সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পাহাড়, সমুদ্র আর মেঘলা চিতার উপাখ্যান: ইনানীর বনে প্রাণের স্পন্দন

​মো. সাব্বির হোসাইন

​মো. সাব্বির হোসাইন

​একদিকে বিশাল বঙ্গোপসাগরের গর্জন, অন্যদিকে সবুজ পাহাড়ের স্তব্ধতা এই দুইয়ের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা কক্সবাজারের ইনানী জাতীয় উদ্যান কেবল পর্যটকদের চোখ জুড়ানোর জায়গা নয়, এটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের এক গোপন প্রসূতিঘর। সম্প্রতি এই বনাঞ্চল নিয়ে হওয়া এক গবেষণা যেন প্রকৃতির এক গোপন সিন্দুকের চাবি খুলে দিয়েছে।

গবেষক বিপুল কৃষ্ণ দাসের অনুসন্ধানে উন্মোচিত হয়েছে ইনানীর বনের এক নতুন রূপ। ক্যামেরা ট্র্যাপের নিরব নজরদারি, লাইন ট্রানসেক্ট পদ্ধতি এবং বনের গহীনে পড়ে থাকা পরোক্ষ চিহ্নের সূত্র ধরে পাওয়া গেছে ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর পদচিহ্ন। আর এই তালিকার সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম মেঘলা চিতা এবং উল্লুক। বিশ্বজুড়ে চরম সংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত এই দুই প্রজাতির উপস্থিতি প্রমাণ করে, মানুষের অসচেতনতার মাঝেই ইনানী এখনো ধরে রেখেছে তার বুনো প্রাণ।

তবে এই অর্জন আনন্দের হলেও, এর আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর উদ্বেগের ছায়া। গবেষণায় কেবল প্রাণীদের সংখ্যাই উঠে আসেনি, উঠে এসেছে গাছপালা এবং বনের ওপর মানুষের অনিয়ন্ত্রিত আগ্রাসনের চিত্রও। দিন দিন মানুষের নানা কর্মকাণ্ডে বনের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে, ছোট হয়ে আসছে বন্যপ্রাণীর বিচরণের জায়গা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান এই বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন। তার মতে, আমাদের বন্যপ্রাণী ও বনাঞ্চল সংরক্ষণে এখনো রয়ে গেছে বড় ধরনের সীমাবদ্ধতা। পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব, জনবল সংকট এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে প্রতিনিয়তই ঝুঁকিতে পড়ছে দেশের নানা প্রান্তের বন্যপ্রাণী।

​ইনানী জাতীয় উদ্যান আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতি এখনো হারিয়ে যায়নি; কিন্তু তাকে রক্ষা করার সময় এখনই। পাহাড়ি বন আর বিরল বন্যপ্রাণীদের এই মেলবন্ধন যদি আমরা রক্ষা করতে না পারি, তবে ভবিষ্যতের কাছে কেবল ইতিহাসই জমা থাকবে, কোনো জীবন্ত বন নয়। উপকূলীয় এই সবুজ দেয়াল আর তার অধিবাসীদের বাঁচাতে অবিলম্বে প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী সংরক্ষণ নীতি।

লেখক: শিক্ষার্থী ,তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা টঙ্গী

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)