১৩১ বছরের রেকর্ডে ওয়াশিংটনের এবারের পানিবর্ষ বৃষ্টির হিসাবে ৫৫তম, অর্থাৎ মাঝামাঝি; তবু অঙ্গরাজ্যজুড়ে খরা ঘোষণা হয়েছে এবং ইয়াকিমা উপত্যকার সেচচাষিদের পানি টানা চতুর্থ গ্রীষ্মে কমানো হয়েছে, জানিয়েছে ক্যাপিটাল প্রেস। কারণ তাপ: ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বেশি ছিল, ১৮৯৫ সালের পর দ্বিতীয় উষ্ণতম পানিবর্ষ।
ডিসেম্বর ছিল রেকর্ডে পঞ্চম সর্বোচ্চ বৃষ্টির এবং সবচেয়ে উষ্ণ। বৃষ্টিতে খামার ভেসেছে, কিন্তু সেই পানি পাহাড়ে তুষার হয়ে জমেনি, গড়িয়ে চলে গেছে। ১ এপ্রিল অঙ্গরাজ্যের তুষারস্তূপ ছিল স্বাভাবিকের ৫২ শতাংশ, ২০১৫ সালের পর সবচেয়ে কম; এপ্রিলের শুরুতে পরিবেশ বিভাগ খরা ঘোষণা করে। গত দশ বছরের সাত বছরেই অঙ্গরাজ্যের পুরো বা আংশিক এলাকায় খরা ঘোষিত হয়েছে।
মার্চে মার্কিন রিক্লেমেশন ব্যুরো ধারণা করেছিল, ইয়াকিমা উপত্যকায় কনিষ্ঠ পানি-অধিকারের সেচচাষিরা বরাদ্দের ৪৪ শতাংশ পাবেন, সবচেয়ে খারাপ হলে ৩১ শতাংশ। কিন্তু শীতের বৃষ্টি মাটিকে ভিজিয়ে রেখেছিল, গ্রীষ্মে টানা চরম গরম পড়েনি, আর সেপ্টেম্বরে বৃষ্টি হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পূর্বাভাস ৬২ শতাংশে ওঠে, সেচ মৌসুম অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
কিটিটাস রিক্লেমেশন ডিস্ট্রিক্টের ব্যবস্থাপক আরবান এবারহার্ট বলেন, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ভালো হচ্ছিল, আর সেপ্টেম্বরে সত্যিই বদলে যায়; সেপ্টেম্বরেই পানি ফুরিয়ে যাবে ভেবেছিল যে জেলা, সেটি ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পানি দিয়েছে। রোজা সেচ জেলাও সেপ্টেম্বরের শুরুতে বন্ধের বদলে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলেছে।
সেপ্টেম্বরের শেষে ব্যুরোর পাঁচটি জলাধারে ছিল প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার একর-ফুট পানি, দীর্ঘমেয়াদি গড় ৩ লাখ ১৩ হাজারের অনেক নিচে, তবে এক বছর আগের ৮৪,৭৫০ একর-ফুটের চেয়ে অনেক বেশি। রোজার ব্যবস্থাপক স্কট রেভেল বলেন, গত বছরের এ সময়ের চেয়ে তিনি বেশি আশাবাদী, তবে ৯০ দিন পর আবার দেখতে হবে।
ছবি: Brian Prechtel / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Capital Press





মন্তব্য
(০)