উৎপাদন বাড়লেও বিক্রি নেই, সুগন্ধি চাল নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা
সুগন্ধি চালের পথিকৃৎ দিনাজপুর জেলায় সুগন্ধি চাল বিক্রিতে ধস নেমেছে। গত আমন ও বোরো দুই মৌসুমে চাল বিক্রি করতে না পারায় শত শত মেট্রিক টন চাল পড়ে রয়েছে অবিক্রিত অবস্থায়।
সুগন্ধি চালের পথিকৃৎ দিনাজপুর জেলায় সুগন্ধি চাল বিক্রিতে ধস নেমেছে। গত আমন ও বোরো দুই মৌসুমে চাল বিক্রি করতে না পারায় শত শত মেট্রিক টন চাল পড়ে রয়েছে অবিক্রিত অবস্থায়।
সীমান্ত ঘেঁষা উপজেলা হাকিমপুর। এ উপজেলায় এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ধান কাটা উৎসব। পারিশ্রমিক ছাড়া খড়ের বিনিময়ে ধানগুলো কেটে দিচ্ছেন শ্রমিকরা। এতে করে শ্রমিক-মালিক উভয়ই খুশি। ধান কাটা শেষে আগাম জাতের আলুর জমি প্রস্তুত করবেন চাষিরা।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ধানের চারা ও মৎস্য চাষীদের মাঝে মাছ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবাররে মাঝে সার ও খাদ্যসহ মুরগী, সিমের চারাসহ বিভিন্ন সবজির বীজ বিতরণ করা হয়।
উত্তরের জেলা দিনাজপুরে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধানের চারা। এতে লোকসান পোষাতে এসব চারা কেটে বাজারে গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি করছেন কৃষকরা।
পাবনার ঈশ্বরদীতে গত সাতদিনের ব্যবধানে পদ্মায় পানি বেড়েছে ১ দশমিক ৫০ মিটার। ১৭ সেপ্টেম্বর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা পরিমাপ করা হয় ১০ দশমিক ৮৮ মিটার। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পানির উচ্চতা দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৩৮ মিটার। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপৎসীমার (১৩ দশমিক ৮০ মিটার) কাছাকাছি
মাঝে মাঝে তাপদাহে মানুষ ও প্রকৃতি অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। আবার হঠাৎ অতিবৃষ্টির শীতল স্পর্শে ধরণীকে শান্ত, শীতল ও শুদ্ধ করে। গাছপালা ধুয়ে-মুছে সবুজ প্রকৃতি যেন মন ভালো করে দেয়। এতে কৃষিকাজেও নিয়ে আসে ব্যাপক ব্যস্ততা। তাই আসুন, জেনে নিই অতিবৃষ্টিতে কৃষকের করণীয় আবশ্যকীয় কাজগুলো সম্পর্কে।
ধান উড়ানোর সময় ফ্যানের সঙ্গে পরনের শাড়ি পেঁচিয়ে মোছা. খোদেজা খাতুন (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
ধানক্ষেতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি ও ধনিচার ডাল পুঁতে রাখা হয়। পাখিরা এসবের ওপর বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। আর এই পদ্ধতিকেই 'পার্চিং পদ্ধতি' বলা হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে কম খরচে বাড়ছে ফসল উৎপাদন। এতেই জয়পুরহাটে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় জিকে প্রকল্পের প্রধান খালের পাড় ভেঙে কয়েক হাজার হেক্টর জমির আমন ধান প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বসতবাড়িতেও উঠেছে পানি। পানিতে ভেসে গেছে জাগের পাট ও পুকুরের মাছ।
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ফেনী। বন্যার পানিতে ডুবে যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, গাছপালা, ফসলি জমি। পানিবন্দি হয়ে পড়ে লাখো মানুষ। এরই মধ্যে নেমে গেছে বানের পানি। পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠেছে জেলার সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র।
দফায় দফায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবছর চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সুনামগঞ্জের কৃষকরা। চলতি বছর তিনদফা বন্যায় একদিকে যেমন ফসলের ক্ষতি হয়েছে অন্যদিকে ঘরবাড়ি বানের পানিতে ভেঙে যাওয়ায় চরম বেকায়দায় পড়েছেন হাওর পাড়ের কৃষকরা। তবে সব হারিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় মাঠে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। নতুন করে
ভোলায় অতি জোয়ার ও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে আমন ধানের রোপণ করা চারা ও বীজতলা। এতে লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
নীলফামারীর বিএডিসির ডোমার উপজেলার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদনের খামারের পতিত জমিতে উৎপাদন হয়েছে আউশ ধানের বীজ। শুধু বীজ আলু উৎপাদনের ওই খামারের ৩০০ একর জমিতে চাষ করা হয়েছে আউশ ধান। যা থেকে ৪০০ টন ভিত্তি ধান বীজ উৎপাদনের আশা করছে কর্তৃপক্ষ।