সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

নিজের বেতনের টাকায় শ্রীমঙ্গলের অসুস্থ পথপ্রাণীর চিকিৎসা করেন এক তরুণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট দেবজ্যোতি চক্রবর্তী দ্বীপ ২০১৮ সাল থেকে বাইসাইকেলে ঘুরে অসুস্থ কুকুর, বিড়াল, পাখি ও অন্য প্রাণীর চিকিৎসা করছেন; বেতনের বড় অংশ তিনি এ কাজেই খরচ করেন বলে ২০২৫ সালের মার্চে জাগো নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়।

নিজের বেতনের টাকায় শ্রীমঙ্গলের অসুস্থ পথপ্রাণীর চিকিৎসা করেন এক তরুণ
পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় দেবজ্যোতি চক্রবর্তী দ্বীপ নামের এক তরুণ নিজ উদ্যোগে অসুস্থ ও আহত প্রাণীর চিকিৎসা ও সেবা দিয়ে আসছেন। বাইসাইকেল চালিয়ে তিনি শহরের পাড়া-মহল্লা, গ্রামের মেঠোপথ আর চা বাগানের শ্রমিক লাইনে ঘুরে অসুস্থ কুকুরকে ওষুধ খাওয়ান, ক্ষতের যত্ন নেন। ২০২৫ সালের ৯ মার্চ জাগো নিউজ২৪-এ প্রকাশিত জীবন পালের এক ফিচারে তাঁর এই কাজের কথা তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের কর্তব্য হিসেবে নিয়েছেন এবং কারও নির্দেশ বা প্রকল্পের অধীনে নয়, নিজের খরচে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

চাকরির বেতনের বড় অংশ যায় প্রাণীর চিকিৎসায়


জাগো নিউজের প্রতিবেদন বলছে, দ্বীপ শ্রীমঙ্গল শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে চাকরি করেন। চাকরি করলেও তাঁর মন পড়ে থাকে অসহায় প্রাণীগুলোর কাছে। মাস শেষে যে বেতন পান, তার বড় একটি অংশ তিনি প্রাণীর ওষুধ ও খাবার কেনায় খরচ করেন। তাঁর এ কাজে উৎসাহ দিতে মাঝেমধ্যে কয়েকজন বন্ধু ও বড় ভাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেকেই তাঁর কাজে আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। কিন্তু দ্বীপ অন্যের কাছ থেকে টাকা না নিয়ে নিজের উপার্জন দিয়েই ওষুধ ও খাবার কিনে কাজটি চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজের জন্মদিনেও তিনি ভালো কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকার ১০টি কুকুরকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ এলাকার কুকুর ‘মন্টি’ এবং পিচের মুখ এলাকার ‘বিট্টু’।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দ্বীপ অসুস্থ প্রাণীর চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তাঁর সেবা পাওয়া প্রাণীর তালিকায় কুকুর ছাড়াও আছে ঘুঘু, শালিক, চড়ুই, কাঠবিড়ালি, বিড়াল ও বানর। প্রাণীগুলোও তাঁকে আপন করে নিয়েছে: তাঁকে দেখামাত্র ছুটে আসে, কাছের মানুষকে পেয়ে যেন খেলায় মেতে ওঠে। কখনো শহরের পাড়ায়, কখনো গ্রামের পথে, কখনো চা বাগানের লাইনে সাইকেল চালিয়ে তিনি হাজির হন বিপদে পড়া বা অসুস্থ কোনো প্রাণীর কাছে, চিকিৎসা দেন, সেবা করেন।

আহত কাক উদ্ধার করে বন বিভাগের হাতে


প্রতিবেদন প্রকাশের কিছুদিন আগের একটি ঘটনার কথা জাগো নিউজ উল্লেখ করেছে। খবর আসে, একটি কাক আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে। দ্বীপ বাইসাইকেল নিয়ে ছুটে গিয়ে কাকটিকে উদ্ধার করেন এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এরপর কাকটিকে বন অধিদপ্তরের এক কর্মীর হাতে তুলে দেন, যাতে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত পাখিটি নিরাপদে থাকে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বনকর্মী পরে কাকটিকে মুক্ত আকাশে ছেড়ে দেবেন।

বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, কাক করভিডি (Corvidae) গোত্রের পাখি। বাংলাদেশে কাকের দুটি প্রজাতি আছে। দাঁড়কাক (Corvus macrorhynchos) চকচকে কুচকুচে কালো, চিলের চেয়ে ছোট, ভারী ঠোঁট আর গম্ভীর ভাঙা গলার ডাক তার চেনার উপায়; এর প্রজনন মৌসুম মার্চ থেকে মে। পাতিকাক বা কাওয়া (Corvus splendens) ধূসর ঘাড় ও ছোট আকারের কারণে দাঁড়কাক থেকে আলাদা করা যায়। মানুষের খুব কাছাকাছি থাকে বলে শহর ও গ্রামে এটিই সবচেয়ে পরিচিত পাখি। প্রায় সবকিছু খায় বলে বাংলাপিডিয়া একে উপকারী ময়লাভুক পাখি বলেছে। এর প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুন। দুটি প্রজাতিই সারা দেশে ছড়িয়ে আছে।

বাংলাপিডিয়া আরও জানায়, কাক খুব বুদ্ধিমান পাখি হিসেবে পরিচিত। এরা দল বেঁধে থাকে, কখনো বড় দলে রাত কাটায়, তবে প্রতিটি জোড়া নিজের বাসা বানায়। ডালপালা দিয়ে তৈরি সাধারণ মাচার মতো বাসায় পাঁচ-ছয়টি সবুজাভ ডিম পাড়ে, মা ও বাবা দুজনেই ডিমে তা দেয় ও ছানাদের খাওয়ায়। কোকিল নিজে বাসা বানায় না; কাকের বাসায় ডিম ফেলে দিয়ে নিজের ডিম পাড়ে।

বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও অবমুক্তির বিষয়টি দেশের আইনে বন বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। প্রতিবেদনের সময় বলবৎ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এ বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক পদাধিকারবলে প্রধান ওয়ার্ডেন, আর বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বন সংরক্ষক ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তারা যথাক্রমে অতিরিক্ত প্রধান ওয়ার্ডেন ও ওয়ার্ডেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইনের ৯ ধারা বলছে, ধরা পড়া, উদ্ধার করা বা জব্দ করা কোনো বন্যপ্রাণীকে খাঁচায় বা আবদ্ধ অবস্থায় রাখা তার জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হলে তাকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ৩০ ধারায় আহত, জব্দ করা, পরিত্যক্ত বা দান করা বন্যপ্রাণীর চিকিৎসা, খাদ্য, আশ্রয় ও নিরাপত্তার জন্য সরকারকে উদ্ধার কেন্দ্র স্থাপনের এবং সেখান থেকে প্রকৃতিতে অবমুক্তির নির্দেশিকা তৈরির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দ্বীপ আহত কাকটিকে বনকর্মীর হাতে তুলে দেওয়ায় পাখিটির পরবর্তী দেখভাল সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই গেছে।

ঢাকায় তোলা একটি পাতিকাক (Corvus splendens), বাংলাদেশের শহর ও গ্রামের সবচেয়ে পরিচিত পাখি; এটি প্রতিবেদনের উদ্ধার করা কাকটির ছবি নয়। ছবি: Bellayet / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)
ঢাকায় তোলা একটি পাতিকাক (Corvus splendens), বাংলাদেশের শহর ও গ্রামের সবচেয়ে পরিচিত পাখি; এটি প্রতিবেদনের উদ্ধার করা কাকটির ছবি নয়। ছবি: Bellayet / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.5)

সাইকেলে ঘুরে পর্যটনকেন্দ্রের ময়লা পরিষ্কার


জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীমঙ্গল শহরে দ্বীপ একজন সাইক্লিস্ট হিসেবেও পরিচিত। সাইকেল চালানোর সময় তিনি দর্শনীয় জায়গাগুলোতে গিয়ে নিজ উদ্যোগে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন, যাতে পর্যটকেরা সচেতন হন। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে এসে যেসব পর্যটক পরিবেশ নোংরা করে যান, পরদিন দ্বীপ সেসব পরিষ্কার করেন, যাতে নিজের পর্যটন এলাকা সুন্দর ও পরিপাটি থাকে।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফরে শ্রীমঙ্গলের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে আসেন। প্রতিবেদনের ভাষায়, তাঁরা যেখানে-সেখানে খাবারের প্লেট, প্যাকেট, পানির বোতলসহ নানা আবর্জনা ফেলে যান। সেগুলো পরিষ্কার করে মানুষকে সচেতন করা দ্বীপের অন্যতম কাজ। প্রতিবেদন বলছে, এ কাজ জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং ভালো কাজের জন্যই তিনি এলাকায় সুপরিচিত।

শ্রীমঙ্গল দেশের পরিচিত ভ্রমণ গন্তব্য। বাংলাপিডিয়া উপজেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকায় রেখেছে ভুনবীর গ্রামের বাসুদেব মন্দির, হাইল হাওর, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, সিতেশ রঞ্জন দেবের মিনি জাদুঘর, ভাড়াউড়া লেক, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি ও গ্যাসক্ষেত্র এবং ডেনস্টন সমাধিক্ষেত্র। মৌলভীবাজার জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকাতেও বাংলাপিডিয়া শ্রীমঙ্গলের চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, লাউয়াছড়া, ভাড়াউড়া লেক ও মাগুরছড়ার নাম রেখেছে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায়। ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই সরকার এলাকাটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করে। প্রায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টরের এই উদ্যানে আধা-চিরসবুজ ও মিশ্র পত্রঝরা বন রয়েছে, যা ২ হাজার ৭৪০ হেক্টরের পশ্চিম ভানুগাছ সংরক্ষিত বনের অংশ। ইউএসএআইডির সহায়তায় পরিচালিত সমন্বিত রক্ষিত এলাকা সহ-ব্যবস্থাপনা (আইপ্যাক) প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির জীব আছে, যার মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪ প্রজাতির উভচর ও ১৭ প্রজাতির কীটপতঙ্গ। এমন বনের ভেতর ও আশপাশে ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক ও খাবারের প্যাকেট শুধু সৌন্দর্য নষ্ট করে না, সেখানকার প্রাণীর আবাসকেও নোংরা করে।

শ্রীমঙ্গলের কাছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বনপথ, ২০২০ সালে তোলা। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
শ্রীমঙ্গলের কাছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বনপথ, ২০২০ সালে তোলা। ছবি: Kritzolina / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

প্রতি সপ্তাহে একটি গাছ


দ্বীপের কাজ প্রাণীসেবা আর পরিচ্ছন্নতায় সীমাবদ্ধ নয়। জাগো নিউজ জানায়, কয়েক বছর আগে থেকে গাছ লাগানোর মৌসুমে তিনি নিজ উদ্যোগে প্রতি সপ্তাহে একটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেন। গাছ যে কত উপকারী বন্ধু, তা বোঝাতে তিনি একটি সচেতনতামূলক ভিডিও বানিয়েছেন। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সেই ভিডিওর বক্তব্য: ‘আজকের রোপণ করা চারাটি পনেরো বছর পর একটি ছায়াবৃক্ষে পরিণত হবে। আপনার পরবর্তী প্রজন্মকে ছায়া দিয়ে সুরক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’

ছায়াগাছের গুরুত্ব শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে বিশেষভাবে চোখে পড়ে। বাংলাপিডিয়ার ‘চা’ ভুক্তি অনুযায়ী, চা চাষে ছায়াগাছ অপরিহার্য অংশ, কারণ ভালো শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য চা গাছের প্রায় ৫০ শতাংশ বিক্ষিপ্ত সূর্যালোক দরকার। মাটির পুষ্টি বাড়াতে মূলত শিমজাতীয় গাছ ব্যবহার করা হয়; এদের শিকড় মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। বাংলাদেশে Albizia chinensis ও A. moluccana আধা-স্থায়ী ছায়া দেয়, আর A. odoratissima, A. procera, A. lebbeck ও Derris robusta স্থায়ী ছায়াগাছ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চা গাছের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা ১৮.৩৩ থেকে ২৯.৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বছরে ১ হাজার ৪০০ মিলিমিটারের বেশি সুষম বৃষ্টি এবং পিএইচ ৪.৫ থেকে ৫.৫-এর পানি নিষ্কাশনযোগ্য বেলে দোআঁশ মাটি।

চা, হাওর ও বনের উপজেলা শ্রীমঙ্গল


বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার আয়তন ৪৫০.৭৩ বর্গকিলোমিটার। এর উত্তরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা, দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে কমলগঞ্জ এবং পশ্চিমে চুনারুঘাট, বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলা। ১৯১২ সালে শ্রীমঙ্গল থানা গঠিত হয়, পরে তা উপজেলায় উন্নীত হয়; পৌরসভা গঠিত হয় ১৯৩৫ সালে। উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। বাংলাপিডিয়ায় দেওয়া আদমশুমারির হিসাবে উপজেলার জনসংখ্যা ৩ লাখ ১৮ হাজার ২৫। প্রধান নদী বিলাস (গোপলা), গোপবিয়া, ফুলছড়ি, উদনাছড়ি ও বর্মাছড়ি; হাইল হাওর এখানকার উল্লেখযোগ্য জলাভূমি।

উপজেলার প্রধান ফসল চা, ধান, পান, রাবার, আলু ও সবজি। প্রধান ফল আনারস, কাঁঠাল ও লেবু; রপ্তানিপণ্য চা, আনারস, লেবু ও পান। বাংলাপিডিয়ার তালিকায় উপজেলায় ১৫টি চা কারখানা, ২টি রাবার প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, ৫৫টি দুগ্ধ খামার ও ৩০টি পোলট্রি খামারের কথা আছে। দ্বীপের চিকিৎসা পাওয়া কুকুর ‘মন্টি’ যে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ এলাকার, সেটিও বাংলাপিডিয়ার তালিকায় উপজেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শ্রীমঙ্গলের চা-পরিচয়ের কেন্দ্রে আছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)। বাংলাপিডিয়া জানায়, চা চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সমস্যা সমাধানে তৎকালীন পাকিস্তান চা বোর্ড ১৯৫২ সালে নিজস্ব গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৯৫৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে পাকিস্তান চা গবেষণা কেন্দ্র যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে এটি ইনস্টিটিউটে উন্নীত হয়ে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট নাম পায়। এটি বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের (নার্স) প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৩.২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি বিটি১ থেকে বিটি১৩ পর্যন্ত ১৩টি উচ্চফলনশীল ও মানসম্পন্ন চা ক্লোন উদ্ভাবন করেছে।

মালিকবিহীন প্রাণী ও প্রাণিকল্যাণ আইন


দ্বীপ যেসব কুকুর-বিড়ালের চিকিৎসা করেন, সেগুলোর বেশির ভাগ পথের প্রাণী। এ ধরনের প্রাণী রক্ষায় দেশে প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ (২০১৯ সনের ১২ নং আইন) বলবৎ আছে, যা ২০১৯ সালের ১০ জুলাই প্রণীত হয় এবং ১৯২০ সালের The Cruelty to Animals Act রহিত করে। আইনের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ, সদয় আচরণ ও দায়িত্বশীল প্রতিপালনের মাধ্যমে প্রাণিকল্যাণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

আইনে ‘প্রাণী’ বলতে মানুষ ছাড়া সব স্তন্যপায়ী, পাখি, সরীসৃপ এবং মাছ ছাড়া অন্য জলজ প্রাণী বোঝানো হয়েছে। ‘মালিকবিহীন প্রাণী’ মানে মালিকানা বা দাবিদারবিহীন প্রাণী, অথবা যুক্তিসংগত অনুসন্ধানের পরও যার মালিক বা তত্ত্বাবধানকারী পাওয়া যায় না। আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী, আইনে উল্লিখিত কারণ ছাড়া মালিকবিহীন কোনো প্রাণী নিধন বা অপসারণ করা যাবে না, আর কেউ মালিকবিহীন প্রাণী হত্যা করলে তা অপরাধ। ১৬ ধারায় এ অপরাধের শাস্তি অনধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। প্রাণীকে জেনেশুনে বিষাক্ত খাবার বা ওষুধ খাওয়ানোর ফলে মৃত্যু বা স্থায়ী অঙ্গহানি হলে, কিংবা ক্ষতির উদ্দেশ্যে অঙ্গহানি ঘটালে শাস্তি অনধিক দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

আইনে ‘কর্তৃপক্ষ’ হলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অধিদপ্তরের কোনো ভেটেরিনারি সার্জন। ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো প্রাণী সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে বলে কর্তৃপক্ষের কাছে মনে হলে বা কারও কাছ থেকে এমন খবর পেলে কর্তৃপক্ষ সংকট কমাতে ব্যবস্থা নিতে পারে এবং প্রয়োজনে থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিতে পারে। ১৫ ধারায় আটক প্রাণীকে সরকারি ভেটেরিনারি হাসপাতাল বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিকিৎসা ও পরিচর্যার জন্য পাঠানোর বিধান আছে। আইনের ‘তত্ত্বাবধানকারী’ সংজ্ঞায় স্বেচ্ছায় কোনো প্রাণীকে নিজের তত্ত্বাবধানে রাখা ব্যক্তিকেও ধরা হয়েছে।

বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (ডিএলএস) সরকারি দপ্তর হিসেবে ভেটেরিনারি সেবা, প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ সেবা দেয়। ১৮৯৩ সালে ব্রিটিশ সরকারের সিভিল ভেটেরিনারি বিভাগের মাধ্যমে এর কাজ শুরু; একই বছর বেঙ্গল ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালে এর নাম হয় পরিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ সেবা। ঢাকার ফার্মগেটের কৃষি খামার সড়কে প্রাণিসম্পদ ভবনে এর প্রধান কার্যালয়। শ্রীমঙ্গলে অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের দপ্তর হলো উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, শ্রীমঙ্গল। অসুস্থ বা আহত পোষা ও পথের প্রাণীর চিকিৎসার প্রয়োজনে সেখানকার ভেটেরিনারি সার্জনের পরামর্শ নেওয়াই সঠিক পথ।

ঢাকার রাস্তায় একটি পথকুকুর; বাংলাদেশের শহরে মালিকবিহীন কুকুরের সাধারণ দৃশ্য। ছবি: nasir khan from Dhaka, Bangladesh / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
ঢাকার রাস্তায় একটি পথকুকুর; বাংলাদেশের শহরে মালিকবিহীন কুকুরের সাধারণ দৃশ্য। ছবি: nasir khan from Dhaka, Bangladesh / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

পথকুকুর, জলাতঙ্ক ও টিকা কর্মসূচি


পথকুকুরের সেবার সঙ্গে জলাতঙ্কের প্রশ্নটি জড়িয়ে আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০২৪ সালের ৫ জুনের তথ্যপত্র অনুযায়ী, জলাতঙ্ক ১৫০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে, প্রধানত এশিয়া ও আফ্রিকায়, গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এটি ভাইরাসজনিত, প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ানো অবহেলিত ক্রান্তীয় রোগ, যাতে প্রতিবছর কয়েক হাজার মানুষ মারা যায় এবং তাদের ৪০ শতাংশ ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু। মানুষের জলাতঙ্কের ৯৯ শতাংশ ঘটনার উৎস কুকুরের কামড় বা আঁচড়। ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছে উপসর্গ দেখা দিলে রোগটি প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী। রোগটি কুকুর, বিড়াল, গবাদিপশু ও বন্য প্রাণীসহ স্তন্যপায়ীদের সংক্রমিত করে এবং লালার মাধ্যমে কামড়, আঁচড় বা চোখ-মুখ-খোলা ক্ষতের সংস্পর্শে ছড়ায়।

ডব্লিউএইচও বলছে, কুকুরছানাসহ কুকুরকে গণটিকা দেওয়াই মানুষের জলাতঙ্ক ঠেকানোর সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়, কারণ এতে উৎসেই সংক্রমণ থামে; মুক্তভাবে ঘোরা কুকুর মেরে ফেলা জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নয়। শিশু ও বড়দের কুকুরের আচরণ, কামড় এড়ানো, কামড় বা আঁচড় খেলে করণীয় এবং দায়িত্বশীলভাবে পোষা প্রাণী পালন সম্পর্কে সচেতন করাও টিকা কর্মসূচির জরুরি অংশ। পশুরোগ নিয়ন্ত্রণকর্মীর মতো যাঁদের পেশা বা কাজের কারণে আক্রান্ত প্রাণীর সরাসরি সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি আছে, তাঁদের জন্য সংস্থাটি আগাম টিকার (প্রি-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস) সুপারিশ করে; তবে আগাম টিকা নেওয়া থাকলেও সন্দেহজনক প্রাণীর কামড়ের পর চিকিৎসা নিতে হয়।

ডব্লিউএইচওর নির্দেশনা অনুযায়ী, জলাতঙ্ক হতে পারে এমন প্রাণী কামড় বা আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান সাবান ও পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুতে হবে এবং দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কামড়-পরবর্তী চিকিৎসা (পিইপি) নিতে হবে। পিইপির মধ্যে আছে ক্ষত ধোয়া, মানুষের জলাতঙ্ক টিকার পূর্ণ কোর্স এবং প্রয়োজনে র‍্যাবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন। সংস্থার শ্রেণিবিন্যাসে প্রাণীকে ছোঁয়া বা খাওয়ানো, কিংবা অক্ষত চামড়া চেটে দেওয়া প্রথম শ্রেণির সংস্পর্শ, যেখানে শুধু চামড়া ধোয়াই যথেষ্ট। রক্তপাতহীন ছোট আঁচড় বা খোলা চামড়ায় আলতো কামড় দ্বিতীয় শ্রেণির, যেখানে ক্ষত ধোয়া ও সঙ্গে সঙ্গে টিকা দরকার। চামড়া ভেদ করা কামড় বা আঁচড়, কিংবা মুখ-চোখ বা ভাঙা চামড়ায় লালা লাগা তৃতীয় শ্রেণির, যেখানে টিকার সঙ্গে ইমিউনোগ্লোবুলিনও লাগে। পথের প্রাণীর সেবা যাঁরা করেন, তাঁদের নিজের সুরক্ষার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বাংলাদেশে কুকুর নিধনের বদলে টিকা দেওয়ার নীতি চালু হয় ২০১১ সালের শেষ দিকে। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ডব্লিউএইচওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে দেশে বছরে আনুমানিক ২ হাজার মানুষ জলাতঙ্কে মারা যেত এবং কয়েক দশক ধরে নির্বিচারে কুকুর মারা হতো। ২০১১ সালের শেষ দিকে নতুন জাতীয় কৌশলের আওতায় বড় পরিসরে কুকুরকে টিকা দেওয়া শুরু হয়, আগে যাঁরা কুকুর মারতেন তাঁদের কুকুর ধরার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, আর কুকুরে কামড়ানো মানুষ ৬৪ জেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিনা মূল্যে জলাতঙ্কের টিকা পান। সরকারি হিসাব উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটি জানায়, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে জলাতঙ্কে মৃত্যু প্রায় ৫০ শতাংশ কমে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে দ্য ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ সাউথইস্ট এশিয়া সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা জানায়, ২০১১ সালে ওয়ান হেলথ পদ্ধতিতে কুকুরবাহিত জলাতঙ্ক নির্মূলে জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচি চালু হয়। এর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (সিডিসি) শাখা, সঙ্গে আছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার বিভাগ। কুকুরকে গণটিকাদান শুরু হয় ২০১১ সালে কক্সবাজার পৌরসভায়, পরে দেশের ৬৪ জেলাতেই অন্তত এক দফা টিকাদান হয়। গবেষণাটির হিসাবে দেশে কুকুরের সংখ্যা আনুমানিক ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ১৪০; জেলাপ্রতি গড়ে আনুমানিক ২৬ হাজার ৬৫টি কুকুরের মধ্যে বছরে গড়ে ২১ হাজার ২৯৫টিকে টিকা দেওয়া হয়েছে। ২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে মানুষের জলাতঙ্কের ৮৭৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়; সর্বোচ্চ ১০৬টি ২০১৪ সালে, আর ২০২০ সালে ২৬টি। দেশে ৬৬টি সরকারি জেলা জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রয়েছে। গবেষকদের পূর্বাভাস, এই ধারা বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে মানুষের জলাতঙ্ক শূন্যে নামবে, যা ডব্লিউএইচওর ‘জিরো বাই থার্টি’ লক্ষ্যের সঙ্গে মেলে। একই গবেষণা দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালু না থাকাকে কুকুরের সংখ্যা বেশি থাকার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ছবি: Mar11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ২৪ (৯ মার্চ ২০২৫), বাংলাপিডিয়া (শ্রীমঙ্গল উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলা, কাক, চা, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর), প্রাণিকল্যাণ আইন, ২০১৯ ও বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ (bdlaws), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (জলাতঙ্ক তথ্যপত্র, ৫ জুন ২০২৪; বাংলাদেশ বিষয়ক প্রতিবেদন, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪), দ্য ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ সাউথইস্ট এশিয়া (জুলাই ২০২৪), উইকিপিডিয়া (লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান), উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, শ্রীমঙ্গল

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)