সাতক্ষীরায় চলছে অতিথি পাখি শিকার
সদর উপজেলাসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অতিথি পাখি শিকার। সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে এলাকার অসাধু ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার করছে। এছাড়া বন্দুক ও এয়ারগান দিয়েও শিকার করা হচ্ছে অতিথি পাখি।
এই সূত্রের খবর আমরা সংক্ষেপ, পুনর্লিখন বা অনুবাদ করে তাদের নামেই প্রকাশ করি · ৬২৫১টি প্রতিবেদন
সদর উপজেলাসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অতিথি পাখি শিকার। সরকারি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে এলাকার অসাধু ব্যক্তিরা বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার করছে। এছাড়া বন্দুক ও এয়ারগান দিয়েও শিকার করা হচ্ছে অতিথি পাখি।
সবুজের নগরীতে নজরকাড়া এক লেকের শান্ত পানিতে জলকেলিতে মেতে আছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। তাদের মধ্য থেকে কিচিরমিচির শব্দে একটি ঝাঁক উড়ে দিগন্তের দিকে ছুটি চলেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরেকটি ঝাঁক এসে পানিতে দুরন্তপনা শুরু করছে।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার খোর্দ্দ বাউসার আমবাগানে বাসা বাঁধা শামুকখোল পাখি পাচ্ছে স্থায়ী আবাস। আর এ জন্য আমবাগানসহ আশপাশের ১০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার। খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা এসেছে জেলা প্রশাসকের কাছে।
পাখির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে জেলার মহাদেবপুর উপজেলার আলিদেওনা। উপজেলা সদর থেকে পশ্চিমে এ গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। যে গ্রাম সারাক্ষণ পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত থাকে। গ্রামের গাছে গাছে হাজার হাজার পাখির আশ্রয়। যেন পাখির শব্দেই ঘুম ভাঙে এ গ্রামের মানুষের।
দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন। এখানে ২৪ ঘণ্টা মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকে। মানুষের এই কোলাহল শুধু ট্রেনে ওঠার জন্য নয়। মানুষ ভিড় করে থাকে মূলত পাখি দেখার জন্য। স্টেশনের যে দিকেই তাকাবেন, সব গাছে চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করছে। পাখিদের কিচিরমিচির আর উড়ে বেড়ানোর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এখানে ভিড় জমান।
দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে বাবুই পাখি ও তার সুদর্শন বাসা। এসব বাসা শুধু শৈল্পিক নিদর্শনই ছিল না, মানুষের মনে চিন্তার খোরাক জোগাত এবং আত্মনির্ভশীল হতে উৎসাহ দিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে ও পরিবেশে বিপর্যয়ের কারণে পাখিটি আমরা হারাতে বসেছি। একসময় গ্রাম-গঞ্জের তাল, নারিকেল ও খেজুর গাছে এরা বাসা বেঁধে থাকতো।
শিরিনা প্রায় আট-দশ বছর আগে পোল্ট্রি মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলেন। এতে লাভের মুখ যেমন দেখছেন, পাশাপাশি লোকসানের পরিমাণও কম নয়। তার পোল্ট্রিতে এখনো লেয়ার, ব্রয়লার, টাইগার, টার্কিসহ নানা জাতের মুরগি রয়েছে।
সবুজ বনানী ও উপত্যকা ঘেরা অনিন্দ্য সৌন্দর্যের লীলাভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম। নানা প্রজাতির পশু-পাখির নিশ্চিন্ত আবাস ছিল পাহাড়। দিগন্তব্যাপী পাহাড়ের ভাঁজগুলোও উচ্ছ্বসিত হতো পাখির কলতানে। যে সবুজ অরণ্য ছিল পাখিদের অভয়ারণ্য, আজ শিকারীদের দৌরাত্ম্যে হারিয়ে যাচ্ছে সেসব পাখির সংসার।
টানা দুইদিনের ঝড় ও বৃষ্টিতে নড়াইলের অরুনিমা ইকোপার্কের প্রায় ছয় হাজার দেশীয় ও অতিথি পাখি মারা গেছে। সোমবার অল্প কিছু মারা গেলেও মঙ্গলবার রাতের ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে পার্কের গাছে থাকা সবচেয়ে বেশি পাখি মারা যায়।
মৌলভীবাজারের হাকালুকি এবং হাইল হাওরের বাইক্কাবিলসহ বিভিন্ন এলাকায় চলছে পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি শিকারের মহোৎসব। বিষটোপ, শিকারের জাল এবং বিভিন্ন অভিনব উপায়ে পাখি শিকার করছে অবাধ্য শিকারিরা । শিকার করা এসব পাখি চলে যাচ্চে বিভিন্ন রিসোর্ট, হোটেলসহ বিত্তশালীদের ঘরে। এর পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন বাজারে মাঝে মাঝ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিলুপ্ত প্রায় বিরল প্রজাতির একটি মদনটাক পাখি রশি দিয়ে বেঁধে বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। উপজেলার দামুকদিয়া গ্রামের কৃষক বিপুল মোল্লা তার বাড়িতে পাখিটি রেখেছেন।
মৌলভীবাজারের বাইক্কা বিলে এবছর পাখি শুমারিতে ৩৯ প্রজাতির ১১ হাজার ৬১৫টি পাখি পাওয়া গেছে। যা গত বছরের তুলায় দ্বিগুণেরও বেশি। গত বছর বাইক্কা বিলে পাখির সংখ্যা ছিল ৩৮ প্রজাতির ৫ হাজার ৪১৮টি।
মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওরে গত দুই বছরের তুলনায় পাখি কমেছে ব্যাপক হারে। ২৬-২৭ জানুয়ারি হাকালুকি হাওরে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব ও ও আইইউসিএন বাংলাদেশ হাকালুকির ৪০টি বিলে পাখি শুমারি করে। এতে সর্বমোট ৫১ প্রজাতির ৩৭ হাজার ৯৩১টি জলচর পাখি পাওয়া গেছে।