সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

দিনাজপুরে আউশ চাষে বিপ্লব

চলতি মৌসুমে দিনাজপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার ১০ হাজার হেক্টর জমিতে উৎপাদিত আউশ ধান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ধানের দামও ভালো পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।

চলতি মৌসুমে দিনাজপুরে আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার ১০ হাজার হেক্টর জমিতে উৎপাদিত আউশ ধান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ধানের দামও ভালো পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।

অন্যদিকে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ, সার, কিটনাশক ও তদারকি পাওয়ায় আগামীতে কৃষকেরা আরও বেশি জমিতে আউশ চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে আশা করছে দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ।

সদর উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আউশ আবাদ সম্প্রসারণে ৬০ জন কৃষক ৬০ বিঘা জমিতে আউশ চাষ করেছেন। তাদের সবাইকে বীজ সার, কিটনাশক প্রদান করে কৃষি বিভাগ। ব্রিধান ৯৮ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

কালিকাপুর ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন জানান, এবার আউশ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধান হেক্টরে ৬ থেকে ৭ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন ছাড়িয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: রাস্তা নয়, যেন মরণফাঁদ!

সদরের কালিকাপুর ব্লকের কৃষক আব্দুল আজিজ জানান, চলতি মৌসুমে ৬৫ শতক জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছেন। কৃষি বিভাগ বীজ বপন, চারা রোপণ তেকে শুরু করে কাঁটা পর্যন্ত সব তদারকি করছে। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। আশা করছেন দামও ভালো পাবেন।

সিরাজ উদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবং তাদের দেওয়া বীজে উন্নত জাতের আউশ ধান আবাদ করে তিনি ভাল ফলন পেয়েছেন। বাম্পার ফলন হওয়ায় আগামী বছর আউশ ধানের আবাদ আরও বাড়িয়ে দেবেন।

একই এলাকার কৃষক জমির হোসেন জানান, অধিকাংশ কৃষকের এবার আউশ ধানের ভালো ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা বেশ খুশি। আগামীতে আউশ ধানের আবাদ বাড়বে।

কৃষক মনসুর আলী জানান, আগে আউশ ধান ফলন খুব একটা হতো না। কিন্তু বর্তমানে উন্নত জাতের আউশ ধান চাষ করে কৃষকরা বেশ লাভবান হয়েছেন। বিশেষ করে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের আউশ ব্রি ধান ৯৮ ও ব্রিধান ৪৮ আবাদ করে কৃষকরা ভালো ফলন পেয়েছেন।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির উপ পরিচালক নূরুজ্জামান জানান, চলতি আউশ ধান মৌসুমে ১০ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমি চাষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবার দিনাজপুরে উৎপাদিত আউশ ধান থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে। প্রায় ৫০০ হেক্টর জমির আউশ ধান কাটা হয়েছে। ফলন কি পরিমাণ হয়েছে তা নির্ধারণের জন্য রোববার সদর উপজেলার কালিকাপুর ব্লকে নমুনা কর্তন করা হবে ।

এমদাদুল হক মিলন/জেএস/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়ম কমাতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় জোর

চলতি অর্থবছরে টিসিবির সংগ্রহ কর্মসূচি ৮ হাজার কোটি টাকার; উপকারভোগী যাচাই থেকে সরবরাহ পর্যন্ত ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার কথা জানাল সংস্থাটি, প্রকৃত উপকারভোগী বাছাইয়ে জোর বিশেষজ্ঞদের।

আমার দেশ১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মাল্টা কেজি ৮০ টাকা, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১২ কোটি

রাঙ্গামাটিতে প্রায় ৩৫০ হেক্টরে মাল্টার আবাদ, চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন; স্থানীয় বাজারে দেশি মাল্টা মিলছে কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

খাদ্য আছে, তবু ক্ষুধা কেন: আয়, দাম আর পুষ্টির প্রশ্ন

বিশ্ব খাদ্য দিবসে ড. হারুন রশীদ তাঁর কলামে লিখেছেন, রেকর্ড বোরো উৎপাদনের মধ্যেও তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তা দেখায়, ক্ষুধা এখন উৎপাদনের নয়, আয়, দাম ও ক্রয়ক্ষমতার সংকট।

জাগো নিউজ ২৪১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)