রুইজাতীয় মাছের সঙ্গে পাবদা ও গুলশার মিশ্র চাষ
রুইজাতীয় মাছের সঙ্গে পাবদা ও গুলশার মিশ্র চাষ সহজ এবং সুবিধাজনক। বেকারত্ব দূর করতে কম খরচে অত্যাধিক লাভজনক এই মাছ চাষ সম্পর্কে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার
রুইজাতীয় মাছের সঙ্গে পাবদা ও গুলশার মিশ্র চাষ সহজ এবং সুবিধাজনক। বেকারত্ব দূর করতে কম খরচে অত্যাধিক লাভজনক এই মাছ চাষ সম্পর্কে জাগো নিউজকে জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার
মৎস্যআরগুলাস নামের বহিঃপরজীবী মাছের গায়ে আটকে দেহরস শুষে নেয়, ক্ষত ও রক্তক্ষরণ ঘটায়। বেশি ঘনত্বের পুকুরে রুই মাছ এতে বেশি আক্রান্ত হয়; নতুন মাছ আলাদা রেখে ছাড়া ও নিয়মিত পরীক্ষাই প্রতিরোধের মূল উপায়।
আমাদের দেশে সুস্বাদু মাছের মধ্যে পাবদা অন্যতম। স্বাদের জন্য এটি ভীষণ জনপ্রিয়। বর্তমানে আমাদের দেশে প্রাকৃতিক জলাশয়ে পাবদা মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। তবে আধুনিক পদ্ধতিতে এ মাছ হচ্ছ
মৎস্যহ্যাচারির ডিম ও পোনা কেন সহজে রোগে আক্রান্ত হয়, ছত্রাক, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী কীভাবে ঠেকাবেন এবং কোন চিকিৎসা কর্তৃপক্ষ অনুমোদন করে, জেনে নিন এক নজরে।
মৎস্যপুকুর ও দিঘির মতো বদ্ধ জলাশয়ে চাষ করা মাছ প্রায়ই ক্ষত রোগ, পেট ফোলা, পাখনা ও লেজ পচা, উকুন এবং পুষ্টির ঘাটতিতে ভোগে। এফএও ও দেশের গবেষণার ভিত্তিতে এসব রোগের লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধের উপায়।
শোল মাছকে আমরা ‘রাক্ষুসে মাছ’ বলে থাকি। শোল মাছ বাজারের দামি মাছ। এই মাছ দামি হলেও চাষে খরচ খুবই কম। শোল মাছ সব ধরনের দুর্যোগ বা প্রতিকূল পরিস্থিতি সহ্য করতে পারে। মা শোল মাছই নিজে
মৎস্যধানখেত ও নালার ছোট্ট জেব্রা ফিশ আহত হৃদযন্ত্রে নতুন পেশি গড়ে তোলে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত পুনের আগরকর রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষণা দেখিয়েছে, এতে সিসিএন২এ জিনের ভূমিকা কী; এটি মাছের ওপর গবেষণা, মানুষের চিকিৎসা নয়।
শীত এলে মাছ চাষিরা খামারের মাছ নিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। ঠান্ডায় মাছ খাদ্য গ্রহণ অনেকটা কমিয়ে দেয়। এর প্রভাবে অতিরিক্ত খাদ্য পচে গিয়ে পুকুরে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বৃদ্ধি পায়
গ্যালারিশীতকালে খাল-বিলের পানি কমে যাওয়ায় গ্রাম-গঞ্জে বেশ ঘটা করে মাছ ধরতে দেখা যায়। বিবিসি প্রবাহ টিভি অনুষ্ঠানের জন্য আপনাদের কাছে এমন ছবি চাওয়া হয়েছিল। বাছাই করা কিছু ছবি নিয়ে আমা
যশোরের শার্শা উপজেলায় তিন বন্ধু মিলে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশীয় শিং মাছের চাষ করছেন। যদিও তাদের মৎস্য অধিদপ্তর থেকে কোনো প্রশিক্ষণ নেই। তারপরও তাদের এই মাছ চাষ দেখে এলাকায়
বাংলা মাছ’ বলে একটি শব্দ চলমান রয়েছে। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা অর্থাৎ মাছ চাষি, মাছ খামারি, মাছ ব্যবসায়ী ও মাছ বিপণনকর্মীদের মধ্যে এ বাংলা মাছ অধিক প্রচলিত।এ দেশি প্রজাতির মাছেদের বাংলা
দীর্ঘ ২২ দিন ইলিশ শিকার, পরিবহন ও বিক্রি বন্ধ থাকায় ভারতে অনুমোদনকৃত ইলিশ রপ্তানি করা যায়নি। এজন্য ভারতে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা আগামি ৫ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে বাণিজ্য
নিষেধাজ্ঞা শেষে স্বাভাবিক নিয়মে ইলিশ আহরণ করছেন জেলেরা। তাই দক্ষিনাঞ্চলের মোকামগুলোতে ইলিশ আসতে শুরু করেছে।