সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

৫ বছর ধরে শতাধিক পাখিকে খাবার খাওয়ান ফজলুল

কুড়িগ্রামে প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিয়মিত পাখিদের খাবার খাওয়ান ফজলুল হক (৪৫)। মাত্র ১০ মিনিটের জন্য তার বাড়িতে বসে পাখির মেলা। প্রতিদিন সকালে কমলা, রুটি, চাল ও চানাচুর মিশ্রিত খাবার দিতে হয় পাখিদের। নানান জাত ও বর্ণের পাখির ক্ষুধা মেটাতে প্রস্তুত থাকেন ফজলুল। পাখির খাবার খাওয়ানোর এমন দৃশ্য দেখতে লোকজনও

কুড়িগ্রামে প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিয়মিত পাখিদের খাবার খাওয়ান ফজলুল হক (৪৫)। মাত্র ১০ মিনিটের জন্য তার বাড়িতে বসে পাখির মেলা। প্রতিদিন সকালে কমলা, রুটি, চাল ও চানাচুর মিশ্রিত খাবার দিতে হয় পাখিদের। নানান জাত ও বর্ণের পাখির ক্ষুধা মেটাতে প্রস্তুত থাকেন ফজলুল। পাখির খাবার খাওয়ানোর এমন দৃশ্য দেখতে লোকজনও ছুটে আসে।

ফজলুল হক কুড়িগ্রাম পৌর শহরের পলাশবাড়ি কবিরাজ পাড়া এলাকার মো. নছের আলীর ছেলে।

তখন সকাল সাড়ে ৬টা। ফজলুল হকের বাড়িতে কোনো পাখির দেখা নেই। ঠিক পাঁচ মিনিটের মধ্যে কোথা থেকে যেন হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা উড়ে এসে অবস্থান নেয় বাড়ির চাল আর উঠানে। কিচিরমিচির শব্দে শুধু ফজলুল হকের ঘুম ভাঙে না, তিনি নিজেই বুঝতে পারেন সময় হয়েছে পাখিদের খাওয়ানো। ঘরে রাখা চানাচুর আর চালের মিশ্রিত খাবার হাতে নিয়ে বের হয়ে আসেন আঙিনায়। হাতের পাশে রাখা প্লাস্টিকের বয়াম থেকে পরিমাণ মতো খাবার ছিটিয়ে দেন মাটিতে। ১০ মিনিটের মধ্যে খাবার খেয়ে পাখিরা আবার উড়ে যায় অজানা গন্তব্যে। এভাবে নিয়ম করে প্রতিদিন শত শত পাখিদের খাওয়াচ্ছেন ফজলুল হক।

তিনি বলেন, বছর চারেক আগে বাড়ির বারান্দায় বসে হাতে বানানো রুটি খাচ্ছিলাম। হঠাৎ দুটি কাক চলে আসে বারান্দায়। রুটির একটি অংশ ছুড়ে ফেলেন মাটিতে। নির্বিঘ্নে কাক দুটো খেয়ে চলে যায়। পরের দিন আমি আমার মতো করে ঘরে শুয়ে আছি। কাক দুটি আবার বারান্দায় এসে ডাক শুরু করে। পরে ঘর থেকে বের হয়ে কাক দুটিকে উড়ে যেতে সাড়া দেই। তারা উড়ে গিয়ে গাছের ডালে বসে ডাক শুরু করে দেয়। বুঝতে পারি ওদের খাবার দিতে হবে। ঘরে থাকা চাল ছিটিয়ে দিলে ওরা গাছ থেকে নেমে এসে খাবার খেতে শুরু করে। পরের দিন একইভাবে ৫-৭টি কাক উড়ে এসে খাবার খেয়ে যায়। পরে শুধু কাকই না, দোয়েল, কাঠ ঠোকরা, কয়েক জাতের সারস, বুলবুলিসহ অন্যান্য পাখিরা দলবদ্ধ হয়ে এসে খাবার খেয়ে যায়। এখন রোজ শতাধিক পাখিদের খাবার দিতে হচ্ছে। বাকিটা জীবন যেন এইভাবে পাখিদের খাওয়াতে পারি।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য পাখিরা চানাচুর খেতে পছন্দ করলেও শুধুমাত্র বুলবুলির জন্য আলাদাভাবে কমলা ফল কেটে দিতে হয়।

ফজলুল হকের স্ত্রী মোছা. শারমিন হক বলেন, বছরের পর বছর পাখিদের খাবার দিয়ে আসছেন তিনি। খাবার দিতে একটু দেরি হলে পাখিদের শোরগোল বেড়ে যায়। দ্রুত খাবার দিলে খাওয়া শেষমাত্র পাখিগুলো কোথায় যে চলে যায় জানা নেই। প্রথম দিকে বিরক্তিকর মনে হলেও এখন ওদের প্রতি আমারও মায়া জন্মেছে। ওদের খাবার দিতে পারলে শান্তি পাই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুর ইসলাম বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক মানুষের বসবাস। পাখিরা কেন যে ফজলুল হকের বাড়ি গিয়ে তার হাতের খাবার খায় জানি না। রোজ রোজ পাখিদের খাবার খাওয়ার দৃশ্য দেখতে খুব ভালো লাগে।

ফজলুল করিম ফারাজী/জেডএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)