সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইঁদুর খেয়ে ফসল বাঁচায় নির্বিষ দাঁড়াশ, কালাচের সঙ্গে গুলিয়ে মারবেন না

দাঁড়াশ সম্পূর্ণ নির্বিষ ও কৃষকের বন্ধু, কিন্তু রাতে চলা কালাচ মারাত্মক বিষধর; দুটিকে চেনার উপায় তুলে ধরেছেন লেখক আলমাস তাহমিদ।

ইঁদুর খেয়ে ফসল বাঁচায় নির্বিষ দাঁড়াশ, কালাচের সঙ্গে গুলিয়ে মারবেন না
পরিবেশ

সাপ দেখলেই মেরে ফেলার প্রবণতায় প্রতিবছর অনেক উপকারী সাপ মারা পড়ে। লেখক আলমাস তাহমিদ দেশ রূপান্তরে লিখেছেন, বাংলাদেশের সাপের প্রায় ৭০ শতাংশই নির্বিষ, আর কৃষকের সবচেয়ে বড় ভুল হলো নির্বিষ দাঁড়াশ ও বিষধর কালাচকে গুলিয়ে ফেলা।

দাঁড়াশ (Ptyas mucosa) সম্পূর্ণ নির্বিষ। গায়ের রং সাধারণত হালকা বাদামি, হলুদ-বাদামি বা জলপাই, চোখ বড়, মাথা সরু, শরীর লম্বা ও চিকন। এটি দিনে চলে, গাছে ওঠে, সাঁতারও কাটে। দাঁড়াশ ইঁদুর, ছুঁচো, ব্যাঙ ও পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে; লেখকের হিসাবে একটি দাঁড়াশ প্রায় তিন বিঘা জমির ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

অন্যদিকে কালাচ (Bungarus caeruleus) মারাত্মক বিষধর। গা চকচকে কালো বা গাঢ় নীলচে, ঘাড় থেকে লেজ পর্যন্ত জোড়ায় জোড়ায় সাদা বলয়, চোখ ছোট, মাথা চ্যাপ্টা। এটি নিশাচর; কামড়ে প্রায়ই ব্যথা বা দাগ কম থাকে, কিন্তু বিষ অত্যন্ত তীব্র।

দাঁড়াশের লেজে কাঁটা থাকা, গরুর দুধ চুষে খাওয়া বা বিষ থাকার মতো কুসংস্কারগুলো ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন লেখক। সাপের জিহ্বা বিভক্ত হওয়ায় কোনো সাপই দুধ চুষতে পারে না।

লেখকের পরামর্শ, দাঁড়াশ দেখলে তাকে বাঁচতে দিন; কালাচ দেখলে নিরাপদ দূরত্বে থেকে বিশেষজ্ঞকে খবর দিন। রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমান এবং বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখুন। কৃষকের জন্য দাঁড়াশ রক্ষা মানে ইঁদুরের হাত থেকে ফসল রক্ষা।

ছবি: Thomas Brown / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: দেশ রূপান্তর

দেশ রূপান্তরসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)