সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন

জানা যায়, প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে।

জানা যায়, প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে।

২০ বছরে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন করেছেন মাগুরার কাঠমিস্ত্রী আব্দুল হান্নান। আর এর মাধ্যমে তিনি উপকার করে যাচ্ছেন কৃষকদের।

হান্নানের গল্পের শুরুটা এমন- একবার ১৫ মণ ধান কিনে ঘরে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু মাস পাঁচেক পরে মেপে দেখলেন সেখানে চার মণ ধান কম! বাড়িতে ইঁদুরের আনাগোনা দেখে যা বোঝার বুঝে গেলেন তিনি।

এরপর থেকে তার মাথায় ঘুরতে লাগলো ইঁদুর নিধনের পরিকল্পনা। কাঠমিস্ত্রির কাজের অভিজ্ঞতা থেকে দিন কয়েকের চেষ্টায় একটি ইঁদুর মারার যন্ত্র বানিয়েও ফেলেন হান্নান। যন্ত্রের কার্যকারিতা বোঝা গেল মাত্র একমাসেই। এই ব্যবধানে তার বাড়ি হয়ে গেলো ইঁদুর মুক্ত।

এ সাফল্য হান্নানকে ভাবালো অন্যভাবে। এবার তিনি শুরু করলেন এলাকার বাড়ি ও ফসলের মাঠগুলোর ইঁদুর নিধন। ৬ মাসের মধ্যে তার গ্রাম বড়খড়ি হলো ইঁদুর মুক্ত। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে দূর-দূরান্ত থেকে ডাক আসতে শুরু কর হান্নানের। এখন হান্নানের এ সাফল্য ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মাগুরা জেলায়।

হান্নান জানান, ২০১০ সালে সে ১ লাখ ৯০ হাজার ইঁদুর মেরে পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। পরের বছর আবারও তার এ সম্মান মেলে ২ লাখ ১০ হাজার ইঁদুর নিধনের জন্য। গত ২০ বছরে কমপক্ষে ২০ লাখ ইঁদুর নিধন করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

হান্নানের গ্রাম বড়খড়ির বাসিন্দা সাগর হোসেন বলেন, হান্নান একেবারেই নিঃস্বার্থভাবে সমাজের বিশেষ করে কৃষকদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। শুধু নিজ গ্রাম নয়, যখন যেখান থেকে ডাক আসে, ছুটে যান হান্নান।

তিনি আরও বলেন, কোনও অ্যাকাডেমিক শিক্ষা না থাকলেও কাঠমিস্ত্রী হান্নান সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ। পুরো কাজটাই তিনি করেন কোনও রকম বিনিময় ছাড়া। নিজের বানানো যন্ত্রগুলোও তিনি রেখেছেন সবার জন্য উন্মুক্ত।

এ বিষয়ে হান্নান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, এ কাজ আমার পেশা নয়, নেশা। সমাজের মানুষের জন্য সামান্য উপকারে আসতে পারলেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। এভাবেই ফসলের শত্রু ইঁদুর নিধন করে মাধ্যমে সমাজের উপকার করতে চাই।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, হান্নানের অনেক বড় কাজ করছে। প্রতিদিন একটি ইঁদুর ২৭ গ্রাম খাবার খায়। এছাড়া, প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খাবার নষ্ট করে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সারাদেশে প্রতিবছর ইঁদুর ৫৪ লাখ মানুষের খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে।

তাই হান্নানের এমন উদ্যোগকে উৎসাহিত করে দেশব্যাপী তার উদ্যোগের প্রচারণা প্রয়োজন বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব।

ঢাকা ট্রিবিউনসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)