সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

সাপের গ্রাম: যেখানে ঘরে ঘরে বাস করে বিষধর কেউটে

সাপ দেখলেই সাধারণ মানুষের সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো পিছিয়ে যাওয়া এবং আতঙ্কে দূরে সরে যাওয়া। এটিই বিশ্বের চিরন্তন নিয়ম। তবে একটি গ্রাম আছে, যার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে বিষধর কেউটে সাপ দেখে কেউ আতঙ্কিত হন না। বরং সাপকে সেখানে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবেই অনায়াসে মেনে নেওয়া হয়েছে।

সাপ দেখলেই সাধারণ মানুষের সহজাত প্রতিক্রিয়া হলো পিছিয়ে যাওয়া এবং আতঙ্কে দূরে সরে যাওয়া। এটিই বিশ্বের চিরন্তন নিয়ম। তবে একটি গ্রাম আছে, যার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে বিষধর কেউটে সাপ দেখে কেউ আতঙ্কিত হন না। বরং সাপকে সেখানে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবেই অনায়াসে মেনে নেওয়া হয়েছে।

অদ্ভুত এই গ্রামটির নাম শেঠফল। এটি ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলায় অবস্থিত। গ্রামটি দেশ-বিদেশে 'সাপের গ্রাম' বা 'স্নেক ভিলেজ অব ইন্ডিয়া' নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

শেঠফল গ্রামে মানুষ এবং বিষধর কেউটে সাপের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। এই গ্রামে বিষধর সাপের মুখোমুখি হওয়া কোনো আতঙ্কের বিষয় নয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সাপের সঙ্গে এক ধরনের আধ্যাত্মিক সংযোগ অনুভব করেন। তারা ভয় পাওয়ার বদলে সাপকে পরম শ্রদ্ধার চোখে দেখেন।

সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই গ্রামের প্রতিটি বাড়ির ভেতরে সাপের জন্য বিশেষ জায়গা রাখা হয়। ঘরের এক কোণে তৈরি করা এই নির্দিষ্ট খোঁপর বা কুঠুরিকে স্থানীয় ভাষায় সাপের পবিত্র বিশ্রামস্থল বলা হয়। সেখানে সাপগুলো কোনো বাধা ছাড়াই নির্বিঘ্নে আশ্রয় নেয়।

শেঠফল একটি কৃষিপ্রধান গ্রাম। এখানকার অধিকাংশ মানুষই চাষাবাদের সাথে যুক্ত। পুরো গ্রামে কেউটে সাপকে অবাধে বাড়ির উঠান, ঘরের মেঝে কিংবা রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সাপকে ঘরের সদস্যের মতোই স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে দেওয়া হয়।

বহু প্রজন্ম ধরে চলে আসা বিশ্বাস ও আচারের ওপর ভিত্তি করেই এই জীবনযাত্রা গড়ে উঠেছে। সনাতন ধর্মীয় সংস্কৃতিতে বিশেষ করে নাগ পঞ্চমীর মতো উৎসবে সাপ পূজার যে ঐতিহ্য রয়েছে, শেঠফলে সেটি কেবল উৎসবের দিনে সীমাবদ্ধ নয়। এটি তাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, পরম শ্রদ্ধার এই পারস্পরিক সম্পর্কের কারণে সাপ কখনও তাদের ক্ষতি করে না।

বিচিত্র এই গ্রামটি দেখতে প্রতি বছরই দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক ও কৌতূহলী মানুষ সেখানে ভিড় করেন। তবে সেখানে যাওয়ার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রথমত, স্থানীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখাতে হবে। গ্রামবাসীকে সাপের সঙ্গে মেলামেশার দৃশ্য দেখে অতি উৎসাহী হয়ে সাপ ধরার চেষ্টা করা বা তাদের বিরক্ত করা সম্পূর্ণ নিষেধ। স্থানীয়রা সাপের আচরণ বুঝতে পারলেও পর্যটকদের জন্য কেউটে অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। তাই সবসময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত।

গ্রামের ভেতরে হাঁটার সময় অতিরিক্ত শোরগোল করা যাবে না। এতে সাপ চমকে গিয়ে আক্রমণ করতে পারে। এছাড়া গ্রামের সরু গলি বা কাঁচা রাস্তায় খালি পায়ে না হেঁটে সবসময় ঢাকা জুতা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। যে কোনো পরিস্থিতিতে গ্রামের মানুষের পরামর্শ মেনে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সূত্র: এনডিটিভি, ফার্স্টপোস্টকেএএ/

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)