সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

খাদ্য আছে, তবু ক্ষুধা কেন: আয়, দাম আর পুষ্টির প্রশ্ন

বিশ্ব খাদ্য দিবসে ড. হারুন রশীদ তাঁর কলামে লিখেছেন, রেকর্ড বোরো উৎপাদনের মধ্যেও তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তা দেখায়, ক্ষুধা এখন উৎপাদনের নয়, আয়, দাম ও ক্রয়ক্ষমতার সংকট।

বাজারে চাল, মাছ, ডিম, সবজি সবই আছে, অথচ শহরের অন্য প্রান্তে মাসের শেষ সপ্তাহে অনেক পরিবারের খাবার আটকে যায় চাল-ডালে, ডিম হয়ে ওঠে বিলাসিতা। বিশ্ব খাদ্য দিবসে জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে এই বৈপরীত্যের প্রশ্ন তুলেছেন ড. হারুন রশীদ। মতামত লেখকের নিজস্ব।

লেখকের মতে, ক্ষুধা এখন শুধু উৎপাদনের সমস্যা নয়; এটি আয়, দাম, বৈষম্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও ক্রয়ক্ষমতার সম্মিলিত সংকট। ২০২৬ সালের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি’। এফএওর বরাতে তিনি লিখেছেন, ২০২৫ সালে বিশ্বে আনুমানিক ৬৪৫ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধায় ছিল এবং প্রায় ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন মানুষ স্বাস্থ্যকর খাদ্য কিনতে পারে না।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তিনি এফএওর দেশভিত্তিক তথ্য উদ্ধৃত করেছেন: ২০২৫ সালের মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৬৬ লাখ মানুষের তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় থাকার আশঙ্কা ছিল, অথচ একই সময়ে ধান উৎপাদন গড়ের চেয়ে ভালো, আর ২০২৫ সালের বোরো উৎপাদন রেকর্ড ৩ কোটি ১৭ লাখ টনে পৌঁছানোর হিসাব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বিশ্লেষণের বরাতে লেখক জানান, ২০২৫ সালে জাতীয় দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ; ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশের মতো, আর নিম্ন আয়ের মানুষের মজুরি দামের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। তাঁর ভাষায়, ক্ষুধার্ত মানুষ অনেক সময় খাবারে ভরা বাজারের মধ্যেই দাঁড়িয়ে থাকে।

পেট ভরানো আর পুষ্টি নিশ্চিত করা এক নয়, মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। ডাল, মাছ, ডিম, দুধ, শাকসবজি ও ফল না থাকলে শিশুর পুষ্টি পূরণ হয় না, আর একই সমাজে অপুষ্টি ও স্থূলতা পাশাপাশি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিনের চালকেন্দ্রিক খাদ্যনীতি ঐতিহাসিক কারণে যৌক্তিক ছিল এবং সুফলও দিয়েছে, কিন্তু এখন প্রশ্ন, মানুষ কী খাচ্ছে, কত দামে এবং কতটা পুষ্টিকর।

সমাধান হিসেবে তিনি খাদ্যব্যবস্থার সংস্কারের কথা বলেছেন: কৃষকের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পরিবহন, সংরক্ষণ, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের অদক্ষতা ও বাড়তি খরচ কমানো, কারণ সেই চাপ শেষ পর্যন্ত ক্রেতার ঘাড়েই পড়ে।

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

খাঁটি মধু, নাকি চিনির সিরাপ: ভেজাল ধরতে পরীক্ষাগারই ভরসা

পরমাণু শক্তি কমিশনের বিজ্ঞানী ড. আফিফা খাতুন তাঁর কলামে লিখেছেন, রং-গন্ধ দেখে মধুর বিশুদ্ধতা বোঝা কঠিন; নিয়মিত পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ও উৎস খতিয়ে দেখা দরকার।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

বায়ুদূষণ শুধু ঢাকার নয়: পোলট্রি খামার আর পাটকাঠির চুল্লির ধোঁয়া

লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা লিখেছেন, ঝিনাইদহের মাদ্রাসার পাশে মুরগির খামারের দুর্গন্ধ থেকে পাটকাঠি পোড়ানো চারকোল কারখানা পর্যন্ত, ঢাকার বাইরেও বায়ুদূষণ বাড়ছে।

প্রথম আলো১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: বর্তমান রূপে ইইউ বাণিজ্য চুক্তি মেনে নেওয়া উচিত নয় অস্ট্রেলিয়ার কৃষকদের

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশনের সভাপতি হ্যামিশ ম্যাকইনটায়ার সব দলকে অস্ট্রেলিয়া-ইইউ চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিতে বলেছেন। ক্যাটল অস্ট্রেলিয়ার হিসাবে চুক্তিতে পাওয়া গরুর মাংসের বাজার বছরে মাত্র এক সপ্তাহের রপ্তানির সমান।

Beef Central১৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)