সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মাটির অবক্ষয় বাড়ছে, অথচ পরীক্ষিত সমাধান কাজে লাগছে না: এফএও প্রতিবেদন

‘স্ট্যাটাস অব দ্য ওয়ার্ল্ডস সয়েল রিসোর্সেস ২০২৬’ বলছে, ৮১ শতাংশ মূল্যায়নে ভূমিক্ষয় ব্যবস্থাপনা খারাপ বা খুব খারাপ; ২০১৫ সালের পর উন্নতির খবর মাত্র ১০ শতাংশ অঞ্চলে।

বিশ্বের বড় অংশে মাটির অবক্ষয় আরও খারাপ হচ্ছে, অথচ তা ঠেকানোর পরীক্ষিত পদ্ধতিগুলো এখনো প্রয়োজনীয় গতিতে গ্রহণ করা হচ্ছে না, উলানবাটারে জাতিসংঘের মরুকরণবিরোধী সম্মেলনে প্রকাশিত এক বৈশ্বিক মূল্যায়নে এমনটাই জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

‘স্ট্যাটাস অব দ্য ওয়ার্ল্ডস সয়েল রিসোর্সেস ২০২৬’ প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের বৈজ্ঞানিক সাহিত্য এবং ৭৫টি দেশের বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে; ২০১৫ সালে গ্লোবাল সয়েল পার্টনারশিপের মাধ্যমে প্রকাশিত প্রথম মূল্যায়নের হালনাগাদ এটি। মূল বার্তা জ্ঞান ও প্রয়োগের ফারাক: পর্যালোচিত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক মূল্যায়নের অর্ধেকের বেশিতে টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ কম বা খুব কম, ৫৮ শতাংশে ২০১৫ সালের পর অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং উন্নতির কথা জানিয়েছে মাত্র ১০ শতাংশ।

এফএওর উপমহাপরিচালক বেথ বেকডল বলেন, “বিশ্বের মাটির ওপর কী কী চাপ পড়ছে এবং কোন পদ্ধতিগুলো মাটিকে রক্ষা ও পুনরুদ্ধার করতে পারে, দুটো বিষয়েই আজ আমাদের হাতে অনেক ভালো প্রমাণ আছে। কিন্তু এই প্রতিবেদন স্পষ্ট করছে, পরীক্ষিত সমাধানগুলো এখনো প্রয়োজনীয় গতিতে ও পরিসরে প্রয়োগ হচ্ছে না। এখন অগ্রাধিকার হলো দেশ, কৃষক ও অন্যান্য ভূমি ব্যবহারকারীকে সেই জ্ঞান, সক্ষমতা ও প্রণোদনা দেওয়া, যা দিয়ে তাঁরা সমাধানগুলো কাজে লাগাতে পারবেন।”

যে পদ্ধতিগুলোর কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো পরীক্ষামূলক কিছু নয়। কম চাষ, সমন্বিত পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, ফসলের বৈচিত্র্য, আচ্ছাদন ফসল, জৈব উপকরণ ও কৃষি-বনায়ন, সবই মাটির ওপর চাপ কমাতে পারে, একই সঙ্গে ফলন ধরে রাখতে বা বাড়াতে পারে। সমস্যা হলো পরিসর।

সবচেয়ে মারাত্মক ও সবচেয়ে বেশি আন্তঃসম্পর্কিত হুমকি হিসেবে উঠে এসেছে ভূমিক্ষয়। মূল্যায়ন করা সাতটি অঞ্চলে ৮১ শতাংশ ক্ষেত্রে ভূমিক্ষয় ব্যবস্থাপনাকে খারাপ বা খুব খারাপ বলা হয়েছে এবং ৬৫ শতাংশে ২০১৫ সালের পর অবনতি হয়েছে। পুষ্টি ব্যবস্থাপনার চিত্র অঞ্চলভেদে আলাদা, কোথাও অতিরিক্ত উপকরণ ব্যবহারে উদ্বৃত্ত, আবার কোথাও পুষ্টির ঘাটতি ফলন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে আটকে রাখছে। এ কারণেই প্রতিবেদনটি একক সমাধানের বদলে স্থানভেদে উপযোগী পদ্ধতির ওপর জোর দিয়েছে।

চাপ বেড়েছে অনেক। ২০১৫ সালের পর বিশ্বের জনসংখ্যা বেড়েছে ৮০ কোটি এবং প্রধান ফসলের আবাদি এলাকা বেড়েছে ৮ কোটি হেক্টর; সেই সঙ্গে নগরায়ণ, অটেকসই কৃষি, শিল্প কার্যক্রম, সংঘাত ও দূষণ মাটির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। মানুষের খাওয়া খাদ্যের ৯৫ শতাংশের বেশি আসে মাটি থেকে; পাশাপাশি মাটি পানি ধরে রাখে ও ছেঁকে দেয়, জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে এবং জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখে।

প্রতিবেদনে পাঁচটি অগ্রাধিকার ঠিক করা হয়েছে, মাটি নিয়ে সুশাসন ও আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা; শিক্ষা, সক্ষমতা উন্নয়ন ও জ্ঞান বিনিময়; সমন্বিত তথ্য, সূচক ও পদ্ধতির মাধ্যমে নজরদারি উন্নত করা; টেকসই মাটি ব্যবস্থাপনার জন্য প্রণোদনা বাড়ানো; এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বহুবিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ। নীতিনির্ধারকদের কাছে এর স্পষ্ট দাবি, সুস্থ মাটিকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে গণ্য করা।

একই দিনে প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রকাশনা ‘লিভিং সয়েলস, প্রোডাক্টিভ ল্যান্ডস, রেজিলিয়েন্ট ল্যান্ডস্কেপস’ তৈরি হয়েছে জাতিসংঘ মরুকরণবিরোধী কনভেনশনের সঙ্গে যৌথভাবে। এটি ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতার কেন্দ্রে কৃষিজমিকে রাখে, একটি দীর্ঘদিনের ঘাটতি পূরণ করে, কারণ মানুষের কারণে হওয়া অবক্ষয়ের বড় অংশ কৃষিজমিতে হলেও পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় তা কম গুরুত্ব পেয়ে এসেছে। বিচ্ছিন্ন পুনরুদ্ধার প্রকল্পের বদলে উৎপাদনশীল ভূদৃশ্যের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়েছে নির্দেশিকাটি।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)