ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ, কৃষকের মুখে হাসি
নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের কৃষক বেলাল আমিনের প্রায় ৭০ শতাংশ পাকা বোরো ধান কেটে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে অর্থের কারণে শ্রমিক সংকটে থাকা কৃষক বেলালের মুখে হাসি ফুটেছে।
নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের কৃষক বেলাল আমিনের প্রায় ৭০ শতাংশ পাকা বোরো ধান কেটে দিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে অর্থের কারণে শ্রমিক সংকটে থাকা কৃষক বেলালের মুখে হাসি ফুটেছে।
কিশোরগঞ্জে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়া শুরু করেছে ছাত্রলীগ। বুধবার (২৬ এপ্রিল) জেলা শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফর রহমান নয়নের নেতৃত্বে সদর উপজেলার মারিয়া এলাকার কৃষক মতি মিয়া, শাহজাহান ও জয়নালের ছয় বিঘা জমির ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এবছরও সারাদেশে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে ফলন ভালো হলেও তীব্র গরম, শ্রমিক ও আর্থিক সংকট, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কায় ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক কৃষক।
চলতি বোরো মৌসুমে ক্ষেত থেকে ধান কেটে কৃষকের ঘরে নিরাপদে পৌঁছে দিতে তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র ও যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
মাত্রাতিরিক্ত গরমে মানুষ যেমন হিটস্ট্রোক করে, তীব্র তাপদাহে ধানগাছও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেটাকে বলা হয় হিটশক বা হিট ইনজুরি। হিটশক হলে ধানের ফুল পুড়ে দানা চিটা হয়ে যায়। মূলত ধানের ফুল ফোটার সময়ই এ ধরনের ক্ষতি হয়। বর্তমানে এ ঝুঁকিতে রয়েছে দেশের প্রধান ফসল বোরো।
হাওরের মানুষের আনন্দ-বেদনা, সুখ-দুঃখ বৈশাখকে ঘিরে। এ অঞ্চলে বৈশাখ মানেই বোরো ধান ঘরে তোলার সময়। তাই তো বৈশাখের প্রথম দিনে পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন হাওরের কৃষকরা।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ব্লাস্ট রোগে নষ্ট হয়েছে আগাম জাতের ব্রি-ধান ২৮। ফলে সারাবছরের খাদ্যের জোগান নিয়ে দিশেহারা কৃষক। ব্রি-ধান ২৮ জাতের ধানে এর প্রকোপ বেশি। রোগের প্রভাবে ধান চিটা হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ধানক্ষেত দেখতে গিয়ে সাপের কামড়ে আয়নাল হক (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
বর্তমানে সারাদেশে ধান গাছ সর্বোচ্চ কুশি ও ঘোড় অবস্থায় রয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়, বৃষ্টি ও পরবর্তী অবস্থায় তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধানে মাজরা পোকা, বাদামি গাছফড়িং, পাতা মোড়ানো পোকা ও গান্ধি পোকার প্রাদুর্ভাব বাড়তে পারে। সেজন্য চাষিদের ধানের পোকামাকড় দমনে করণীয় জানিয়েছে বাংলাদে
ধানের ব্লাস্ট একটি ছত্রাকজনিত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ। বোরো ও আমন মৌসুমে সাধারণত ব্লাস্ট রোগ হয়ে থাকে। অনুকূল আবহাওয়ায় এ রোগের আক্রমণে ফলন শতভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
মৌলভীবাজারে পাঁচ মাস ধরে বৃষ্টিপাত নেই। নীদ-নালা ও হাওর শুকিয়ে গেছে, কোথাও নেই পানি। গত বুধবার (১৫ মার্চ) সামান্য বৃষ্টি হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে পানির অভাবে বোরো ধানের জমি ফেটে চৌচির হয়ে আছে। পুড়ে যাচ্ছে ধানের পাতা।
দেশের কোন কোন জেলায় বুধবার (১৫ মার্চ) থেকে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাতের প্রবল শঙ্কা রয়েছে, তা জানিয়েছে বাংলাদেশে ধান গবেষণা ইনিস্টিউট (ব্রি)।
আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ৫৭ কোটি ২৫ লাখ টাকার প্রণোদনা দেবে সরকার। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ১০ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবেন। মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ‌্য জানানো হয়।