বগুড়ার সারিয়াকান্দিসহ চরাঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্প ব্যবহারে কৃষকের ডিজেল ও বিদ্যুতের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। উপজেলার নারচী, ফুলবাড়ী ও বোহাইল ইউনিয়নে সৌরবিদ্যুতে সেচ চলছে। কর্মকর্তাদের হিসাবে, চার মাসের এক সেচ মৌসুমে এতে প্রায় ৭৫ লাখ লিটার ডিজেল সাশ্রয় হচ্ছে।
এসএসিপি-রেইনস প্রকল্প সূত্রে সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী জিন্নাহ প্রাথমিক মূল্যায়নের বরাতে জানিয়েছেন, বিঘাপ্রতি সাশ্রয় প্রায় ৯ হাজার টাকা, আর ১৫ বিঘায় কার্বন নিঃসরণ কমে প্রায় দেড় টন।
নারচী ইউনিয়নের গোদাগাড়ী গ্রামের কোহিনুর বেগম বলেন, আগে তাঁর জমি চাষ করতে ডিজেলচালিত মেশিনে সেচ দিতে হতো, বিঘাপ্রতি অনেক টাকা খরচ হতো, আর বাড়ির বিদ্যুৎ বিল আসত ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এখন সেচ বা বাড়ির কোনো বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় না বলে জানান তিনি।
ফুলবাড়ী ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বাবলু মণ্ডল বলেন, পাম্পের সুবিধা তিনি নিজে নিচ্ছেন, অন্য চাষিরাও পাচ্ছেন। আগে বোরো ধানে সেচ দিতে তাঁর অন্তত ২,৫০০ টাকা খরচ হতো, এখন সেচ খরচ নেই, বাসার বিদ্যুৎ বিলও অর্ধেকে নেমেছে। তাঁর কথায়, সোলার পাম্পের পানি সুপেয়, তাই কৃষির পাশাপাশি গৃহস্থালির কাজেও লাগছে।
সূর্যের আলোয় চলা পাম্পে জ্বালানির খরচ লাগে না, ফলে বোরোর মতো সেচনির্ভর ফসলে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমছে এবং কার্বন নিঃসরণও কমছে।
প্রতিবেদন: ইমরান হোসাইন রুবেল, সারিয়াকান্দি (বগুড়া), আমার দেশ
ছবি: বিদ্যুৎ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: আমার দেশ





মন্তব্য
(০)