সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, আছে মেঘলা চিতাও

সাত হাজার ৮৫ হেক্টরের উদ্যানটিকে ১১টি জোনে ভাগ করে ক্যামেরা ট্র্যাপ ও লাইন ট্রানসেক্ট পদ্ধতিতে চালানো গবেষণায় উঠে এসেছে মেঘলা চিতা, উল্লুক ও এশিয়ান হাতির উপস্থিতি।

কক্সবাজার শহর থেকে কিছু দূরে অবস্থিত ইনানী জাতীয় উদ্যানে সম্প্রতি এক গবেষণায় ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে রয়েছে মেঘলা চিতা ও উল্লুকের মতো চরম সংকটাপন্ন প্রাণীও।

উপকূলীয় ও পাহাড়ি বনাঞ্চলের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনকে ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সাত হাজার ৮৫ হেক্টরের এই উদ্যানটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়, যদিও সংরক্ষিত ঘোষণার পরেও সেখানকার বাস্তুতন্ত্র নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা ছিল না।

গবেষণাটি করেছেন বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পরিচালক বিপুল কৃষ্ণ দাস। পুরো উদ্যানকে ১১টি জোনে ভাগ করে তিনি ক্যামেরা ট্র্যাপ, লাইন ট্রানসেক্ট এবং পরোক্ষ চিহ্ন বা স্পটিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। বনের ৩২টি স্থানে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল।

উঠে আসা প্রজাতির তালিকায় রয়েছে ক্লাউডেড লেপার্ড বা মেঘলা চিতা, উল্লুক এবং এশিয়ান এলিফ্যান্টের মতো বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী।

শুধু প্রাণীর তালিকা তৈরিই লক্ষ্য ছিল না। বিপুল কৃষ্ণ দাস বলছেন, স্তন্যপায়ী প্রাণীর পাশাপাশি বৃক্ষ এবং আশপাশের জনবসতি তথা ওই বনাঞ্চলের সমগ্র বাস্তুতন্ত্রের অবস্থাই তিনি দেখার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, মানুষের নানা কর্মকাণ্ড প্রতিনিয়তই বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

একটি বনাঞ্চলে কী ধরনের প্রাণী বা বৃক্ষ রয়েছে এবং তার বাস্তুতন্ত্র কীভাবে টিকে আছে, এই তথ্য জানা জরুরি, কারণ সেখানকার জীববৈচিত্র্য টিকে থাকার বিষয়টি এর ওপরই নির্ভর করে। বনসংলগ্ন জনপদের চাষ ও জীবিকার হিসাবও এই বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গেই জড়িয়ে।

সংরক্ষণে ঘাটতির কথাও উঠে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আমাদের অনেক জায়গায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জনবল সংকট, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নাই। যেভাবে আসলে ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন সেটা অনেক ক্ষেত্রেই হচ্ছে না।"

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)