সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

খর্প, কচুয়া, শালমারা ও সংলি: লালমনিরহাটের চার নদী বাস্তবে আছে, সরকারের তালিকায় নেই

হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের সীমান্ত জনপদ ঘুরে নদী গবেষক তুহিন ওয়াদুদ পেয়েছেন এমন নদী, যা পানি উন্নয়ন বোর্ড, নদী রক্ষা কমিশন বা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোনো তালিকায় নেই; কমিশনের চেয়ারম্যান ও ডিসি তালিকাভুক্ত করতে চান।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের সীমান্তবর্তী জনপদে দিনভর ঘুরে খর্প, কচুয়া, শালমারা ও সংলি নামে চারটি নদীর দেখা পেয়েছেন নদী গবেষক ও রিভারাইন পিপলের পরিচালক তুহিন ওয়াদুদ। নদীগুলো বাস্তবে আছে, স্থানীয় মানুষের স্মৃতি ও ভাওয়াইয়া গানেও আছে; কিন্তু বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোনো তালিকায় নেই।

২৬ আগস্ট ভাদ্রের তালপাকা গরমে রিভারাইন পিপলের লালমনিরহাট নদী সুরক্ষা কমিটির সমন্বয়ক মোশারফ হোসেনের মোটরসাইকেলে প্রায় আড়াই শ কিলোমিটার ঘুরে এই খোঁজ। হাতীবান্ধায় খাপড়া নদী পাওয়া যায়নি; স্থানীয় আবদুল করিমের সন্ধানে মেলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার লম্বা খানা নদী, যার তলদেশ পানির অভাবে ভরাট হচ্ছে, ৩০ বছর আগেও যেখানে পানি থাকত। খর্প নদ ভারত থেকে বাংলাদেশে ঢুকে আবার সে দেশে ফিরে গেছে; আনুমানিক দৈর্ঘ্য ১৫ কিলোমিটার, অনেকে সেখানে মাছ ধরেন।

পাটগ্রামে ধরলা সেতুর ওপর নাজমুল হকের কাছে জানা যায় টেংরামারী নদীর কথা; কদুর বাজারের পাশে সেটি দেখার পর চেনাকাটার দিকে যেতে মেলে কচুয়া নামে ছোট আরেকটি নদী। সরেজমিনে মনে হয়েছে, টেংরামারী ও কচুয়া মিলিত হয়ে নাম নিয়েছে চেনাকাটা। প্রবীণ শামসুল হকের কথায় পাওয়া যায় শালমারা নদী ও চেনাকাটার সঙ্গে তার মিলনস্থল। ভেরভেরি বাজারে আমির নামের একজন জানান, জগৎবেড় ইউনিয়নের কোনাবাড়ি দিয়ে ভারত থেকে ঢুকে তিন কিলোমিটার পর আবার ভারতে চলে গেছে সংলি নদী।

খোঁজ ছিল ‘সাংগুলি’ নদীর, মিলল ‘সংলি’, উচ্চারণের তারতম্যে একই নদী কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভেরভেরি বাজারের চায়ের দোকানে লুৎফর রহমান ও সবুজ শোনান তিস্তা, ধরলা, কচুয়া ও সংলি নিয়ে ভাওয়াইয়া গান: ‘আগের মতো নাই আর কচুয়া নদী/ বউ আইসে না আর কলসি ধরি’ কিংবা ‘সংলি নদীর ইছলা মাছ রে/ দাদা হ্যাঙ্গা দিয়া মারে।’ যে নদী সরকারের তালিকায় নেই, তা বেঁচে আছে গানে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মকসুমুল হাকিম চৌধুরী এবং লালমনিরহাট জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, দুজনই নদীগুলোর তথ্য চেয়েছেন এবং তালিকাভুক্ত করতে চান। এর আগে সরেজমিনে খুঁজে বের করা রংপুরের খটখটিয়া, নীলফামারীর শাখা দেওনাই ও ঠাকুরগাঁওয়ের ভক্তি নদ-নদী ২০২৫ সালে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

তালিকায় না থাকা নদী মানে তার দখল-ভরাটের বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষাও নেই; সীমান্তের এই ছোট নদীগুলো স্থানীয় মাছ, সেচ ও জলাভূমির উৎস, তালিকাভুক্তি সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার প্রথম ধাপ।

সূত্র: প্রথম আলো

প্রথম আলোসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)