সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

বনে আর ফেরা হলো না বুনো হাতিটির

সুস্থ করে বনে ফেরানোর আশায় চিকিৎসা দিতে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আনা বুনো হাতিটি অবশেষে মারা গেছে। প্রাণপণ চেষ্টায় চিকিৎসা সেবা দিয়েও তাকে আর জীবিত বনে ফেরানো গেলো না। ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে আনার ১৬ দিনের মাথায় মারা যায় হাতিটি।

সুস্থ করে বনে ফেরানোর আশায় চিকিৎসা দিতে কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আনা বুনো হাতিটি অবশেষে মারা গেছে। প্রাণপণ চেষ্টায় চিকিৎসা সেবা দিয়েও তাকে আর জীবিত বনে ফেরানো গেলো না। ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে আনার ১৬ দিনের মাথায় মারা যায় হাতিটি।

শনিবার (২৮ মে) রাতে ময়নাতদন্তের পর মরা হাতিটিকে পার্কের হাতিরগোদা এলাকায় পুঁতে ফেলা হয়।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার কোদালায় কাদায় আটকে আহত মাদি হাতিটিকে ১৩ মে বিকেলে ট্রাকে করে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে আনা হয়েছিল। আনার পর একটু আধটু খাবার খেলেও সপ্তান্তে ধীরে ধীরে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয় হাতিটি। এরপর নানাভাবে চেষ্টা করেও তাকে আর কিছুই খাওয়ানো যায়নি। শেষে বুনো হাতিটি মারা যায়।

সাফারি পার্কের তত্ত্বাবধায়ক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে বুনো মাদি হাতিটি রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে কাদায় আটকা পড়ে। খবর পেয়ে অনেক চেষ্টার পর হাতিটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মীরা বনাঞ্চলে ফেরত পাঠায়। কিন্তু শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় এবং মুখ দিয়ে পেটের ভেতর কাদামাটি ঢোকায় হাতিটি অস্থিরতায় ভুগছিল।

একদিন পর হাতিটি ওই একই এলাকায় আবারো চলে এলে সেটিকে চিকিৎসার জন্য কোদালা বন বিটের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। সেখানে সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জনের নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। এতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় হাতিটিকে পাঠানো হয় সাফারি পার্কে। এখানে আনার পর নিবিড় পরিচর্যায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছিল না। অবশেষে হাতিটি শনিবার সকালের দিকে মারা যায়।

তিনি আরো জানান, অসুস্থ হাতির চিকিৎসার জন্য ২২ মে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। পরদিন থেকে হাতির চিকিৎসা শুরু হয়। মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ছিলেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক বিবেক চন্দ্র সূত্রধর। সদস্য ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির অধ্যাপক ভজন চন্দ্র দাস, ঢাকা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (অব.) মো. ফরহাদ হোসেন, চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী। সদস্য সচিব ছিলেন পার্কের বন্যপ্রাণী চিকিৎসক হাতেম সাজ্জাদ মো. জুলকার নাইন।

পার্কের বন্যপ্রাণী চিকিৎসক জুলকার নাইন বলেন, সাফারি পার্কে আনার কালেই বুনো হাতিটি অনেকটাই চলনশক্তিহীন অবস্থায় ছিল। বয়স অনুপাতে হাতিটির যে পরিমাণ খাবার গ্রহণের কথা ছিল, এর সামান্যই গ্রহণ করত। অনেক সময় মুখ থেকে খাবার ফেলে দিত। এ ছাড়া অসুস্থ হওয়ার পর থেকে বন্ধ ছিল হাতিটির পায়খানা-প্রস্রাবও।

হাতিটি যে বাঁচবে না তা চিকিৎসা কার্যক্রম শুরুর দিনই নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল উল্লেখ করে মেডিকেল বোর্ডের সদস্য চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুপন নন্দী বলেন, হাতিটির পেটের ভেতর কাদা ঢুকে গিয়েছিল। এই কারণে হাতিটি খাওয়া ছেড়ে দেওয়ায় দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ে। এরপরও আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়-কিন্তু বাঁচানো গেল না।

পার্কের ইনচার্জ মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, অসুস্থ প্রায় ১০ বছর বয়সী বুনো হাতিটিকে দৈনিক দুই হাজার টাকার স্যালাইন ও ওষুধ খাওয়ানো হতো। আশা করেছিলাম হাতিটি সুস্থ হয়ে বনে ফিরতে পারবে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও বাঁচানো গেল না। শনিবার বিকেল থেকে মরা হাতির ময়নাতদন্ত শুরু করে সন্ধ্যায় শেষ হয়। এরপরই তাকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)