সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বরাদ্দ ৩০ টন চাল, বন্যার্তদের ভাগ্যে জোটেনি একমুঠোও

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বন্যাদুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ থাকলেও তা পাননি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। বানভাসিদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এক মাসের বেশি সময় ধরে গুদামেই পড়ে রয়েছে।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বন্যাদুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ বরাদ্দ থাকলেও তা পাননি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। বানভাসিদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এক মাসের বেশি সময় ধরে গুদামেই পড়ে রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, বন্যাকবলিত নয় এমন দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নামে চাল উত্তোলন করে গুদামজাত করা হয়েছে। এছাড়া বন্যার সময় ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ থাকলেও বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৩০ প্যাকেট।

অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণে জুন মাসের টিসিবি গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ দুই লাখের বেশি কেজি চালও সময়মতো উত্তোলন না হওয়ায় ফেরত গেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা।

জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাই পর্যন্ত দুই দফায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার কবলে পড়ে নাগেশ্বরী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২০ ওয়ার্ডের মানুষ।

উপজেলা ত্রাণ শাখার হিসাব অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হন দুই হাজার ৬৪০ জন মানুষ। একই সময়ে নদী ভাঙনের শিকার হন আরও শতাধিক মানুষ। বন্যা ও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় তিন হাজার মানুষের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ মেট্রিক টন জিআর চাল এবং ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২৯ জুন বরাদ্দ দেওয়ার পর ৩০ জুন এসব চাল ও শুকনো খাবার উত্তোলন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, তিন কর্মদিবসের মধ্যে চাল বিতরণ শেষ করার কথা।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বন্যার্তদের মধ্যে ৩০ মেট্রিক টন চালের কোনো অংশই বিতরণ করা হয়নি। শুধু ৩০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য বরাদ্দ করা চাল বন্যাকবলিত নয় এমন দুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসকের নামে উত্তোলন করা হয়েছে। চাল বরাদ্দ পাওয়া ইউনিয়ন দুটি হলো সন্তোষপুর ও রামখানা। এ ঘটনায় বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বন্যাকবলিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণে এবার বন্যার্তরা ত্রাণের চাল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উত্তোলন করা চাল কোথায় এবং কীভাবে রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও তারা জানেন না।

কেদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. খ. ম. ওয়াজিদুল কবীর রাশেদ বলেন, বন্যার্তদের জন্য ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ থাকলেও আমরা তা পাইনি। তবে শুনেছি ইউএনও অন্য দুই চেয়ারম্যানের নামে চাল উত্তোলন করে রেখেছেন। উত্তোলনের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এসব চাল বিতরণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে বরাদ্দ পাওয়া রায়গঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বলেন, আমার ইউনিয়ন কখনো বন্যা কবলিত হয় না। ইউএনওর নির্দেশে বন্যাকবলিতদের বরাদ্দের চাল আমার নামে ১৫ মেট্রিক টন এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের প্রশাসকের নামে ১৫ মেট্রিক টন উত্তোলন করে গুদামে রাখা হয়েছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অবহেলায় জুন মাসের টিসিবি গ্রাহকদের বরাদ্দ চালও ফেরত গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৪১ হাজার ১০২ জন টিসিবি গ্রাহকের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫১০ কেজি চাল সময়মতো উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ে ছাড়পত্রে স্বাক্ষর না করায় চাল উত্তোলন করা যায়নি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন না‌গেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ. এম. খোদাদাদ হোসেন। তিনি বলেন, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের আগেই বন্যা শেষ হয়ে যায়। চাল ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। তবে তা তুলে গুদামেই রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যা হলে এসব চাল বিতরণ করা হবে। আর বিশেষ কারণে আমার অনুপস্থিতিতে টিসিবির চাল উত্তোলনের সময় পার হয়ে যায়। তবে গ্রাহকদের অন্য পণ্য দেওয়া হয়েছে।

রোকনুজ্জামান মানু/কেএইচকে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)