সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

মাধবপুরে বিরল প্রজাতির ‘লজ্জাবতী বানর’ উদ্ধার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার সীমান্তবর্তী কমলপুর গ্রাম থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার সীমান্তবর্তী কমলপুর গ্রাম থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাখিপ্রেমী সোসাইটির জেলা সভাপতি মোজাহিদ মসি জানান, কমলপুর গ্রামের লোকজন প্রাণীটিকে ধরে খাঁচায় আটকে রাখে। তবে রাতে এটি পালিয়ে যায়। পরে ওইদিন রাতে বৃষ্টিভেজা অবস্থায় প্রাণীটিকে আবারও ধরা হয়। এরপর বন বিভাগের লোকজনের সঙ্গে দেখা করে তাদের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়।

বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী বলেন, 'উদ্ধার হওয়া লজ্জাবতী বানরটি খুবই বিরল। দেখতে নিরীহ হলেও এটি মারাত্মক বিষাক্ত ও স্তন্যপায়ী ভয়ংকর প্রাণী।'

তিনি বলেন, 'বানরটি এখনো অসুস্থ। এর চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।'

লজ্জাবতী বানরের ইংরেজি নাম 'স্লো লরিস'। এরা লরিসিডি পরিবারের একটি বানর প্রজাতি। এরা গাছের উঁচু শাখায় থাকতে পছন্দ করে। বাংলাদেশে পাহাড়ি চিরসবুজ বনে এদের কালেভাদ্রে দেখা পাওয়া যায়। তবে আর্দ্র পাতাঝরা বনেও লজ্জাবতী বানরের উপস্থিতি দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় সংকটাপন্ন প্রাণী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত লজ্জাবতী বানর বা স্লো লরিশ। বাংলাদেশের ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনেও এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এএএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)