সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

১৮ বছরে ১৫ হাজার চারা ও তালবীজ রোপণ, গাছেই সুখ জোবায়েরের

২০০৮ সাল থেকে টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ঢাকা, দিনাজপুর, সিলেট ও সুনামগঞ্জে প্রায় ১৫ হাজার চারা ও তালবীজ রোপণ করেছেন জোবায়ের আহম্মেদ খান অপু।

স্নাতক পড়ার সময় ২০০৮ সালে গাছ লাগানো শুরু করেছিলেন জোবায়ের আহম্মেদ খান অপু। ১৮ বছরে তাঁর হাতে রোপণ করা চারা ও তালবীজের সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ হাজার। এর মধ্যে ফলদ, ফুল ও ঔষধি গাছ আছে, আছে হারিয়ে যেতে বসা কয়েকটি প্রজাতিও।

ছোটবেলায় নানাকে গাছ লাগাতে দেখে তাঁর আগ্রহের শুরু। কলেজজীবনে রক্তদাতা সংগঠন বাঁধনের সংবর্ধনায় অতিথিদের একটি করে চারা উপহার দিয়েছিলেন। চাকরির জন্য ঢাকায় গিয়েও থামেননি; ঢাকার ৩০০ ফিট সড়কের পাশে শিমুল, জারুল, নিম, হরীতকী, জাম, ছাতিম ও অর্জুনের দেড় হাজারের বেশি চারা লাগিয়েছেন।

দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের রামডুবি এলাকায় সড়কের দুই পাশে দুই শতাধিক পলাশ, কাঞ্চন, শিমুল ও ছাতিমের চারা লাগিয়েছেন তিনি, রামডুবি-বীরগাঁও সড়কের দুই পাশে দুই শতাধিক আমগাছ। সিলেটের হাসপাতাল, আদালত চত্বর, মাদ্রাসা ও দলদল চা-বাগান এলাকায় পাঁচ শতাধিক চারা এবং ছাতক উপশহরে দুই শতাধিক শিমুলের চারা লাগিয়েছেন।

বীজ রোপণেও আগ্রহ তাঁর। জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল রেলপথের পাশে গত ছয় বছরে প্রায় ছয় হাজার তালবীজ রোপণ করেছেন, যেখান থেকে এখন তালগাছের চারা উঁকি দিচ্ছে।

খরচের একটি অংশ নিজের আয় থেকে বহন করেন, নিজেও চারা উৎপাদন করেন; পরিবারও সহায়তা করে। জোবায়েরের মতে, চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়, যত্ন নিতে হয়। "আমি যত দিন বেঁচে আছি, গাছ লাগিয়ে যাব। কারণ গাছ মানুষের বড় বন্ধু," বলেন তিনি।

একজন মানুষের নিয়মিত উদ্যোগ কীভাবে বড় এলাকায় সবুজ ছড়াতে পারে, জোবায়েরের গল্প তারই দৃষ্টান্ত। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

সূত্র: দেশ রূপান্তর

দেশ রূপান্তরসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)