সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

একটি দলছুট হনুমানের মানুষের সঙ্গে সখ্য

মাসখানেক আগে একদিন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চলে আসে একটি দলছুট হনুমান। নতুন পরিবেশে এসে হনুমানটি যেমন উদ্বিগ্ন ছিল, হঠাৎ করে লোকালয়ে আসা বুনো প্রাণীটিকে দেখে স্থানীয়রাও হয়ে উঠেছিল কৌতূহলী।

মাসখানেক আগে একদিন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে চলে আসে একটি দলছুট হনুমান। নতুন পরিবেশে এসে হনুমানটি যেমন উদ্বিগ্ন ছিল, হঠাৎ করে লোকালয়ে আসা বুনো প্রাণীটিকে দেখে স্থানীয়রাও হয়ে উঠেছিল কৌতূহলী।

প্রথমদিকে হনুমানটি মানুষের কাছ থেকে দূরে দূরেই থাকত। গাছের ডালে, ঘরের চালে, ভবনের ছাদে ছিল তার বিচরণ। অনেকেই আবার প্রাণীটিকে তাড়িয়েও দিত। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে হনুমানটির সঙ্গে স্থানীয়দের বেশ সখ্য গড়ে উঠেছে। নিঃসঙ্কোচে সে এখন মিশছে মানুষের সঙ্গে। ঘুরে বেড়াচ্ছে উপজেলাজুড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঙ্গীবিহীন হনুমানটি টিকে থাকার তাগিদেই মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করছে।

স্থানীয়দের ধারণা, দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসা কোনো যানবাহনের ছাদে উঠেই হনুমানটি এ এলাকায় চলে আসে। এর আগেও গোয়ালন্দে এসেছে একাধিক দলছুট হনুমান। নিরাপদ আবাসস্থল ও খাবারের অভাবে তারা ফলের গাড়িতে উঠে এ এলাকায় চলে আসতে পারে।

রোববার দুপুরে বিশালদেহী হনুমানটি ঘোরাফেরা করছিল গোয়ালন্দ বাজার রেলগেট এলাকায়। ক্ষুধার্ত প্রাণীটি একপর্যায়ে ঢুকে পড়ে মজিবর রহমান নামের এক ফল ব্যবসায়ীর দোকানে। দোকানদার তাকে একটি আনার দিলে সে ফলটি লুফে নেয়। দোকানির দেয়া ফলটি ছাড়া অন্য কিছুই সে খায়নি কিংবা কোনো ক্ষতিও করেনি। এরপরে হনুমানটি পাশেই একটি খাবার হোটেলে গিয়ে ক্রেতার মতোই বেঞ্চে বসে পড়ে। হোটেল মালিক সহিতুন নেছা সেটিকে তাড়িয়ে না দিয়ে কিছু খাবার দেন। দেখাদেখি আরও অনেকেই হনুমানটিকে আম, কলা, বাদাম, পাউরুটি ইত্যাদি খেতে দেয়। যতটা সম্ভব খেয়ে সেখান থেকে চুপচাপ চলে যায় প্রাণীটি।

প্রত্যক্ষদর্শী যুবক মুক্তার মাহমুদ, তৌহিদ হোসেন, রাজু আহমেদসহ অনেকেই বলেন, মানুষের সঙ্গে এভাবে স্বাভাবিকভাবে কোনো হনুমানের মিশে যাওয়া এর আগে তারা দেখেনি। লোকজনের মানবিকতা দেখে খুব ভালো লেগেছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, হনুমানটি হয়তো কোনো কলার ট্রাকে করে সুন্দরবন এলাকা থেকে এদিকে চলে এসেছে। এখানে আসার পর সে সঙ্গীবিহীন হয়ে গেছে। তাই সে বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করছে। কারো কোনো ক্ষতি করছে না। ক্ষতিকর নয় এমন প্রাণীদের মানুষও ভালোবাসে। খাবার দেয়, সহযোগিতা করে।

তিনি আরও বলেন, হনুমান ও বানরের জ্ঞান-বুদ্ধি অনেক প্রবল। ওরা বোঝে কোন পরিবেশে কীভাবে নিজেকে খাপ খাওয়াতে হয়।

সব প্রাণীর প্রতি মানবিক আচরণ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান এই কর্মকর্তা।

রু‌বেলুর রহমান/এসএস/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)