সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

আরব সাগরের ভয়ংকর বিষধর সাপ ‘ইয়েলো বেলিড’ কক্সবাজার সৈকতে

আরব সাগরের ভয়ংকর বিষধর সাপ 'ইয়েলো বেলিড' বা 'হলদে পেটি'। সামুদ্রিক এ সাপটি এখন বিচরণ করছে কক্সবাজার সৈকতে। শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাতে শহরের সমিতিপাড়া সৈকত পয়েন্টে দেখা মিলেছে এ প্রজাতির বিষধর সাপের।

আরব সাগরের ভয়ংকর বিষধর সাপ 'ইয়েলো বেলিড' বা 'হলদে পেটি'। সামুদ্রিক এ সাপটি এখন বিচরণ করছে কক্সবাজার সৈকতে। শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাতে শহরের সমিতিপাড়া সৈকত পয়েন্টে দেখা মিলেছে এ প্রজাতির বিষধর সাপের।

এর আগে গত জুনে শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে একটি ইয়েলো বেলিড সাপের দেখা পাওয়া যায়। সাম্প্রতিককালে কক্সবাজার সৈকতে এ ইয়েলো বেলিড সাপের বিচরণ বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ সাপ নিয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিঘা সৈকতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দিঘা সৈকতটি বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত। ভারতে এ সাপের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম না থাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গড়াই নদে জালে উঠে এলো বিষধর চন্দ্রবোড়া

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের সমিতিপাড়া সৈকত পয়েন্টে দায়িত্ব পালনকালে তিনি একটি ইয়েলো বেলিড সাপের দেখা পান। পরে সাপটি সাগরের দিকে চলে যেতে দেখেন। এসময় তিনি সাপটির ভিডিও ফুটেজ ও কিছু ছবি তুলে রাখেন।

সূত্রের তথ্যমতে, 'ইয়েলো বেলিড' সাপ বিশ্বের আটটি ভয়ংকর সামুদ্রিক সাপের অন্যতম। এ সাপের দংশনে মৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের সংক্রামক ব্যাধি ও ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহজাহান নাজির জানান, কক্সবাজারে এ সাপের আক্রমণে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও প্রায় ছয়মাস আগে দুবলার চর সৈকতে এক জেলের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুবলার চর সৈকতের ওই জেলে সাপটি মৃত ভেবে লাথি মেরেছিলেন। ফলে সাপটি ওই জেলেকে আক্রমণ করে।

ডা. শাহজাহান নাজির বলেন, বঙ্গোপসাগরে ও কক্সবাজার সৈকতে এ ইয়েলো বেলিড সাপের বিচরণ রয়েছে। এর কামড়ে শরীর প্যারালাইজড হয়ে যায়। কিডনি, হার্ট আক্রান্ত হয় এবং ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। প্রস্রাবের রংও পাল্টে যেতে পারে। তাই এ সাপের ব্যাপারে জেলেসহ সংশ্লিষ্টদের সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হলদে পেটি সামুদ্রিক সাপ হলো বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দেখা পাওয়া সামুদ্রিক সাপ। এটি অত্যন্ত বিষাক্ত প্রজাতির সাপ, যা হাইড্রোফিনি (সামুদ্রিক সাপ) সাবফ্যামিলির অন্তর্গত।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ ফুটের অজগর উদ্ধার

হলদে পেটি সামুদ্রিক সাপের বৈজ্ঞানিক নাম পেলামিস প্লেটোরাস। একটি স্বতন্ত্র দ্বিবর্ণ প্যাটার্নের এ সাপটি আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো, বাজা ক্যালিফোর্নিয়া এবং মধ্য আমেরিকার উপকূলসহ ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উপক্রান্তীয় জলে পাওয়া যায়।

একটি প্রাপ্তবয়স্ক ইয়েলো বেলিড সাপের গড় দৈর্ঘ্য ৩ ফুট। সাপটির একটি মসৃণ আঁশ এবং একটি মসৃণ আকৃতির শরীর রয়েছে। এর নিচের অংশ হলুদ এবং পিঠ নীলচে কালো। লেজ নৌকার দাড়ের মতো চ্যাপ্টা হলুদ পুচ্ছবিশিষ্ট, যাতে সাপটি সাগরে নির্বিঘ্নে সাঁতার কাটতে পারে। আইইউসিএন রেড লিস্টে সাপটির অবস্থান লিস্ট কনসার্ন বা 'ন্যূনতম উদ্বেগ' হিসেবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া জানান, ইয়েলো বেলিড সাপ মাংসাশী এবং এরা শুধু মাছ খায়। এরা পানির নিচে একটানা তিন ঘণ্টা পর্যন্ত কাটাতে পারে। তার সমগ্র জীবনচক্র সমুদ্রেই কাটে।

'এ প্রজাতির সাপ পানির ওপরে ডাইভিং ও সাঁতার কাটার সময় ত্বকের মাধ্যমে তার চাহিদার ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত প্রজাতির সাপ। তাই এ সাপের ব্যাপারে সতর্কতা আবশ্যক', বলেন এ অধ্যাপক।

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)