কৃষকের তরমুজের দাম নির্ধারণ করেন পাইকারি আড়তদার
এ বছর ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু সেই তরমুজ বিক্রি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। চাষি থেকে সর্বোচ্চ ৬০-১৮০ টাকায় তরমুজ কিনে হাতবদলে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫৫০ টাকায়।
এ বছর ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু সেই তরমুজ বিক্রি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। চাষি থেকে সর্বোচ্চ ৬০-১৮০ টাকায় তরমুজ কিনে হাতবদলে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০-৫৫০ টাকায়।
ফলচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের চার ইউনিয়নের চরে ২০২৫ সালের মৌসুমে প্রায় ১২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৪৫ একর। উপজেলা কৃষি অফিস ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ফলনের আশা করছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় শত কোটি টাকা।
ফসলচাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বছরে প্রায় ৭০ কোটি টাকার স্ট্রবেরি উৎপাদন হয় বলে ২০২৫ সালের মার্চে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। আম বাগান কেটে স্ট্রবেরিতে ঝুঁকছেন চাষিরা, তবে স্থানীয় বাজার না থাকায় ফল পাঠাতে হচ্ছে ঢাকাসহ অন্য জেলায়।
ফরিদপুরের সদরপুরে লালমির বাম্পার ফলন হয়েছে। রমজান মাস উপলক্ষে চাষিরা লালমির দামও পাচ্ছেন বেশ ভালাে। বাম্পার ফলন আর ভালাে দাম পেয়ে চাষিদের মুখে ফুটেছে খুশির হাসি। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার উৎপাদিত লালমি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
কৃষকের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর মাঠ থেকে বাজারে যায় তরমুজ। কিন্তু হাত ঘুরলেই বেড়ে যায় তরমুজের দাম। ১৫০ টাকার তরমুজ বাজারে বিক্রি হয় ৬০০ টাকা। মৌসুমের প্রথম ফসল হিসেবে বাজারে এলেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন কৃষক। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, খুচরা বিক্রেতারাই দাম বাড়ান, যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত
টমেটো চাষে বাম্পার ফলন হলেও লাভের মুখ দেখেননি চাষিরা। গরম শুরু হওয়ায় গাছ শুকিয়ে টমেটো পচতে শুরু করেছে। বাধ্য হয়ে চাষিরা ময়লার ভাগাড়ে ফেলে দিয়েছেন টমেটো। খুলনা জেলার কৃষিনির্ভর তেরোখাদা উপজেলা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
লালমনিরহাটে ধরলা নদীর তীরে পতিত জায়গায় মিষ্টি কুমড়া চাষ করে বাড়তি আয় করছেন কৃষকেরা। এমন ফলনে পরিবারের চাহিদা মেটাতে পেরে খুশি তারা। সেখানে মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলন হয়েছে। প্রতিটি গাছে পাঁচ থেকে আটটি কুমড়া ধরেছে। কৃষি অফিস থেকে তাদের বিনা মূল্যে বীজ দেওয়া হয়।
চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের আশাবাদী মানিকগঞ্জের কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে কৃষকদের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় স্বল্প খরচে যথাসময়ে কৃষকরা এবার ভুট্টার বাম্পার ফলন পাবেন বলে আশা করছেন।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ে চাষ হয়েছে থাই সফেদা। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. ওমর শরীফ তার বাগানে এ ফলের চাষ করেছেন। গত ৩ বছর ধরে গাছে ফল আসছে। এবার তিনি বাজারে বিক্রিও করেছেন। ভিনদেশি সফেদা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিনি। চারা লাগানোর ৩ বছরের মাথায় গাছে ধরেছে সফেদা। উঁচু-নিচু পাহাড়ের গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছ
মাঠজুড়ে তরমুজের সমারোহ। কৃষকের তিন মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর মাঠ থেকে বাজারে যাচ্ছে বরগুনার তরমুজ। এ বছর বাম্পার ফলনে কৃষক লাভের স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবতা দেখাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। হাত ঘুরলেই বেড়ে যাচ্ছে তরমুজের দাম। চার হাত ঘুরে ১৫০ টাকার তরমুজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। এতে মৌসুমের প্রথম ফস
ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে এ বছরও তরমুজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় উৎপাদন খরচও কিছুটা কমেছে। ক্ষেতগুলোতে তরমুজের সমারোহে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। তাই তরমুজ বিক্রি করে বেশি লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। তবে কৃষকদের দাবি, চরাঞ্চলেই
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় সূর্যমুখী তেল চাষের পরিধি বেড়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। সূর্যমুখী চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক মো. মহিউদ্দিন। সাহেরখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মঘাদিয়া গ্রামের আমতলী এলাকায় ৩২ শতক জমিতে তিনি সূর্যমুখী তেলের চাষ করেছেন।
সয়াল্যান্ড খ্যাত মেঘনা উপকূলীয় লক্ষ্মীপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরে এখন সয়াবিনের সবুজ পাতায় কৃষকের সোনালি স্বপ্ন দোল খাচ্ছে। ক্ষেতে পাতা, ফুল আর থোকায়-থোকায় সয়াবিনে সবুজের সমারোহ। আর এক-দেড় মাসের মধ্যে ঘরে উঠবে তাদের কাঙ্ক্ষিত সোনার ফসল। এ নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞের আয়োজন চলছে।