সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

ঋতুর সঙ্গে শরীরের রং বদলায় যে শিয়াল

সানজানা রহমান যুথীশিয়াল আমাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি প্রাণী। বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে আর্কটিক শিয়াল অন্যতম। আর্কটিক শিয়াল ছাড়াও এরা সাদা শিয়াল, পোলার শিয়াল বা তুষার শিয়াল নামেও পরিচিত। অ্যার্কটিক শিয়াল আকারে ছোট, ঠান্ডা-সহনশীল মাংসাশী স্তন্যপায়ী প্রাণি, যা উত্তর গোলার্ধের আর্কটিক অঞ্চলে পাওয়

সানজানা রহমান যুথীশিয়াল আমাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি প্রাণী। বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে আর্কটিক শিয়াল অন্যতম। আর্কটিক শিয়াল ছাড়াও এরা সাদা শিয়াল, পোলার শিয়াল বা তুষার শিয়াল নামেও পরিচিত। অ্যার্কটিক শিয়াল আকারে ছোট, ঠান্ডা-সহনশীল মাংসাশী স্তন্যপায়ী প্রাণি, যা উত্তর গোলার্ধের আর্কটিক অঞ্চলে পাওয়া যায়।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এরাই পৃথিবীর একমাত্র শিয়াল যারা ঋতুর সঙ্গে রং বদলায়। শীতকালে আর্কটিক শিয়ালের পশম সম্পূর্ণ সাদা হয়ে যায়। বরফের মধ্যে মিশে থাকার জন্য এটি তাদের প্রধান কৌশল। গ্রীষ্মকালে বরফ গলে গেলে এদের পশম হালকা বাদামি, ধূসর বা নীলাভ-ধূসর রং ধারণ করে। এই রং তাদের চারপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিশে যেতে সাহায্য করে।

অ্যার্কটিক শিয়ালের গড় ওজন ৩ থেকে ৯ কেজি এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০ থেকে ৬৮ সেমি (১৬ থেকে ২৭ ইঞ্চি) হয়। আর্কটিক শিয়ালদেরকে তাদের বাহ্যিক পরিবেশ এবং অভ্যন্তরীণ মূল তাপমাত্রার মধ্যে ৯০–১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রার পার্থক্য সহ্য করতে হয়। এরা শীত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য পা ও মাথা শক্ত করে কুঁজো করে শরীরের নিচে কিংবা লোমশ লেজের পেছনে আটকে রাখে।

আর্কটিক শিয়াল লেমিংস, সমুদ্র-উদ্ভিদ, মাছ, জলপাখি এবং সামুদ্রিক পাখির মতো অনেক ছোট প্রাণীর শিকার করে। আর্কটিক শিয়াল গ্ৰীষ্মকালের মতো শীতকালে যথেষ্ট খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। এর প্রধান কারণ হলো শীতকালে খাদ্য উৎসের অভাব। গ্রীষ্মকালে খাদ্য এবং শিকারের জন্য প্রচুর জীবজন্তু থাকে। কিন্তু শীতকালে প্রায় সবকিছুই বরফের নিচে চাপা পড়ে থাকে, ফলে এদের খাদ্য সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আর্কটিক শিয়ালের মধ্যে চরম ঠান্ডা ও অনাহারের সময় টিকে থাকার জন্য তাদের দেহে থাকা জিএলটিপিডি১, একেটি২ নামক দুটি জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে এদের শরীরে চর্বি জমে থাকে, ফলে তারা দীর্ঘসময় ধরে অনাহারে থাকতে পারে।

শিয়ালরা বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ, যেমন গর্জন, চিৎকার এবং শরীরের ভঙ্গি ও গন্ধের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আর্কটিক শিয়াল সাধারণত একা থাকতেই পছন্দ করে, তবে প্রজনন মৌসুমে এরা জোড়ায় জোড়ায় থাকে। প্রতি বছর একবার শীতের শেষে বা বসন্তের শুরুতে এরা প্রজনন করে।

কিছু নির্দিষ্ট উপপ্রজাতি বা অঞ্চলভিত্তিক জনসংখ্যা হুমকির মুখে রয়েছে। যেমন-স্ক্যান্ডিনেভিয়ান আর্কটিক শেয়াল বিলুপ্তপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। তবে এরা বিলুপ্তপ্রায় প্রাণি নয়।

আর্কটিক শিয়াল প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি, যা চরম পরিবেশেও বেঁচে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা রাখে। তাদের অভিযোজন, খাদ্যাভ্যাস এবং রং পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রকৃতির বৈচিত্র্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

সূত্র: আইইউসিএন রেড লিস্ট অব ত্রেটিয়েন্ড স্পেসিয়াস

কেএসকে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)