আম পাড়তে নিষেধ করায় শ্রেণিকক্ষে ঢুকে শিক্ষককে মারধর
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় আম পাড়তে নিষেধ করায় জানে আলম (৩৮) নামের এক শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় আম পাড়তে নিষেধ করায় জানে আলম (৩৮) নামের এক শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করেছে দুর্বৃত্তরা।
পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে প্রতিবছর গ্রীষ্ম ঋতুতে মৌসুমী ফলের ভালো ফলন হয়। ঠিক তেমনি এবছরও পার্বত্য এ জেলায় মৌসুমী ফল লিচুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। জেলার নানিয়ারচর, বরকল, বিলাইছড়ি, কাপ্তাইসহ বিভিন্ন উপজেলায় চাষ হয় মৌসুমী এ ফল। রাঙ্গামাটির লিচু রসালো ও মিষ্টি হওয়ায় এর চাহিদা রয়েছে জেলাশহরসহ চট্টগ্রাম, ঢাকা
দেশের সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে। কয়েকদিন থেকে এই বাজারে আম বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে এখনো তা অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম। বাজারে এখন প্রকারভেদে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ দরে আম বিক্রি হচ্ছে।
মেহেরপুরের হিমসাগর আমের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি রয়েছে। গত ২৫ মে শুরু হয়েছে এ জাতের আম সংগ্রহ। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ বাগান মালিকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, জেলায় এবার প্রায় ৪৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে, যার বাজার মূল্য প্রায় ১০৪ কোটি টাকা।
অবশেষে মরুর দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছালো ফলের রাজা আম। এবারের মৌসুমে পাকিস্তানি আমের প্রথম চালান পৌঁছানোয় উচ্ছ্বসিত মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বাসিন্দারা। গত বছরের তুলনায় পাকিস্তানে এবার ফলন বেশি এবং পাকিস্তানি রুপির দরপতনের কারণে আমের দাম তুলনামূলক কম থাকবে বলে আশা করছে আমিরাতি কর্তৃপক্ষ। খবর খালিজ টা
বাংলাদেশের বাজারে এখন ফলের সমারোহ। চারিদিকে নানা রকম ফলের সুবাস। গ্রামবাংলার এসব ফলে ছেয়ে গেছে শহরের অলিগলি ও বাজার। বছরের আর কোনো মাসে এত ফলের আগমন ঘটে না। তাই তো ভুল করে অনেকে জ্যৈষ্ঠ মাসকেই 'মধুমাস' বলে ফেলেন।
পাকা আমের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে অনেকেই ঠান্ডা স্মুদি তৈরি করে খান গরমে। এক গ্লাস ঠান্ডা ঠান্ডা স্মুদি মুহূর্তেই শরীর ও মনে প্রশান্তি এনে দেয়। এছাড়া এই মধুমাসে অনেকেই পাকা আমের সঙ্গে ভাত ও দুধ মেখেও খেতে পছন্দ করেন।
বাজারে এখন পাকা আম বেশ সহজলভ্য। চলছে মধুমাস। এখনই সময় তৃপ্তি করে আম, কাঁঠাল, লিচুসহ মৌসুমী ফল খাওয়ার। তবে এ মৌসুমে সব ধরনের ফলের মধ্যে আম বেশি জনপ্রিয়। এজন্যই তো একে ফলের রাজা বলা হয়।
নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা এলাকার কৃষক সামছুল ইসলাম। ধান, ভুট্টা, আলুসহ অন্য সবজি চাষ করেন। এসব ফসল উৎপাদনের পর উপার্জিত অর্থ দিয়েই চলে তার সংসার। তবে কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ভালো ফলন পাননি সামছুল। কিছু ভেবে না পেয়ে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেন হলুদ বর্ণের নত
পরিবেশ অনুকূলে থাকায় বান্দরবানে এ মৌসুমে আমের ব্যাপক ফলন হয়েছে। ফলে আমচাষিদের মনে বইছে খুশির জোয়ার। তবে যেভাবে চোখে পড়ার মতো গাছে মুকুল এসেছিল সেভাবে আমের গুটি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এছাড়া অনাবৃষ্টির কারণে গুটি হওয়ার পরও ঝরে পড়েছে অনেক আম।
চলতি বছর আম রপ্তানি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ।
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের (জিআই) আম উৎপাদনকারী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪০ জন খিরসাপাত আম চাষি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের একটি আমবাগান থেকে সাতটি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।