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণে অধিক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। এসব বিবেচনায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবন করেছে সিড সোয়ার মেশিন। এরই মধ্যে