সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

৩৫৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ, ঝুঁকির মুখে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ

স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হওয়া সত্ত্বেও লাভের আশায় মানিকগঞ্জ জেলায় তামাক চাষ করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে জেলার তিনটি উপজেলায় ৩৫৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। এতে একদিকে কমছে খাদ্যশস্য উৎপাদন; অন্যদিকে ঝুঁকির মুখে পড়ছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হওয়া সত্ত্বেও লাভের আশায় মানিকগঞ্জ জেলায় তামাক চাষ করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে জেলার তিনটি উপজেলায় ৩৫৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। এতে একদিকে কমছে খাদ্যশস্য উৎপাদন; অন্যদিকে ঝুঁকির মুখে পড়ছে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর জেলায় ৩৬০ হেক্টর জমিতে তামাকের চাষ হয়েছিল। এ বছর তা কিছুটা কমে ৩৫৫ হেক্টরে নেমে এসেছে। সদর, ঘিওর ও সাটুরিয়া উপজেলায় তামাকের চাষ বেশি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক চাষে ব্যবহৃত বিষাক্ত সার ও কীটনাশক মাটি ও পরিবেশের ক্ষতি করে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের শরীরে তামাকের রাসায়নিক উপাদান শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে ফুসফুসের ক্ষতি ও ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এতে নারী ও শিশুরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

ঘিওর উপজেলার আশাপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কয়েক বছর আগেও যেখানে ধান, গম, ভুট্টাসহ নানা ফসলের আবাদ হতো; সেখানে এখন বিস্তীর্ণ জমিতে শুধু তামাকের চাষ হয়।

আশাপুর গ্রামের আবুল কাশেম জানান, তিনি তামাকের পাশাপাশি ভুট্টা ও কাঁচামরিচ চাষ করেন। তার দাবি, এ জমিতে তামাক ছাড়া অন্য ফসল ভালো হয় না। ভুট্টায় খরচ বেশি, লাভ কম। তামাকে সব খরচ বাদ দিয়েও কিছু লাভ থাকে। এ অঞ্চলের জমি মূলত এক ফসলি। বর্ষায় পানি ওঠে, কার্তিকের শেষে পানি নেমে গেলে দেরীতে চাষ শুরু করতে হয়। ভুট্টা চাষের উপযুক্ত সময় কার্তিকের প্রথম সপ্তাহ হলেও তখন জমি প্রস্তুত থাকে না। অন্যদিকে তামাক অগ্রহায়ণের শেষেও বোনা যায় এবং বিঘাপ্রতি খরচ বাদে ২০-৩০ হাজার টাকা লাভ থাকে।

তামাক চাষি সালাম মাদবর জানান, এ বছর তিনি সাত বিঘা জমিতে তামাক চাষ করেছেন। আগে তিনি মাসকলাই, খেসারি ও গম চাষ করতেন। এসব ফসলের তুলনায় তামাকে বেশি লাভ হওয়ায় এখন তামাকেই ঝুঁকেছেন। তার দাবি, খরচ বাদে ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ থাকে।

কৃষক মোহাম্মদ ফারুক মিয়া বলেন, 'এবার ৯ বিঘা জমিতে তামাক চাষ করেছি। খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ টাকা। বিক্রি হবে প্রায় ৭ লাখ টাকা। আমি জানি, তামাক চাষ ক্ষতিকর। লাভ বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে করছি।'

তামাক প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার না করায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গৃহিণী জানান, খালি হাতে ও মুখে তামাক পাতা নাড়াচাড়া করলে মাথা ঘোরে এবং বমি বমি ভাব হয়।

মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহজাহান সিরাজ বলেন, 'সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণে এ বছর তামাক চাষ কিছুটা কমেছে। উচ্চমূল্যের বিকল্প ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। উঠান বৈঠক ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হচ্ছে। আমরা চাই, কৃষকেরা তামাক থেকে সরে এসে লাভজনক ও নিরাপদ ফসল উৎপাদন করুক।'

মো. সজল আলী/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)