সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩৪°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৪০%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

কাঁঠালের ফল বা মুচি পচা রোধে করণীয়

কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। ফল পচা বা মুচি ঝরা রোগের কারণে উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায়ই কাঁঠালের উৎপাদন অনেকাংশে ব্যাহত হয়। কাঁঠালের ভালো ফলনের জন্য তাই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আসুন জেনে নিই সে সম্পর্কে—

কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। ফল পচা বা মুচি ঝরা রোগের কারণে উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায়ই কাঁঠালের উৎপাদন অনেকাংশে ব্যাহত হয়। কাঁঠালের ভালো ফলনের জন্য তাই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আসুন জেনে নিই সে সম্পর্কে—

রোগের কারণ রাইজোপাস আরটোকারপি নামক ছত্রাকের আক্রমণে এ রোগ হয়ে থাকে। এ ছত্রাক কচি ফলে (স্ত্রী পুষ্পমঞ্জরি) আক্রমণ করে। ছত্রাকের কারণে কাঁঠালের মুকুল পচা রোগটিই মুকুল ঝরার প্রধান সমস্যা। পুরুষ পুষ্পমঞ্জরি পরাগায়ন শেষে স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝরে যায়।

রোগের লক্ষণ• আক্রান্ত মুকুল প্রথমদিকে ধূসর হয়ে যায়।• পরে মুকুলের গায়ে সরু ও লম্বা সাদা ছত্রাক দেখা যায়।• সবশেষে আক্রান্ত মুকুল ছোট অবস্থাতেই মাটিতে ঝরে পড়ে।

আরও পড়ুন

লােকসানের মুখে ফরিদপুরের বাঙ্গি চাষিরাআমের গুটি ঝরা রোধে কী করবেন?

প্রতিকার• গাছের নিচে ঝরে পড়া পুরুষ ও স্ত্রী পুষ্পমঞ্জরি সংগ্রহ করে পুড়িয়ে অথবা মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। • গাছের নিচের জমি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।• মুচি আসার আগে ও পরে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার বোর্দোমিক্সার বা মেনকোজেব গ্রুপের ডায়থেন এম-৪৫ অথবা মেনকোজেব (৬৪%) আর মেটালাক্সিল (৮%) গ্রুপের রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।• টেবুকোনাজল গ্রুপের ফলিকুর নামক ছত্রাকনাশক গাছে ফুল আসার পর থেকে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করতে হবে।

সাবধানতা১. স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই ফল খাবেন না বা বিক্রি করবেন না।

করণীয়ফল সংগ্রহ করা শেষ হওয়ার পর প্রতিটি গাছের ফলের বোটা, মরা ডাল, রোগ বা পোকা আক্রান্ত পাতা ও ডাল অপসারণ করে অনুমোদিত একটি ছত্রাকনাশক ও একটি কীটনাশক স্প্রে করে দিন।

সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষি বাতায়ন।

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

নীলফামারীতে মাচায় অসময়ের রঙিন তরমুজ, তিন বিঘায় ছয় হাজার চারা

নীলফামারী সদরের কৃষক ওমর আলী অনলাইনে দেখে তিন বিঘায় বাঁশের মাচায় কিং সুগার ও সূর্য ডিম জাতের ছয় হাজার তরমুজের চারা লাগিয়েছেন; খরচ প্রায় তিন লাখ, বিক্রির আশা নয় লাখ টাকা।

দিনাজপুর টিভি১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

মাগুরায় ২৪০ গাছে কেনু কমলা, প্রথম বছরেই থোকায় থোকায় ফল

মাগুরা সদরের নার্সারি মালিক হারুনুর রশিদ কলমের চারায় ২৪০টি পাকিস্তানি কেনু জাতের কমলাগাছের বাগান করেছেন; এ বছর প্রথমবার বেশির ভাগ গাছে ফল এসেছে।

কৃষি সময়১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)