পোল্ট্রির দাম একদিনে কেজিতে কমল ৪০ টাকা
ঈদের আগে অস্বাভাবিক দাম বাড়া পোলট্রি মুরগির দাম ঈদের পরদিন কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ঈদের আগের দিন ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পোলট্রি এখন রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ঈদের আগে অস্বাভাবিক দাম বাড়া পোলট্রি মুরগির দাম ঈদের পরদিন কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ঈদের আগের দিন ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া পোলট্রি এখন রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কয়েক দিন ধরে বাড়তে থাকা ব্রয়লার মুরগির দাম ঈদের আগের দিন আরও এক দফা বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে পোল্ট্রি মুরগির কেজি ২০০ টাকা ছুঁয়েছে। এর মাধ্যমে রোজার ভেতর পোল্ট্রি মুরগির দাম ৮২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ল। রোজার আগে পোল্ট্রি মুরগির কেজি ১১০ টাকায় নেমেছিল।
দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোল্ট্রি সেক্টর একটা বড় ভূমিকা পালন করে। ভবিষ্যতে যেন পুষ্টির অভাব না হয় সে জন্য এখনই পোল্ট্রি সেক্টরে নজর দেয়া উচিত সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের। সরকার এসব সেক্টরে যে প্রণোদনা দিতে চেয়েছে সেটাও দেরি না করে খুব দ্রুত প্রকৃত খামারিদের মাঝে বিতরণ করা দরকার। গ্রামপর্যায়ে যেস
#ব্রয়লার মুরগির খামারে এখন আর মুরগি নেই#প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির মাঠ পর্যায়ে নিদর্শন নেই #খামারিরা জানেন না কিভাবে পাবেন প্রণোদনার টাকা
লকডাউনের এক মাস পার হলেও পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা এখনও লোকসান দিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও খামারে এর দাম অর্ধেক। খামারে প্রতি কেজি মুরগি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খামারের চেয়ে দ্বিগুণ দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ঢাকায়।
করোনার প্রভাবে গাজীপুরে পোল্ট্রি শিল্পে চরম সংকট তৈরি হয়েছে। উৎপাদিত ডিম ও মাংসের উৎপাদন খরচ না ওঠায় প্রায় মাসখানেক ধরে লোকসান গুনছেন খামারিরা। কয়েক দিনেই ক্ষুদ্র খামারিরা সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে। এমনকি তারা পাশে পাচ্ছেন না কাউকে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় এমন হাহাকারের চিত্র দেখা গেছে।
ইংরেজিতে বলা হয় 'মাদার নেচার', যা সহজ বাংলায় 'প্রকৃতি মা'। মা যেমন সন্তানকে সব বিপদ থেকে আগলে রাখার চেষ্টা করেন; তেমনি প্রকৃতিও তার সন্তানের জন্য প্রকৃতির মধ্যেই সমাধান রেখে দিয়েছে। সেটি বোঝা যায় একটি প্রবাদ বাক্যে, 'খাদ্যই ওষুধ আবার ওষুধই খাদ্য'। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ডা. মো. ইব্রাহিম খলিল-
ব্রয়লার মুরগি নিয়ে বিপদে পড়েছেন পোল্টি ফার্মের মালিকরা। মুরগি বিক্রি করার সময় হয়েছে কিন্তু পাইকার বা ক্রেতা পাচ্ছেন না তারা। আগে ছোট খামারিরা খামার থেকে খুচরা কিছু মুরগি বিক্রি করতেন। এখন খুচরা ক্রেতাও নেই। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও গুজবের কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলছেন খামারিরা।
উন্নত জাতের মুরগি পালন যুবকদের বেকারত্ব ঘোচাতে সহায়ক বলে মনে করেন অনেকেই। কারণ উন্নত জাতের একটি মুরগি ছয় মাস বয়সে ডিম দেওয়া শুরু করে। বছরে ২০০ থেকে ২৫০ ডিম দিয়ে থাকে। অন্যদিকে
শিরিনা প্রায় আট-দশ বছর আগে পোল্ট্রি মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলেন। এতে লাভের মুখ যেমন দেখছেন, পাশাপাশি লোকসানের পরিমাণও কম নয়। তার পোল্ট্রিতে এখনো লেয়ার, ব্রয়লার, টাইগার, টার্কিসহ নানা জাতের মুরগি রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইছউল আলম মন্ডল বলেন, 'সুস্থ-সবল জাতি গঠনে প্রাণিজ আমিষের ভূমিকা অপরিসীম। যার একটি বড় অংশ আসে পোল্ট্রি খাত থেকে। তাই পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নে প্রশিক্ষিত জনশক্তি দরকার। এ খাতকে এগিয়ে নিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।'
ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষে সাফল্যের পর চাঁদপুরের পুরান বাজারের সোহেল মিয়াজী এবার টার্কি মুরগি পালন করে সাফল্য পেতে শুরু করেছেন। তিনি নিজ বাড়ির আঙিনার পতিত জমিতে টার্কি মুরগির খামার গড়ে তুলেছেন।
প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে পোল্ট্রির পাশাপাশি টার্কি মুরগি বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। তাই রাজধানীর বাড্ডায় নিজেদের প্রচেষ্টায় শুরু হয় একটি খামার। এখানে টার্কি, তিতির, উটপাখি ও কোয়েল পাখি পালন করা হয়।