সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

শ্রীমঙ্গলে প্রবাসীর বাসায় ঢুকে পড়া অজগর অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার

২০২৬ সালের ৮ জুন রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরের একটি বাসা থেকে একটি অজগর সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন; সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শ্রীমঙ্গলে প্রবাসীর বাসায় ঢুকে পড়া অজগর অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার
পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে একটি বাসায় ঢুকে পড়া অজগর সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। জাগো নিউজ ২৪ জানায়, ২০২৬ সালের ৮ জুন সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে শহরের পূবাসা খান মঞ্জিলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মতলিব খানের বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

বাসায় অজগর, যেভাবে উদ্ধার হলো


স্থানীয় সূত্রের বরাতে জাগো নিউজ জানায়, সোমবার রাতে অজগরটি বাসায় ঢুকে পড়লে বাসার সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তাঁরা বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তাঁরা অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং পরে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।

শ্রীমঙ্গল বন রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অজগর সাপটি বনে অবমুক্ত করা হবে। প্রতিবেদনে সাপটির প্রজাতি বা আকারের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

বার্মিজ অজগরের মাথা। অজগর বিষহীন সাপ, শিকারকে পেঁচিয়ে ধরে মারে। ছবি: TimVickers / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
বার্মিজ অজগরের মাথা। অজগর বিষহীন সাপ, শিকারকে পেঁচিয়ে ধরে মারে। ছবি: TimVickers / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

বাংলাদেশের অজগর: বিষহীন, তবে সংকটে


দ্য রেপটাইল ডেটাবেসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দুই প্রজাতির অজগরের বিচরণ আছে: বার্মিজ অজগর (Python bivittatus) এবং ভারতীয় অজগর বা ইন্ডিয়ান রক পাইথন (Python molurus)। উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, বার্মিজ অজগরের বিস্তার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে।

অজগর বিষধর নয়। বার্মিজ অজগর ধারালো দাঁত দিয়ে শিকার কামড়ে ধরে, তারপর শরীর দিয়ে পেঁচিয়ে চাপ দিয়ে মারে। এর প্রধান খাবার পাখি ও স্তন্যপায়ী প্রাণী, তবে উভচর ও সরীসৃপও খায়। বনে এরা সাধারণত পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এরা মূলত নিশাচর; থাকে ঘাসবন, জলাভূমি, পাহাড়ের পাদদেশ, বনভূমি ও নদী উপত্যকায়, আর কাছাকাছি স্থায়ী পানির উৎস দরকার হয়।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বার্মিজ অজগর ২০১২ সালের মূল্যায়নে ‘সংকটাপন্ন’ (Vulnerable) এবং ভারতীয় অজগর ‘প্রায় সংকটাপন্ন’ (Near Threatened) হিসেবে তালিকাভুক্ত। তাই লোকালয়ে অজগর দেখা দিলে বন বিভাগ বা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠনকে খবর দেওয়াই মানুষ ও সাপ দুইয়ের জন্য নিরাপদ পথ, যেমনটি শ্রীমঙ্গলের ওই পরিবার করেছে।

শ্রীমঙ্গলের একটি চা বাগান। ছবি: Mar11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
শ্রীমঙ্গলের একটি চা বাগান। ছবি: Mar11 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

চা বাগান আর লাউয়াছড়ার বনঘেরা শ্রীমঙ্গল


শ্রীমঙ্গল সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা। জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত এই উপজেলার পশ্চিমে হবিগঞ্জ জেলা এবং দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। অসংখ্য চা বাগানের জন্য শ্রীমঙ্গলকে বলা হয় দেশের চায়ের রাজধানী; বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটও এখানে।

শ্রীমঙ্গল শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই সরকার এলাকাটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করে। প্রায় ১,২৫০ হেক্টরের এই আধা-চিরসবুজ ও মিশ্র পত্রঝরা বনে যেসব সরীসৃপ আছে, বার্মিজ অজগর তার একটি। বন, চা বাগান আর লোকালয় এখানে পাশাপাশি।

শ্রীমঙ্গলের কাছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন। ছবি: Abu Hasan Mehedi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
শ্রীমঙ্গলের কাছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বন। ছবি: Abu Hasan Mehedi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

ছবি: MD sajjad hossain photography / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪, দ্য রেপটাইল ডেটাবেস, উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

শব্দদূষণ ভারতের শহরে স্বাস্থ্যঝুঁকি, কিন্তু মাপাই কঠিন

মুম্বাইয়ে বাইরের শব্দের মাত্রা গড়ে ৬৫ থেকে ৮৫ ডেসিবেল, যেখানে সড়কের শব্দে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা ৫৪ ডেসিবেল। গবেষকেরা বলছেন, তথ্যের ঘাটতি ও ব্যয়বহুল শব্দ-মডেলের কারণে ভারতে এর স্বাস্থ্যপ্রভাব নিয়ে গবেষণা কঠিন।

Mongabay India১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ব্যাংকক বাঁচাতে প্রতিবছর ডুবছে থাইল্যান্ডের গ্রাম

২০১১ সালের বন্যার পর থাইল্যান্ডে তৈরি বাঁধ ও জলকপাট ব্যাংকক ও শিল্পাঞ্চল থেকে পানি সরিয়ে দেয়, কিন্তু আয়ুথায়ার নদীতীরের গ্রামগুলো এখন মাসের পর মাস মাথার ওপর পানিতে ডুবে থাকে; ঘর উঁচু করতে সঞ্চয় খরচ করছেন বাসিন্দারা।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সুস্থ যমজের ছোঁয়ায় কয়েক সপ্তাহে প্রাণ ফিরে পেল বিবর্ণ প্রবাল

স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, একই কলোনির সুস্থ প্রবালের গায়ে বিবর্ণ প্রবালের টুকরা লাগিয়ে রাখলে দুটি জুড়ে যায় এবং বিবর্ণ প্রবাল আবার শৈবাল ফিরে পায়; পাঁচটি টুকরার সবকটি সাত সপ্তাহে সেরে উঠেছে।

ইউরোনিউজ১৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)