দুধ দিয়ে ডিম ভুনা করবেন যেভাবে
গরম ভাতের সঙ্গে ঝালঝাল ডিম ভুনার খেতে অনেকেই পছন্দ করে। ব্যস্ত দিনে কম সময়ে পেট ভরানো আর মুখরোচক কিছু খেতে চাইলে ডিম ভুনার জুড়ি নেই। কম সময়ে তৈরি করা যায় বলে প্রতিদিনের রান্নাতেও এই পদ বেশ জনপ্রিয়।
গরম ভাতের সঙ্গে ঝালঝাল ডিম ভুনার খেতে অনেকেই পছন্দ করে। ব্যস্ত দিনে কম সময়ে পেট ভরানো আর মুখরোচক কিছু খেতে চাইলে ডিম ভুনার জুড়ি নেই। কম সময়ে তৈরি করা যায় বলে প্রতিদিনের রান্নাতেও এই পদ বেশ জনপ্রিয়।
আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল
সুজি দিয়ে মিষ্টি থেকে নাশতার নানা ধরনের পদ তৈরি করা যায়। সহজে রান্না করা যায় বলে ঘরোয়া রান্নায় সুজির ব্যবহারও বেশ জনপ্রিয়। তবে চেনা সুজির হালুয়া বা পায়েসের বাইরে এবার একটু ভিন্ন স্বাদের মিষ্টি তৈরি করতে চাইলে সুজির অরেঞ্জ লাড্ডু তৈরি করতে পারেন।
জালি কাবাব তো অনেক খেয়েছেন। মাংসের জালি কাবাব খেয়ে থাকলেও ইলিশ মাছ দিয়ে তৈরি জালি কাবাবের স্বাদ নিয়েছেন কখনো? বাঙালির প্রিয় ইলিশকে একটু ভিন্নভাবে পরিবেশন করতে চাইলে এই পদটি হতে পারে দারুণ একটি আয়োজন।
গরম ভাতে পেঁপে দিয়ে দেশি বাচ্চা মুরগির পাতলা ঝোল মানেই তৃপ্তিদায়ক খাবার। জ্বর-জারি, পেটের গোলযোগ কিংবা দীর্ঘ অসুস্থতার পর মুখে যখন অরুচি আসে, তখন এই হালকা অথচ পুষ্টিকর ঝোলের কোনো বিকল্প হয় না। ঘরোয়া এই খাবারটি শুধু স্বাদে ও তৃপ্তিতে অনন্য নয়, বরং পুষ্টিগুণের দিক থেকেও বেশ উপকারী।
রুই মাছ বাঙালির রান্নাঘরের চেনা ও প্রিয় একটি মাছ। মাছ ভুনা কিংবা সবজি দিয়ে রুই রান্না করাই বেশি প্রচলিত। তবে একই স্বাদের রান্নায় একটু ভিন্নতা আনতে চাইলে লেবুপাতা ও সরিষা দিয়ে তৈরি করতে পারেন।
বর্ষা শেষে বাজারে উঠতে শুরু করে পাকা তাল। তাল দিয়ে তালের বড়া থেকে শুরু করে নানা রকম মিষ্টি তৈরি হলেও তালের পাটিসাপটা হতে পারে একটু অন্যরকম আয়োজন। নরম পাটিসাপটার সঙ্গে তালের হালকা মিষ্টি স্বাদ আর নারিকেলের পুর সব মিলিয়ে তৈরি হয় দারুণ সুস্বাদু একটি পিঠা। বাড়িতে সহজেই কীভাবে তালের পাটিসাপটা বানাবেন, রই
প্রাচীনকাল থেকে বিকেলের নাস্তায়, বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়নে পুডিং বড় একটি জায়গা দখল করে আছে। ডিম-দুধ-চিনির মিশ্রণে তৈরি এই পুডিং পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন। বিভিন্ন দেশে প্রায় একই রেসিপিতে পুডিং তৈরি করা হয়। এমনকি এটি জনপ্রিয় একটি ডেজার্ট আইটেম।
প্রতিদিনের রান্নায় একই ধরনের ডাল খেতে অনেকেরই একঘেয়েমি লাগে। তাই স্বাদে একটু পরিবর্তন আনতে কচুর মুখি দিয়ে তৈরি করতে পারেন মজাদার ডাল। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও সুস্বাদু কচুর মুখির ডাল তৈরিতে খুব বেশি উপকরণ লাগে না। ঝামেলা ছাড়াই রান্না করা যায়। গরম ভাতের সঙ্গে কচুর মুখির ডাল জমবে বেশ। আর খেতেও ভালো ল
খিচুড়ি কিংবা ভাতের সঙ্গে আচার খেতে বাঙালির আলাদা ভালো লাগা আছে। জলপাই, কাঁচা মরিচ, আমের নানা ধরনের আচারের স্বাদ তো কমবেশি সবাই চেখেছেন। তবে চিংড়ি মাছ দিয়ে তৈরি ঝাল ঝাল আচার খেয়েছেন কি? স্বাদে একটু ভিন্ন, কিন্তু ভাত কিংবা খিচুড়ির সঙ্গে দারুণ জমে যায় এই চিংড়ির আচার।
বাঙালির আতিথেয়তা আর পিঠাপুলির ঐতিহ্য যেন একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অতিথির সামনে সাজানো নানা রকম পিঠাবাঙালির খাবারের সংস্কৃতিতে এর আবেদন বরাবরই আলাদা। আর নকশি পিঠা হলে তো কথাই নেই! স্বাদের পাশাপাশি এর সৌন্দর্যও মন কেড়ে নেয়।
ব্রিটিশ আমলে গোয়ালন্দ ঘাট ছিল পূর্ব বাংলা থেকে কলকাতাগামী যাত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাপথ। পদ্মা পার হওয়ার এই পথে স্টিমারের রান্নাঘরে তৈরি হতো ছোট চিংড়ি দিয়ে মুরগির ঝোল। অল্প মসলায় তৈরি এই পদটি এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে পরে এটি 'গোয়ালন্দ স্টিমার কারি' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।
রান্না নিয়ে অনেকেই ভাবেন, প্রতিদিন ডাল-তরকারি খেতে কারও ভালো লাগে না। তাই মাঝে মাঝে ভর্তা-ভাজি খেতে ইচ্ছা করে। বাঙালির পছন্দের খাবারের তালিকায় ভর্তার আলাদা জায়গা রয়েছে। এক প্লেট গরম ভাতের সঙ্গে ভর্তা থাকলেই অনায়াসে খাওয়া হয়ে যায়।স্বাদে একটু ভিন্নতা আনতে বরবটি ও চিংড়ি দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন সুস্বাদু