সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৪%বাতাস ৩ কিমি/ঘ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়িতে নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

২০২৬ সালের ১১ জুলাই বৃষ্টি কমে আসায় রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে রাইখ্যং নদীর পানি ও স্রোত কমতে শুরু করে; বাঘাইছড়িতেও পানি নামে, তবে সেখানকার আশ্রয়কেন্দ্রে তখনো ১ হাজার ৪৪৫ জন ছিলেন।

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়িতে নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
পরিবেশ

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় ২০২৬ সালের জুলাইয়ের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। ১১ জুলাই, শনিবার, বৃষ্টিপাত কমে আসায় বিলাইছড়ির রাইখ্যং নদীর পানি ও স্রোত কমতে শুরু করে এবং বন্যাকবলিত এলাকা থেকে ধীরে ধীরে পানি নামতে থাকে। জাগো নিউজ ২৪ এ খবর প্রকাশ করে ১২ জুলাই। পানি কমায় তলিয়ে যাওয়া ফারুয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা আবার দৃশ্যমান হতে শুরু করে, আর বাঘাইছড়িতে পানিবন্দি বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে পানি নেমে যাওয়ায় দুর্গত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বসতভিটায় ফিরতে শুরু করেন।

বাঘাইছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আমেনা মারজান জাগো নিউজকে জানান, পানি কমতে শুরু করেছে এবং অনেক দুর্গত এলাকায় জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তাঁর হিসাবে তখনো উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ৪৪৫ জন দুর্গত মানুষ অবস্থান করছিলেন।

রাইখ্যংয়ের স্রোতে বিচ্ছিন্ন ফারুয়া ইউনিয়ন


বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে ক্ষতি ছিল সবচেয়ে বেশি। দৈনিক ইত্তেফাক ১১ জুলাই জানায়, ভারতের মিজোরাম থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় দ্বিতীয় দফার ঢলে পুরো ফারুয়া বাজার পানির নিচে চলে যায়; ডুবে যায় বাজারের প্রায় ১৫০টি দোকান। ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে বহু পরিবার আশ্রয় নেয়, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্কও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। উইকিপিডিয়ার সংকলিত বিবরণ অনুযায়ী ফারুয়া বাজারসহ ১৪টি গ্রামের প্রায় ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছিলেন।

১১ জুলাই রাইখ্যং নদীতে পাহাড়ি ঢল ও তীব্র স্রোতের কারণে ফারুয়ার সঙ্গে নৌপথে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, ফলে উপজেলা প্রশাসন সরাসরি ত্রাণ নিয়ে সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন তখন স্থানীয়ভাবে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে ফারুয়ার ১০০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করে।

বিলাইছড়ির ইউএনও মো. জাকির হোসেন জাগো নিউজকে জানান, স্রোত কমে আসায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রশাসন ফারুয়ায় ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি না হলে নিম্নাঞ্চল থেকে দ্রুত পানি সরে যাবে। তাঁর তথ্যমতে, শনিবার রাত পর্যন্ত ফারুয়ার একমাত্র আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৫০ জন আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং প্রশাসন তাঁদের রাতের খাবারের ব্যবস্থা করে।

রাঙ্গামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকার একটি দৃশ্য। ছবি: Shadowman006 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
রাঙ্গামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকার একটি দৃশ্য। ছবি: Shadowman006 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

জেলাজুড়ে বন্যার চিত্র


ভোরের কাগজের ১২ জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী টানা বর্ষণ ও সীমান্তের ওপার থেকে আসা ঢলে বাঘাইছড়ি, বরকল, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি ও নানিয়ারচর উপজেলা জলমগ্ন হয়, জেলায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হন এবং ৫১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়।

বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের পাহাড়। ছবি: Solayman .Emon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের পাহাড়। ছবি: Solayman .Emon / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সীমান্তঘেঁষা দুই উপজেলা


আয়তনে রাঙ্গামাটি দেশের সবচেয়ে বড় জেলা, ৬ হাজার ১১৬ বর্গকিলোমিটারের বেশি; এর ১০টি উপজেলার মধ্যে বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি দুটিই ভারতের সীমান্তঘেঁষা। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বিলাইছড়ির জনসংখ্যা ২৯ হাজার ৫৪০, আর ফারুয়া এর চারটি ইউনিয়নের একটি; উপজেলাটির পূর্বে ভারতের মিজোরাম ও মিয়ানমারের চিন রাজ্য। বাঘাইছড়ির জনসংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ২৮৭; এর উত্তরে ত্রিপুরা ও পূর্বে মিজোরাম। জেলার ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে ১৯৬১ সালে তৈরি হয় কাপ্তাই হ্রদ।

ছবি: Ferdous / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দৈনিক ইত্তেফাক, ভোরের কাগজ, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)