হারিয়ে যাচ্ছে জমির সবুজ সার ধৈঞ্চা
এক সময় জমির অন্যান্য ফসল ছিল ধৈঞ্চার চাষ। জমির প্রাণ ফেরাতে কৃষকরা নিয়মিত সবুজ (জৈব) সার হিসাবে ব্যবহার করতেন ধৈঞ্চা। কিন্তু কালের বিবর্তনে জমিতে হাইব্রিড ফসল আর রাসায়নিক সারের
এক সময় জমির অন্যান্য ফসল ছিল ধৈঞ্চার চাষ। জমির প্রাণ ফেরাতে কৃষকরা নিয়মিত সবুজ (জৈব) সার হিসাবে ব্যবহার করতেন ধৈঞ্চা। কিন্তু কালের বিবর্তনে জমিতে হাইব্রিড ফসল আর রাসায়নিক সারের
লাভজনক ও বৈচিত্র্যময় ফল-ফসল উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখছে জৈব সার। এক দশক আগে শুরু হওয়া ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদনের তৎপরতা এখন ছড়িয়ে গেছে বহুদূর। এর সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তারাও পেয়েছেন সাফল্যের সন্ধান।
জৈবচট্টগ্রামের পটিয়ার হাইদগাঁওয়ের সোহাফ উদ্দিন ২০১৫ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণে কেঁচো সার তৈরি শেখেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি মাসে তিন টন কেঁচো সার তৈরি করছিলেন এবং সার ও বীজের একটি প্রতিষ্ঠান দিয়েছিলেন।
জৈবসিঙ্গাপুরফেরত এমদাদুল হক ব্যবসায় সব হারিয়ে ২০১৪ সালে দুটি মাটির চাড়িতে কেঁচো সার তৈরি শুরু করেন; ২০১৬ সালে দোহারে তিনি তিনটি হাউসে সার তৈরি করে গ্রামের কৃষকদের কাছে বিক্রি করছিলেন।